ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : কবি মুঃ ইব্রাহিম খলিল জসিমের কাব্যমালা। বসুরহাট পৌর মিলনায়তনে এমপি ফখরুল ইসলামের উপস্থিতিতে চরপার্বতী ইউপি নির্বাচন কেন্দ্রিক মতবিনিময়;একরামুল হক মিলনসহ ১১ জনের মনোনয়ন প্রত্যাশা নিখোঁজ শিশু নয়, নিরাপদ শৈশব চাই: মোহাম্মদ উল্যা কোম্পানীগঞ্জের সড়ক উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান কোম্পানীগঞ্জে ৭০ শতাংশ ভর্তুকিতে কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ, উপস্থিত এমপি ফখরুল ইসলাম সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: মরদেহ দেশে পৌঁছাল, কূটনৈতিক তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন বেগমগঞ্জে মুখোশধারীদের গুলিতে ব্যবসায়ী আহত, উন্নত চিকিৎসায় ঢাকায় প্রেরণ কবিরহাটে ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলামের মতবিনিময় অসুস্থ প্রধান শিক্ষককে দেখতে বাসভবনে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের নেতৃবৃন্দ বসুরহাটে খাজা আবুল খায়ের শিক্ষা বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, অংশ নিল ১,৭২০ শিক্ষার্থী

কবি মুঃ ইব্রাহিম খলিল জসিমের কাব্যমালা।

কবি মুঃ ইব্রাহিম খলিল জসিমের কাব্যমালা।

[10/9, 10:07 PM] Ibrahim khalil: একদিন তুমি বুঝবে

— মুঃ ইব্রাহীম খলিল জসিম

​একদিন তুমি সত্যি বুঝবে,

কতটা ভালোবেসেছিলাম তোমায়,

কতটা নীরব অশ্রু জড়িয়ে ছিল

আমার প্রতিটা দীর্ঘশ্বাসে ও চাওয়ায়।

​হেসে উড়িয়েছ যেসব গল্প,

অনুভূতির সেই গভীর খেলা,

স্মৃতির কোণে ভেসে উঠবে তারা

হঠাৎ কোনো বিষণ্ণ নিঝুম বেলা।

​সেদিন রঙিন আলো তো থাকবে,

থাকাটা হয়তো সবই থাকবে কাছে,

শুধু থাকবে না এই নিঃস্ব হৃদয়,

যে অকাতরে তোমায় ভালোবেসে গেছে।

​চোখের কোণে জল জমে এলে,

খুঁজবে অচেনা কোনো নীরব কোণে—

পাবে না আর ভালোবাসার হাত,

যে আশ্রয় বুনেছিল হৃদ গহনে।

​তুমি বুঝবে সেদিন চেনা আকাশে,

কেমন ছিল আমার অনুভূতির রঙ,

অবহেলার ছাইয়ে ঢাকা পড়েছিল

যার চাওয়া পাওয়ার সব আয়োজন।

[10/9, 10:08 PM] Ibrahim khalil: একবুক আশা নিয়ে

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​একবুক আশা নিয়ে ভালোবেসেছিলাম,

তোমার ওই দুটি চোখে ব্যাকুলতা দেখে,

হৃদয়ের আঙিনায় ফুল ফুটিয়েছিলাম,

প্রতিটি নিশ্বাসে নাম লিখে রেখে।

​ভেবেছিলাম তুমি হবে মেঘভাঙা রোদ,

শ্রাবণের ধারায় এনে দেবে সুখ,

দুটি হাত ধরে পার হব পথটা,

ঘুচিয়ে দেব এই বিরহের দুখ।

​বিশ্বাসটুকু সম্বল করে,

সঁপেছিলাম মন নিভৃত কোণে,

তোমার ছোঁয়ায় রঙ ফুটে উঠুক,

এমনই তো সাধ ছিল মোর মনে।

​একবুক আশা আজও জেগে রয়,

ভাঙেনি তো সুর, মুছে যায়নি গান,

ভালোবাসার এই ব্যাকুল টানে,

তোমার পানেই জেগে আছে প্রাণ।

[10/9, 10:10 PM] Ibrahim khalil: ভুলো না আমায়

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​সন্ধ্যাবেলার শান্ত আলোয় যদি উদাস হয় মন,

ভেবে নিয়ো দূর সীমানায় ভাবছে তোমায় একজন।

পথের মাঝে একলা হেঁটে ক্লান্ত যদি হও কখনো,

জেনে রেখো হৃদয়পুরে তোমায় আমি আগলে রাখি এখনো।

​ঝরা পাতার নূপুর বাজে শুকনো সুরের গান দিয়ে,

আমার স্মৃতির ব্যাকুল হাওয়া পাঠালাম ওই বাতাস নিয়ে।

বুকের ভেতরের গহীন বনে সুর জমেছে ভালোবাসার,

তুমি ছাড়া মিথ্যে সবই, নেই তো কিছু পাওয়ার-হারাবার।

​দিন কেটে যায় দিনবদলের চেনা নদীর বাঁকে,

ভালোবাসার রঙিন আঁচল স্মৃতির ডালে ঝুলে থাকে।

সময় যদি বদলে যায়, বদলে যায় সব রূপ-চেহারা,

আমার মনটা তবুও রবে তোমার নামের সীমানা-ঘেরা।

​আজকে ব্যাকুল নিঝুম রাতে একটা কথাই বলছি তাই,

হাজার ভিড়েও একলা মনটা শুধুই যে তোর সান্নিধ্য চায়।

সুখে থেকো, ভালো থেকো, মনের কোণে রেখো ঠাঁই—

কথা দাও গো আমায় তুমি, কোনোদিনই ভুলবে না আমায়!

