ঢাকা    ,

কবি মু ইব্রাহিম খলিল জসিমের ছন্দের সমাহার

কবি মু ইব্রাহিম খলিল জসিমের ছন্দের সমাহার

[9/26, 12:10 AM] Ibrahim khalil: মুছাপুর সি বিচ

---------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

সমুদ্র আর নদীর মোহনায়,

যেথায় মিলেছে নোনা ও স্বাদু জল,

মুছাপুর সি বিচ ডাকে তোমায়,

একান্ত শান্ত, রূপসী এক আঁচল।

​ঝাউবনের ছায়ায় বাতাসের গুঞ্জন,

বয়ে আনে স্নিগ্ধ নদীর হাওয়া,

মেঘনা ও ফেনীর কোলাকুলি তীরে,

খুঁজে পাওয়া যায় এক অদ্ভুত শান্ত ছাওয়া।

​জোয়ারের জলে যখন রূপ নেয় রূপালী,

ভাটার টানে জেগে ওঠে সোনালী চড়া,

বালুচরে মিহি পায়ের ছাপ রেখে,

মনে হয় বিশ্বটা যেন এক পরম সুখে ঘরা।

​গোধূলি আলোয় যখন ডোবে লাল সূর্য,

সোনালী নদীর বুকে জ্বলে ওঠে জ্যোতি,

কোলাহলহীন শান্ত মুছাপুর বলে,

"হে পথিক, আমি প্রকৃতির এক মায়াবী শ্রী।"

[9/26, 12:10 AM] Ibrahim khalil: গাঙচিল

------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

মেঘনা-ঘেঁষা দখিন হাওয়ায় রূপসী এক নাম,

কোম্পানীগঞ্জের বুকে হাসে আমার মুছাপুর গ্রাম।

গাঙচিলের ওই ডানার ছায়ায় নদী জাগায় তান,

ভাটি অঞ্চলের পলিমাটিতে গাঁথা মোদের প্রাণ।

​জোয়ার-ভাটার খেলায় কাটে নদীর তীর ঘেঁষে,

মুছাপুর রেগুলেটর দাঁড়ায় নদীর পাড়ে এসে।

সবুজ বন আর নদীর বাঁকে মেটে মনের ক্ষুধা,

প্রকৃতির এই রূপটি যেন বিধাতারি সুধা।

​সাঁঝের বাতি জ্বললে পড়ে চরের বুকে আলো,

পলিমাটির এই মানুষগুলো মানুষ বড়ই ভালো।

মুছাপুরের চরে বসে গাঙচিলেরা গায়,

এই গাঙচিল আর নদী ঘেরা রূপ কার না মনে ভায়!

[9/26, 8:00 AM] Ibrahim khalil: বসুরহাট শহর

--------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

ছোট ফেনী নদীর তীরে বসুরহাট ধায়,

পুরানো দিনের কথা বাতাসে ভাসায়।

এককালে ছিল ইছাখালী নামে খ্যাত,

গাঙের তোড়ে কত স্মৃতি ধুলোয় মিলিত।

​বসুমিয়া নামে এক জমিদার ছিলেন,

তাঁরই নামাঙ্কিত এই হাট গড়িছেন।

কালের খেয়ায় তাই 'বসুরহাট' নাম,

নোয়াখালীর প্রাণ এই অপরূপ ধাম।

​সৈয়দপুর আর রামপুর গাঁয়ের কোল,

জোয়ারের তোড়ে বাজে ভাঙ্গনের রোল।

তবুও বাঁচে মানচিত্র, মানুষ থাকে জেগে,

দুঃখ ভুলিয়ে তারা সুখে চলে মেগে।

​বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে এই রূপ,

ইতিহাসে ঢাকা তার ইতিহাস চুপ।

কোম্পানীগঞ্জের এই বসুরহাট শহর,

বুকে ধরে আছে বহু স্মৃতির প্রহর।

ছোট গাঙের পলিমাটিতে সুর আঁকা এক ঠাঁই,

বসুরহাটের মেঠো পথে মন বারেবার ধায়।

ধানের খেতে হাওয়ার খেলা, সবুজ পাতায় রোদ্দুর,

সন্ধ্যা নদীর বুক ঘেঁষে গান ভেসে যায় কত দূর।

​হাটের দিনে কোলাহল আর চেনা মুখদের ভিড়,

চা-দোকানের খবরের ঝড়ে মেটে বুকের পীর।

নোয়াখালীর স্নেহের ভাষায় ভালোবাসার টান,

বসুরহাটের মাটি জুড়ে স্মৃতির কলতান।

​পদ্মা-মেঘনার হাওয়ায় দোলে ভালোবাসার মেলা,

আজিজ হাটের মোড় পেরিয়ে কাটে অলস বেলা।

অতীত-বর্তমানকে বেঁধে পথ চলে যে গাঁও,

বসুরহাট, তোমার বুকেই শান্তি তুমি দাও।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.