কোম্পানীগঞ্জে টিআর-কাবিখা-ভিজিএফে কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগে ফেসবুকে বিএনপি নেতার ‘সতর্কবার্তা’
শাহাদাত হোসেন
নব জ্যোতি ডেস্ক:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সরকারি সহায়তা কর্মসূচি ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অনিয়মের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘সতর্কবার্তা’ দিয়েছেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নেতা বেলায়েত হোসেন স্বপন।
রোববার ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, উপজেলার একটি অংশের ব্যক্তি গরিব ও অসহায় মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি সহায়তা থেকে কমিশন নেওয়ার সঙ্গে জড়িত। তাঁর অভিযোগের মধ্যে রয়েছে টিআর (টেস্ট রিলিফ), কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) ও ভিজিএফ কর্মসূচি।
একই পোস্টে তিনি বালুমহালের অর্থ লেনদেন ও সালিশ-বাণিজ্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।ফেসবুক পোস্টে বেলায়েত হোসেন স্বপন এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের সতর্ক করে বিভিন্ন মন্তব্য করেন।
তাঁর দাবি, সরকারি সহায়তা কর্মসূচির বরাদ্দ থেকে কমিশন নেওয়া হলে প্রকৃত দরিদ্র ও অসহায় মানুষ তাঁদের প্রাপ্য সহায়তা থেকে বঞ্চিত হন।তবে ফেসবুক পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম, সরকারি নথি, আর্থিক লেনদেনের তথ্য, তদন্ত প্রতিবেদন বা অন্য কোনো প্রামাণ্য দলিল প্রকাশ করা হয়নি।
ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উত্থাপিত এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, সরকারি সহায়তা কর্মসূচি নিয়ে কোনো অনিয়ম বা কমিশন নেওয়ার অভিযোগ থাকলে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তদন্ত করা প্রয়োজন।
অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তাঁরা।স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, টিআর, কাবিখা ও ভিজিএফের মতো সরকারি সহায়তা কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া।
এসব কর্মসূচিতে অনিয়ম বা কমিশন নেওয়ার অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।নব জ্যোতি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ফেসবুক পোস্টে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও অভিযোগে যাদের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।
Comments (0)
Be the first to comment on this article.
Leave a comment