[10/9, 10:10 PM] Ibrahim khalil: আশার ছাই, ভালোবাসার ছায়া

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​একসময় আকাশজুড়ে মেঘের মেলা ছিল,

বুকের ভেতর এক সমুদ্র আসা যাওয়া ছিল।

হাতে হাত রেখে হেঁটে যাওয়ার স্বপ্নগুলো রঙিন,

তখন প্রেম ছিল সতেজ, আলোয় ভরা দিন।

​আজ সেই আকাশে কেবল কালবৈশাখীর ঝড়,

চেনা মানুষটাও হুট করে হয়ে গেছে পর।

আশার প্রদীপ নিভে গেছে অন্ধকারের রাতে,

কোনো স্বপ্ন আর বাঁচে না বিষাদের এই হাত বাড়াতে।

​ভালোবাসা আজ আর বুকজুড়ে অনুভবে নেই,

যা কিছু বেঁচে আছে, তা কেবল একলা পথের ছাই।

আশাও হারালো পথ, ভালোবাসাও পেল ছুটি,

শূন্যতার এই নিঃশব্দ ঘরে আজ আমি একা বুঁদ হয়ে রই।

[10/12, 12:45 PM] Ibrahim khalil: আশা ছিল, ভালোবাসা ছিল

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​আশা ছিল এক আকাশ নীল,

ভালোবাসা ছিল সাগরের মতো গভীর,

ভেবেছিলাম কেটে যাবে সব মেঘ,

হবে না কখনো চোখের জল অধীর।

​হাতে হাত রেখে হেঁটেছিলাম

বহুদূর,

বুনেছিলাম শত সুখের রঙিন ঘর,

তখন বুঝিনি কোনো এক দিন

এক নিমেষেই হয়ে যাবে সব পর।

​আজ আশাগুলো ভেঙে চুরমার,

ভালোবাসা শুধু স্মৃতির পাতায় জমা,

যদি কখনো ফিরে তাকাও পেছনে,

আমায় কোনো ভুল থাকলে করে দিও ক্ষমা।

​তবুও ভালো থেকো নিজের মতো করে,

আমার না-হওয়া কল্পনার ছায়ায়,

ভালোবাসা আজও আগের মতোই আছে,

জড়িয়ে শুধু শেষ বিকেলের মায়ায়।

[10/12, 12:47 PM] Ibrahim khalil: আশানাই, ভালোবাসাও নাই

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​যে পাখিটি উড়ে গেছে সুদূর দিগন্তে,

তার ডানার ছায়াও আর পড়ে না এ প্রান্তরজুড়ে।

যে আলোটুকু ছিল বুকজুড়ে নিভে যাওয়া প্রদীপে,

তাও আজ বিলীন হয়ে গেছে অমাবস্যার গাঢ় অন্ধকারে।

​নেই কোনো প্রতীক্ষা, নেই কোনো পাওয়ার নাম,

যে পথে হেঁটেছিলাম, সে পথও হারিয়েছে তার ঠিকানা।

বুকের ভেতর জমে থাকা ঝরঝরে একলা শহর,

যেখানে নীরবতা ছাড়া আর কোনো গান বাজে না।

​হৃদয়ের কোণে আজ আর জেগে ওঠে না কোনো বাসনা,

মরীচিকার মতো মিছে কোনো স্বপ্ন আর বুনি না।

ভাঙা কাচের টুকরোয় যেমন প্রতিবিম্ব দেখা যায় না,

তেমনি শূন্য এই বুকে আজ আর কোনো স্পর্শ জাগে না।

​আশা বলে কিছু নেই, ভালোবাসাও আজ আর নেই,

শুধু রয়ে গেছে এক নিঃসঙ্গ, নিস্তব্ধ বর্তমান।

স্মৃতির পাতাগুলোও ধুলোয় ঢেকে গেছে একসময়,

যেখানে লেখা ছিল একদিন অবুঝ কোনো উপাখ্যান।

[10/12, 12:50 PM] Ibrahim khalil: গোলাপের মতো সুন্দর তুমি

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​গোলাপের মতো সুন্দর তুমি,

রূপের মেলায় একা,

চোখের কোণে মিষ্টি হাসি,

হৃদয় যায় যে দেখা।

​রাঙা পাপড়ির কোমল পরশ,

তোমার চাউনিতে,

মন যেন মোর হারিয়ে যায়

তোমার ভাবনায় রাতে।

​ভোরের আলোয় সুরভি ছড়াও,

স্নৃগ্ধ তোমার রূপ,

তোমার প্রেমে পড়ে হৃদয়

রয় যে নীরব-চুপ।

​তুমি যেন এক ফুটন্ত ফুল,

মনের বাগানের রানী,

তোমায় দেখেই জুড়ায় যে প্রাণ,

প্রেমের সুরটি জানি।

[10/12, 12:52 PM] Ibrahim khalil: গোলাপের হাসি

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​তুমি যেন এক রক্তগোলাপ,

ভোরের আলোয় ফোটা,

তোমার মিষ্টি রূপের ছোঁয়ায়

মনটা হলো লাজুক মিঠে,

সুরের মায়ায় আঁকা।

​পাপড়িতে তার শিশিরকণা,

চোখে মেখেছ আলো,

তোমার ওই হাসির মায়ায়

সবটুকু দুঃখ ভুলে বাসতে পারি ভালো।

​কাঁটার মাঝেও ফুটে থাকো

অনন্য এক সুবাস নিয়ে,

আমার হৃদয়ের এই ব্যাকুল কাব্যে

তোমাকেই রেখেছি গোপনে জড়িয়ে।

[10/12, 12:54 PM] Ibrahim khalil: মায়াবী মায়াবী চোখ

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

চোখের গভীরে মায়ালতা দোলে,

কাজল কালোয় আঁধার ছড়ায়,

এক পলকের পলকহীন চাওয়া—

বুকের ভেতরে ঝড় ডেকে নেয়।

​সে চোখে রয়েছে মেঘের দীঘি,

যেখানে ডুবলে ফেরা যায় না,

নিঝুম রাতের তারা ঝরে পড়ে,

লুকানো কোনো গোপন বায়নায়।

​না বলা কথার মৃদু গুঞ্জন,

চোখের কোণেতে হাসে অবিরত,

মায়াবী মায়াবী চোখের চাহনি

হৃদয়ে লিখে যায় রঙিন কত শ্লোক।

​তুমি কি বোঝো না, ওই দুই চোখে

কত যে নীরব ভালোবাসা থাকে?

