বসুরহাট পৌর মিলনায়তনে এমপি ফখরুল ইসলামের উপস্থিতিতে চরপার্বতী ইউপি নির্বাচন কেন্দ্রিক মতবিনিময়;একরামুল হক মিলনসহ ১১ জনের মনোনয়ন প্রত্যাশা
বিশেষ প্রতিনিধি:
আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের ২নং চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে একটি নির্বাচনী মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
গত শুক্রবার ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ ইং বসুরহাট পৌরসভার মিলনায়তনে চরপার্বতী ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ ফখরুল ইসলাম।মতবিনিময় সভায় আসন্ন চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলের পক্ষ থেকে অন্তত ১১ জন সম্ভাব্য প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেন।
তাদের মধ্যে অন্যতম আলোচনায় রয়েছেন চরপার্বতী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক মিলন।দীর্ঘদিনের রাজপথের অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনগণের আস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্থানীয় এমপি মোঃ ফখরুল ইসলাম সকল ভেদাভেদ ভুলে একক প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, স্থানীয় উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করতে দলীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। যোগ্য ও গণমুখী প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৃণমূলের প্রতিটি নেতাকর্মীকে মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।নির্বাচনী ময়দানে একরামুল হক মিলনের পক্ষে পোস্টার ও বিভিন্ন প্রচারণায় সাধারণ মানুষের মাঝে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
তাঁর প্রচারপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, "শান্তি ও উন্নয়ন, সন্ত্রাসমুক্ত জীবন চাই, চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত বাংলাদেশ চাই।" চরপার্বতী ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণ মনে করছেন, ত্যাগী ও রাজপথের পরীক্ষিত নেতা হিসেবে একরামুল হক মিলন দলীয় সমর্থন পেলে ইউনিয়নে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে এবং এটি একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়নে রূপান্তরিত হবে।
তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে একক প্রার্থীর পক্ষে সর্বাত্মক কাজ করে চরপার্বতী ইউনিয়নে বিজয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব হবে।
Comments (0)
Be the first to comment on this article.
Leave a comment