স্বপ্নের দেশে ভাসিয়ে নিতে

সেই চোখ আমায় রোজ ডেকে নেয়।

[10/12, 12:56 PM] Ibrahim khalil: ভালোবাসা

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

আকাশের রঙে আঁকা ভালোবাসার ছবি,

তুমিই আমার ছন্দ, তুমিই আমার কবি।

তোমাকে পাওয়ার ব্যাকুলতা মনে জাগে রোজ,

হৃদয় আমার ব্যাকুল হয়ে নেয় যে তোমার খোঁজ।

​একান্ত করে চাই যে তোমায় আমার এ জীবনের মাঝে,

তোমার কথা ভেসে আসে মিষ্টি কোনো সাঁঝে।

বুকের গহীনে সুপ্ত যত সোহাগ, আদর, প্রীতি,

সব উজাড় করে তোমায় দেব— এটাই ভালোবাসা ও নীতি।

​প্রেমের ছোঁয়ায় ভরিয়ে দেব তোমার নরম মন,

আমার বাহুডোরে তোমায় আগলে রাখব সারাজীবন।

হাতটি ধরে চলব পাশে, আর তো কিছু চাই না,

তুমি ছাড়া এই হৃদয়ে অন্য কারও স্থান নাই না।

[10/14, 12:18 AM] Ibrahim khalil: কথা রাখে না মানুষ

— মুঃ ইব্রাহীম খলিল জসিম

​কথা দিয়ে কথা ভেঙে ফেলা খুব সহজ,

মিথ্যা আশার আলো জ্বেলে বাড়ায় ব্যাকুলতা।

মুখে তো কতই ভালোবাসার গল্প শোনায়,

বাস্তবে থাকে শুধু মিথ্যের রূপকথা!

​হাতে হাত রেখে যারা দেয় প্রতিশ্রুতি,

সময়ের টানে তারা হঠাৎ যায় বদলে।

স্মৃতির পাতায় জমা হয় শুধু দীর্ঘশ্বাস,

বিশ্বাসের মূল্য যে কত সহজে দেয় হাতঘুরে!

​অভিযোগ করে আর কি হবে বলো?

মানুষ তো এমনই, পথ চিনে সরে যায়।

কথা ভাঙার এই ব্যস্ত দুনিয়ায় কেবল—

নিজের বিশ্বাসের কাছে মন হেরে যায়।

​বুকের গহীনে জমা ক্ষোভ আর অভিমান,

নীরবে সয়ে নিতে হয় নীরব যন্ত্রণা।

মানুষ আসে, মানুষ যায়, স্বপ্ন ভেঙে দিয়ে—

কথা রাখে না কেউ, থাকে শুধু ছলনা।

[10/14, 12:20 AM] Ibrahim khalil: তবুও মনটা বড় বেহায়া

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​ভুলে যাওয়ার অজুহাতে আঁকি হাজার ছক,

হিসেবগুলো মিলিয়ে নিতেই বাধে ভারী খট।

অভিমানের পাহাড় জমায় কঠিন কোনো দেয়াল,

তবুও হঠাৎ থমকে দাঁড়ায় একই পুরনো খেয়াল।

​না বলার পথ বাড়িয়ে দিয়ে কঠিন করি মুখ,

ভাবি এবার সত্যি বুঝি ভাঙবে মিছে সুখ।

যে পথ ধরে একলা চলা, সে পথেই আবার,

খুঁজতে গিয়ে হারায় ঠিকানা স্মৃতির সীমানার।

​বুকে জমা নোনা হাওয়ায় হাজার একটা বারণ,

তবুও বেহায়া মনটা খুঁজে ফিরে যাওয়ারই কারণ।

এক ফোঁটা সেই স্পর্শ পাওয়ার আকুল ব্যাকুল আশায়,

সব ভুলে আবার ডানা মেলে একই ভালোবাসায়

​কতবার ভেবেছি আর ভাবব না তোকে,

স্মৃতির দরজায় শক্ত করে দেব খিল,

পথের মোড়ে জমে থাকা পুরনো ধুলোয়

মুছে ফেলব তোর দেওয়া ভালোবাসার নীল।

​অভিমানের শক্ত প্রাচীর তুলি বুকের ভেতর,

নিজেকে বলি—"এবার তবে সব শেষ!"

সব বাঁধন কেটে একলা হাঁটার খেলায়

খুঁজে নেব নিজের নতুন এক দেশ।

​কিন্তু অবেলার একচিলতে আবছায়া রোদে,

বা চেনা কোনো সুর ভেসে এলে বাতাসে,

সব শাসন, সব বারন এক মুহূর্তে ভেঙে

মনটা আবার তোরই আঙিনায় ফিরে আসে।

​কতটা অপমান, কতটা অবহেলা পেলেও

শিখল না সে নিজেকে সামলে রাখা,

হাজারবার ক্ষতবিক্ষত হয়েও সেই

তোর নামটাই ভালোবাসায় মোড়ানো লেখা।

​অহংকার আর শক্ত খোলসের আড়ালে

লুকিয়ে রাখতে চাই সব চাওয়া-পাওয়া,

সব বুঝে, সব হেরেও বারে বারে যে ভোলে—

আমার সেই মনটা সতাই বড় বেহায়া!

[10/14, 12:21 AM] Ibrahim khalil: প্রিয়তমা

— মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​তুমি আমার ভোরের আলো, সন্ধ্যাকাশের তারা,

তোমায় ছাড়া হৃদয় আমার দিশেহারা।

চোখের কোণে স্বপ্ন আঁকো, মুখে মিষ্টি হাসি,

পরাণ দিয়ে তোমায় আমি কত ভালোবাসি!

​গোপন নদীর মতো তুমি বয়ো হিয়ার মাঝে,

তোমার কথা সুর হয়ে যে মনের তারে বাজে।

দুঃখ যত মেঘ হয়ে যাক, তুমি হলে পাশে,

শ্রাবণ হয়ে ভালোবাসা হৃদয়মাঝে ভাসে।

​তুমি আমার আঁধার রাতের জ্যোৎস্না মাখা চাঁদ,

একটুখানি দেখবো তোমায়, ব্যাকুল চোখে সাধ।

অনন্তকাল রইবো বেঁচে তোমার অনুরাগে,

প্রিয়তমা, তোমায় পেয়ে এ জীবন ধন্য লাগে।

[10/14, 12:22 AM] Ibrahim khalil: গোপন প্রেম

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​একলা রাতের নীরব ক্ষণে,

তোমাকে ভেবে মন যে ছোঁয়,

হৃদয়মাঝে লুকিয়ে থাকা

এক অচেনা সুরের ছোঁয়ায়।

​তুমি তো নও দূরের কোনো

মেঘের ওপার স্বপ্ন-ছবি,

আমার বুকের জলছবিতে

একটুখানি গোপন রবি।

​কাছে এলে থমকে দাঁড়ায়

দিনের আলো, রাতের হাওয়া,

একটিবার চোখ মেললেই

অশ্রু দিয়ে তোমায় চাওয়া।

​কাউকে কখনো বলা হয় না

আমার মনের গোপন কথা,

তোমার প্রেমে লুকিয়ে রাখি

সুখমিশ্রিত একটু ব্যথা।

​হয়তো তুমি জানবে না আর,

হয়তো হবে না কোনো দিন বলা,

এই নির্জন ভালোবাসাই

আমার নিরব নিঃসঙ্গ চলা।

[10/14, 12:24 AM] Ibrahim khalil: এ জীবন তোমাকে দিলাম

— মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​এ জীবন তোমাকে দিলাম, ওগো প্রানের চেয়ে প্রিয়,

তোমার মাঝেই ঠাঁই দিয়ে মোর ভালোবাসা নিও।

তুমি ছাড়া এই মনে যে নেই কো কোনো চাওয়া,

তোমায় পাওয়ার মাঝেই আমার সবটুকু সুখ পাওয়া।

​আমার সকল সুর-রাগিনী তোমার নামেই বাজে,

রুমা, তুমি জড়িয়ে আছো আমার হিয়ার মাঝে।

একটুখানি মিষ্টি হাস্যে ভরিয়ে দাও এ মন,

তোমার হাসির আলোর মাঝে ধন্য এমন ক্ষণ।

​সুখে-দুখে অনুক্ষণ রবো তোমার সাথে,

হাতটি চেপে চলবো একসাথে আলোয় কিংবা রাতে।

সবটুকু প্রেম সঁপে দিলাম তোমার রাত ও দিনে,

এ জীবন তো বাঁধা রইলো তোমার প্রেমের ঋণে।

[10/14, 12:25 AM] Ibrahim khalil: এসো হে প্রিয়জন

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​খোলা দুয়ার, সাজানো থালা,

স্নেহ-প্রীতির প্রদীপ জ্বেলে,

পথটি চেয়ে বসে আছি

তোমাদেরই সাড়া পেলে।

​আড্ডা জমুক হাসি-গানে,

খুশির আবহে ভরুক ঘর,

পরের মত থেকো না আর,

তুমি তো নও আপন পর।

​একটি দিনে সব ভুলে আজ

এসো আমার নিভৃত কোণে,

মোর নিমন্ত্রণ রইল লেখা

আন্তরিক এই নিমন্ত্রণে।

[10/15, 1:22 PM] Ibrahim khalil: প্রাণের নিমন্ত্রণ

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​একটি প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখে

আছি তোমার পথটি চেয়ে,

হৃদয়মাঝে মিষ্টি সুরের

আকুল করা গানটি গেয়ে।

​একটু সময় বের করে আজ

আসবে তুমি আমার ঘরে,

গল্প-হাসির বাঁধন দিয়ে

রাখব ঘিরে যত্ন করে।

​তোমার পদচিহ্নে আমার

উঠোন হবে আলোয় ভরা,

আমার গৃহ পূর্ণ হবে,

জুড়িয়ে যাবে হৃদয়-ধরা।

​আন্তরিক এই মিষ্টি সুরে

রইল আমার নিমন্ত্রণ,

সাদর আমন্ত্রণে তোমায়

অপেক্ষা করে প্রতিটি ক্ষণ।

[10/15, 1:24 PM] Ibrahim khalil: গ্রামের মেঠো পথ

— মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​সবুজ ঘাসে শিশির হাসে

ভোরের মিষ্টি রোদে,

মন ভেসে যায় গাঁয়ের বাঁকে

হাওয়ার আঁকেবাঁকে।

​আঁকাবাঁকা মেঠো পথটি

চলছে দূর থেকে দূরে,

রাখাল ছেলে বাঁশি বাজায়

সুর তোলে কোন নদে!

​ধানের খেতে বাতাস নাচে,

সবুজ পাতার মেলা,

নদীর তীরে পাখির কলতান

সারাটা দিনবেলা।

​হিজল গাছ আর বটগাছটার

শীতল ছায়ার তলে,

গাঁয়ের মানুষ একটু জিরোয়

ক্লান্তি মুছে ফেলে।

​মেঠো পথের ধুলোমাখা

স্মৃতিগুলো মনে জাগে,

মাটির গন্ধে মন হারিয়ে

আজকে বড়ই ভালো লাগে।

[10/15, 1:26 PM] Ibrahim khalil: আমার সবুজ চরকাঁকড়া

— মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​মেঘনা নদীর শীতল হাওয়ায়

নোয়াখালীর কোল,

সবুজ চরে দোলে রে ভাই

রোদের মিঠে দোল।

​চরকাঁকড়ার মেঠো পথে

পাখির কলতান,

ধানের ক্ষেতে বাতাস এসে

গাইছে খুশির গান।

​নদীর তীরে রূপালী ঢেউ

সূর্য ডোবার ক্ষণে,

এক অপূর্ব রূপের ছোঁয়া

জাগায় আমার মনে।

​কোম্পানীগঞ্জের এই বুকেতে

প্রকৃতির মেলবন্ধন,

চরকাঁকড়ার সবুজ ছায়া

হৃদয়ের বাঁধন।

​হিজল-বট আর ছায়ায় ঘেরা

শান্ত গাঁয়ের রূপ,

মাটির গন্ধে মুগ্ধ হয়ে

মনটা থাকে চুপ।

​জন্মদিনের এমন মায়ায়

আছি জড়িয়ে ভাই,

সোনার প্রিয় নোয়াখালীর

তুলনা যে নাই!

[10/15, 1:27 PM] Ibrahim khalil: মোহনার টানে

— মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​মুছাপুরের ওই রিভার ড্রাইভে

সাঁঝের বাতাস দোলে,

নদী আর সাগরের জল যেখানে

মিশেছে এক কোলে।

​ক্লোজারের ঘাটে ঢেউয়ের নাচন,

পাথরের বুকে জল,

আকাশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে

রক্তিম কোলাহল।

​একটু দূরেই বাংলাবাজার

ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে,

ছোট ফেনীর শান্ত রূপটা

যায় যে মন হারিয়ে।

​ব্রিজ ছুঁয়ে যায় দখিন হাওয়া,

পাখির ডানার মায়ায়,

সোনাগাজীর মেঠো প্রান্তর

অপূর্ব এক ছায়ায়।

​নদীর মোহনা, বাঁধের সীমানা,

প্রকৃতির এক সৃষ্টি,

মুছাপুর আর বাংলাবাজারে

জুড়িয়ে যায় দৃষ্টি।

[10/15, 1:29 PM] Ibrahim khalil: মনুষ্যত্ব

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​মানুষের মাঝে মানুষ থাকে,

পার্থক্য শুধু নামে,

বিবেক-বোধের রূপান্তরে

মানুষের আলো জমে।

​রক্ত-মাংসের শরীরটা তো

সব মানুষেরই এক,

পরের প্রেমে যে বিলিয়ে দেয়,

সেই তো খাঁটি বিবেক।

​অসহায়ের পাশে দাঁড়িয়ে

হাতটা যে বাড়ায়,

কারো চোখের জল মুছে দিলে

মনুষ্যত্ব জাগায়।

​অহংকার আর স্বার্থ ভুলে

যে রচে প্রেমের ঘর,

ভালোবাসার পরশ দিয়ে

কাউকে ভাবে না পর।

​পশুর মতন বেঁচে থাকা নয়,

নয় কোনো রূপের ছল,

মনুষ্যত্বের দীপ্তিতেই

মানুষের রূপ উজ্জ্বল।

[10/15, 1:31 PM] Ibrahim khalil: শূন্য মানিব্যাগ, শূন্য হৃদয়

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​টাকা দিয়ে হয়তো কেনা যায় শহরের জাঁকজমক,

কিন্তু বিকেলের ক্লান্তিতে মিলবে না শান্তির চমক।

সোনার চাবি দিয়ে খোলা যায় বিশাল প্রাসাদের দ্বার,

নারী ছাড়া সেই রাজপ্রাসাদ বিষণ্ণ কারাগার।

​অর্থ দিয়ে ঘড়ি কেনা যায়, কেনা যায় না সমাদর,

ভালোবাসার নরম স্পর্শেই সাজে আপন ঘর।

পুরুষের যত অর্জন, যত সাফল্য আর মান,

নারীর মমতা না থাকলে তা যে মূল্যহীন পাষাণ।

​একলা ঘরে ব্যাংক ব্যালেন্সের শীতল হিসাব শুধু,

নারী ছাড়া পুরুষের জীবন এক তপ্ত মরু ধূ-ধূ।

অর্থে মেশে শুধুই অহংকার, হৃদয়ে ফোটে না ফুল,

নারীকে ছাড়া অর্থ উপার্জন এক মস্ত বড় ভুল।

​অঢেল আলোয় ঝলমলিয়েও ঘর থেকে যায় আঁধার,

নারীর একটু হাসিতেই মেটে জীবনের সব ধার।

পুরুষের যত ধনের প্রাচুর্য, যত অলংকার—

নারীর ছোঁয়া না পেলে সে অর্থ শুধুই ছারখার!

[10/15, 1:33 PM] Ibrahim khalil: অপেক্ষা

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

সন্ধ্যা নামার মুখে যখন দখিন হাওয়া বয়,

তোমার নামেই মন-পাহাড়ের বরফ গলে যায়।

ঘড়ির কাঁটা থমকে দাঁড়ায়, সময় থেমে থাকে,

একলা চোখে স্বপ্নগুলো তোমার ছবি আঁকে।

​বারান্দাতে দাঁড়িয়ে থাকা, এক কাপ চা হাতে,

তোমার আসার বার্তা খোঁজা ঝিঁঝিঁ পোকার রাতে।

অপেক্ষা তো কষ্ট নয় আর, যদি জানি তুমি আসবে,

আকাশপ্রদীপ হয়ে আমায় ভালোবাসায় ভাসাবে।

​একটি চিঠির প্রথম লাইন, কিংবা মোবাইল স্ক্রিন,

তোমার একটা মিষ্টি আলোয় উজ্জ্বল হবে দিন।

একটু দেখা, একটু ছোঁয়া—তারই আকুল টানে,

সবটুকু গান বাজছে আজ তোমার আসার গানে।

​দূরত্ব আর কতই বা হোক, হৃদয়ে আছ ধরে,

আমার সব অপেক্ষা যে তোমার প্রেমে পড়ে।

[10/17, 6:41 PM] Ibrahim khalil: বর্ষার রুপ

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

আকাশজুড়ে কালচে মেঘের অপরূপ সমারোহ,

ভিজে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে স্নিগ্ধ রূপের মোহা।

বুক চিরে তার ঝরে পড়ে শুভ্র জলের ধারা,

বর্ষার এই রূপ দেখে আজ মনটা দিশাহারা।

​নদীর বুকে রূপালী ঢেউ, কদম ফুলের হাসি,

বৃষ্টির প্রতিটি ফোঁটায় বাজে প্রেমের মিষ্টি বাঁশি।

সবুজ পাতা সতেজ হয়ে ডালপালা সব নাড়ে,

বর্ষার এই সুরের মায়ায় ভালোবাসাও বাড়ে।

​ভেজা মাটির সঁধা সুবাস আঁকড়ে ধরে হিয়া,

তোমার কথা মনে পড়ে বর্ষা যখন গিয়া

মেঘের গায়ে লিখে রাখি নামটা শুধু তোর,

একসাথে এই বৃষ্টিতে কাটুক ভালোবাসার ভোর।

​এক ছাতার নিচে হেঁটে যাওয়া স্বপ্নের সেই পথ,

বর্ষার এই বাদল দিনে চড়ে ভালোবাসার রথ।

[10/17, 6:42 PM] Ibrahim khalil: হৃদয়ের ক্যানভাস

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​নিঝুম রাতের একাকী প্রহরে যখন নীরবতা কথা কয়,

স্মৃতির পাতায় জমে থাকা জল কুয়াশা হয়ে রয়।

বাতাসের চুলে মেখে নেওয়া নাম, অচেনা কোনো সুর,

ভাবনার দূর সীমানায় আজ মন হারিয়ে যায় বহুদূর।

​জীবনের এই দীর্ঘ পথে কত যে আলো-ছায়া,

মায়ার বাঁধনে বাঁধা পড়ে থাকে অচিন দেশের মায়া।

বুকের গভীরে লুকিয়ে থাকা নীরব যত গান,

শব্দের মেলায় খুঁজে পেতে চায় নতুন কোনো প্রাণ।

​যে কথা বলা হয়নি কখনো, রয়ে গেছে আড়ালে,

তা-ই ফুটে ওঠে অনুভূতির এই হাত দুটো বাড়ালে।

পাহাড়ের মতো জমে থাকা কষ্ট, যদি সে ছাই হয়,

বিশ্বাসের এক চিলতে আলোয় কাটবে আঁধার ভয়।

​আমি সেই আলোকের পিয়াসী হয়ে চেয়ে আছি বহুদূর,

আমার নীরব অপেক্ষায় মিশে আছে আশারই এক সুর।

[10/17, 6:44 PM] Ibrahim khalil: আমার শুধু তোমাকে চাই

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​ঝড়-ঝাপটার এই পৃথিবীতে

আর কিছু তো চাই না আমি,

হাজার ভীড়ের রঙিন খেলায়

একলা তুমিই সবচেয়ে দামী।

​চাই না কোনো রাজপ্রাসাদ,

চাই না সোনার মুকুট মাথায়,

তোমার একটু ছায়ায় কাটাই—

আমার জীবন এমন চাওয়ায়।

​সুখ-দুঃখের অলিগলিতে

যদি চলি হাতটি ধরে,

তবেই আমার জগৎ পূর্ণ,

হাসুক জীবন আলো করে।

​পৃথিবী তার চলুক নদী,

আকাশ কাঁদুক মেঘের সাজে,

আমার শুধু তোমাকেই চাই

সন্ধ্যা-সকাল, সকল কাজে।

হাজার রঙের এই জগতে

আর কিছু তো চাই না আমি,

শত মানুষের রঙিন মিছিলে

তুমি আমার সবচেয়ে দামী।

​চাই না কোনো রাজপ্রাসাদ,

চাই না সোনার মুকুট মাথায়,

তোমার একটু ছায়ায় বাঁচি—

আমার জীবন এমন চাওয়ায়।

​সুখ-দুঃখের অলিগলিতে

চলতে চাই হাতটি ধরে,

তোমার হাসির এক ঝলকে

আমার পুরো জগৎ ভরে।

​আকাশ জুড়ে মেঘ জমুক,

কিংবা ঝরুক শ্রাবণ-ধারা,

তোমার মাঝে হারিয়ে থাকি—

তুমি ছাড়া সব দিশাহারা।

​দিন শেষে তাই একটাই সুর,

একটাই কথা মন বলে যায়,

এই জীবনে শেষ বিকেলেও—

আমার শুধু তোমাকেই চাই।

[10/17, 6:46 PM] Ibrahim khalil: প্রত্যাশার নাম ভালোবাসা

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​যেখানে বুক ভরা ভালোবাসা থাকে,

সেখানে প্রত্যাশা নামবে সহসাই—

কখনো তা মৃদু অভিমানের ডাকে,

কখনো গভীর আস্থার ভরসায়।

​তুমি ভেবেছ কি প্রেম মানে শুধুই দেওয়া?

একতরফা কোনো নিঃশব্দ দান?

না গো, প্রেমের অন্য নাম তো নেওয়া,

একটু পরশ, একটুখানি প্রতিদান।

​তুমি হাত বাড়ালে আমিও হাত চাইব,

দুপুরবেলার ব্যস্ততায় পাবো একটু ফোন,

আমার কষ্টে তোমার চোখে জল দেখব,

এমনটাই তো চায় ব্যাকুল এই মন।

​প্রত্যাশা মানে শৃঙ্খল বাঁধা নয়,

নয় কোনো দাবি কিংবা অধিকারের ভার—

কাছের মানুষ বলেই তো মনে হয়,

তোমার বুকেই জমা আছে আমার আবদার।

​যেখানে গভীর টান, সেখানেই তো চাওয়া,

যেখানে পাওয়ার আশা, সেখানেই তো সুর;

প্রত্যাশাহীন প্রেম হয়তো রূপকথা,

বাস্তবে অভিমানই ভালোবাসার মূলপুর।

[10/17, 6:49 PM] Ibrahim khalil: ছোট্ট পাখি খুকুমণি

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​ছোট্ট পাখি ডানা মেলে,

উড়ছে দেখো ডালপালায়।

মিষ্টি সুরে গান শোনায় সে,

ভোরের মিষ্টি আলোয়।

​হাতে নিয়ে নতুন বই,

স্কুলে চল যাইরে সব।

বইয়ের মাঝে লুকিয়ে আছে,

মজার মজার সব অনুভব।

​সত্যি কথা বলব আমরা,

চলব সোজা সঠিক পথে।

গুরুজনকে সম্মান করে,

থাকব সবাই ভালোবাসাতে।

[10/17, 6:51 PM] Ibrahim khalil: ভুলতে চেয়েই মনে পড়ে

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​ভুলতে চেয়ে যার নামটি আমি

আড়াল করি মেঘের ভাঁজে,

সেই তো হঠাৎ নেমে আসে

আমার একলা সন্ধ্যার মাঝে।

​যাকে আমি মুছে ফেলার

কঠিন পণ করি মনে,

তারই প্রতিচ্ছবি ভাসে

চোখের কোণে, সংগোপনে।

​যে পথ ধরে হেঁটে গিয়েছিলাম

ফিরব না আর কোনোদিন,

সেই পথটাই বুকের ভেতর

হয়ে থাকে আরও রঙীন।

​ভুলতে চাওয়া তো সহজ নয়,

ও যে এক অদ্ভুত ছায়া—

যে যত দূরে যেতে চায়,

তত গাঢ় হয় মায়ার কায়া।

​তাই ভুলে থাকার চেষ্টাতেই

তোমায় পড়ে বেশি মনে,

তুমি রয়ে যাও হৃদয়েরই

একেবারে নির্জনে।

[10/17, 6:53 PM] Ibrahim khalil: বদ নজর

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​চোখের কোণে হিংসার ছায়া বুকে জমা বিষ,

সুখের ঘরে হঠাৎ করে হানা দেয় কু দিস।

হাসিমুখের আনন্দটা থমকে দাঁড়ায় ভোরে,

কাহারো এক বিষাক্ত চোখ তাকায় এমন করে।

​মিষ্টি হাসির শিশুটি আজ কেন কাঁদে একা?

সবুজে ভরা বাগানে কেন সুখানন্দ ঢাকা?

সব কিছু তো ঠিকই ছিল হঠাৎ কিসের ঝড়?

বদ নজরের ছোবলে আজ আঁধার আপন ঘর।

​প্রভুর নামে জপলে জিকির পড়লে কালাম দীন,

দূর হয়ে যায় সকল নজর কেটে যায় ওই অশুভ দিন।

হে দয়াময় রাখো ধরে তোমার রহম-ছায়,

বদ নজরের বিষাক্ত তীর যেন ব্যর্থ হয়ে যায়।

[10/19, 12:31 PM] Ibrahim khalil: ইসলামে পরিপূরক

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​একই সাথে সৃষ্টি দু’জন, একই প্রাণের ধারা,

আল্লাহ তাআলার অসীম দয়ায় জগত আলো করা।

নয় তো কেউ কারোর চেয়ে উচ্চ কিংবা নিচু,

দ্বীনের পথে দু’জনে ধায় সত্যের পিছু পিছু।

​কোরআন মাঝে বার্তা এলো— স্নিগ্ধ সুরের বাণী,

একে অপরের পোশাক তারা, শ্রেষ্ঠ সত্য জানি।

পুরুষ হলো ঘরের ঢাল ও দায়িত্বের কান্ডারি,

নারী হলো মায়ার নীড়, যোগ্য অংশীদারি।

​রসূল শেখান নারীর সম্মান, মায়ের পায়ের নিচে জান্নাত,

স্ত্রীর প্রতি উত্তম যে জন, সেই তো শ্রেষ্ঠ উম্মত।

নবীজি আর খাদিজা মা-র ভালোবাসার স্মৃতি,

শেখার মাঝে রইল জমে ত্যাগের মহান রীতি।

​ঈমানি এই পথচলাতে দু’জনে সহচর,

একসূত্রে বাঁধা তাদের ইহ-পরকাল ঘর।

মমতা আর তাকওয়া দিয়ে জীবন সাজায় যারা,

রবের দয়ায় জান্নাতমাঝে সফল হবে তারা।

[10/19, 12:33 PM] Ibrahim khalil: কাশফুলের হাসি

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​শরতের মেঘ ভেসে যায় দূরে,

আকাশের নীল ছোঁয়া আঙিনায়,

বাতাসের টানে মেতে ওঠে দোলে

কাশফুল নদীরই মোহনায়।

​তুলোর মতো ধবধবে শ্বেত রূপ,

নরম ছোঁয়ায় ঝরে পড়ে আলো,

শরৎ এসে ফিসফিস করে বলে—

"পৃথিবী, তোমায় লেগেছে খুব ভালো।"

​নদীর ধারে রূপালী এক মেলা,

হাওয়া এলে মেতে ওঠে নাচে,

মন যেন এক নিমিষেই হারিয়ে যায়

ওই কাশবনের মিষ্টি ছায়ার কাছে।

​মেঘের সাথে লুকোচুরি খেলে রোদ,

কাশের চুলে শিশির ছড়ায় হাসি,

শরতের এই স্নিগ্ধ রূপ দেখে

তোমায় আমি বড্ড ভালোবাসি।

[10/19, 12:34 PM] Ibrahim khalil: তোমার হাতের ছোঁয়ায়

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​একটু ভালো লাগা থেকে শুরু,

তারপরেই তো মেঘের খেলা,

মনখারাপের বিকেলে আজ

তোমার নামেই ভাসাই ভেলা।

​হঠাৎ করে চোখের কোণে

মিষ্টি আলোর রোদ্দুর,

তুমি আছো তাই তো হাঁটি

অচিন দেশে বহুদূর।

​ভালোবাসা মানে জটিল কিছু নয়,

নয়তো রঙিন রূপকথা,

নিঝুম রাতে একলা জেগে

তোমার কথা ভাবাই তো সত্যতা।

​হাতের মুঠোয় হাতটি রেখে

আজীবন পথ চলা,

শব্দ জুড়ে হাজার লাইনে

বিনা বাক্যে অনেক কিছু বলা।

​তোমায় ভালো লাগে প্রতিদিনই,

ভালোবাসি প্রতিটা ক্ষণে,

তুমি আমার নীরব সুর

আজন্ম এই আকুল মনে।

[10/19, 12:36 PM] Ibrahim khalil: মেঘনার গর্জন

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

মেঘনার গর্জন আর ছোট ফেনীর ঢল,

ক্লোজার রেগুলেটরে আছড়ে পড়ে জল।

বাঁধের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা পলিমাটির ঘর,

ঝড়-তুফানের সাথে যাদের লড়াই জলধর।

​নদী বন্দরের ঘাটে ঘাটে ট্রলার ভিড়ে ভোরে,

মাছের খাঁচা, বরফ-জালে জীবন বাজি ধরে।

নোনা জলে হাত ছিলে যায়, রোদে পোড়ে পিঠ,

ভাঙা বাঁধের কুল ঘেঁষে বাঁধে সুখের ভিট।

​একূল ভাঙে, ওকূল গড়ে, এক নিমেষেই শেষ,

ভিটেমাটি হারিয়ে খোঁজে নতুন কোনো দেশ।

তবুও তো হাসে মুখ, জাল ছড়ায় গাঙে,

ভোর না হতে নতুন আশায় বাঁধের পাড়ে ভাগে।

​রেগুলেটরের কপাটে যখন জোয়ার এসে লাগে,

উপকূলের লড়াকু প্রাণ সব বাধা পেরিয়ে জাগে।

নদীর সাঙ্গে রক্তে লেখা বাঁচবার চুক্তি,

হিমেল হাওয়ায় ভেসে আসে লড়াকু মানুষের শক্তি!

[10/19, 12:37 PM] Ibrahim khalil: তুমি আমার লক্ষ্মী সোনা

— মুঃ ইব্রাহীম খলিল জসিম

​তুমি আমার রূপসী রাত, তুমিই ভোরের আলো,

তুমি ছাড়া এই জীবনে হয় না কিছুই ভালো।

চোখের তারায় স্বপ্ন আঁকো, মুখে মিষ্টি হাসি,

লক্ষ্মী সোনা, তোমায় আমি সত্যি ভালোবাসি।

​সুর তোলে মন তোমার প্রেমে, কাটুক হাজার দিন,

তোমার মাঝেই খুঁজে পাই এক মধুর রঙিন ঋণ।

সুখে-দুখে থাকবে পাশে, বাঁধব একটা ঘর,

লক্ষ্মী সোনা আমার তুমি, নও তো কখনো পর।

​তোমার নামের সুবাস ভাসে মিষ্টি হাওয়ার টানে,

তোমার জন্য সুর জেগে উঠে ব্যাকুল মনের গানে।

চোখের কোণে ফুটলে হাসি, মুক্তো যেন ঝরে,

লক্ষ্মী সোনা, তোমায় আমি রাখব হিয়ার তরে।

​তুমি আমার আঁধার রাতের নীল আকাশের তারা,

তোমায় ভেবে অবুঝ এ মন হয় যে দিশেহারা।

একই সাথে হাঁটব আমরা নদীর কিনারা ধরে

[10/19, 12:38 PM] Ibrahim khalil: বইয়ের পাতা

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

বইয়ের পৃষ্ঠা উল্টালে মেলে

নতুন অক্ষরের ঘ্রাণ,

শব্দের ভাঁজে সুর খুঁজে পায়

অধরা কোনো গান।

​জীবনের পাতা উল্টাতে গেলে

একটু কাপে হাত,

পুরনো স্মৃতির মায়া ছেড়ে যায়

ফেলে আসা কালো রাত।

​তবু থমকে দাঁড়ালে পথ মেলে না,

বন্ধ বইয়েতে আলো ঝরে না;

আগের পাতায় আটকে থাকলে

নতুন অধ্যায় দেখা মেলে না।

​অতীতের টানে বন্ধ কোরো না

সামনে চলার দুয়ার,

পাতা ওড়াও—ঝড় আসুক কিংবা

ঝরুক রঙিন উপহার।

​প্রতিটি নতুন পাতার ভাঁজে

নতুন ভোর জেগে থাকে,

একটু সাহসে উল্টে দেখো—

জীবন তোমাকেই ডাকে।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.