ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : ভাঙনের ছোট ফেনী নদী, ভাঙা জীবনের আর্তনাদ, কোম্পানীগঞ্জের দুই ওয়ার্ডের দীর্ঘ বেদনার কাহিনী: তরমুজ ক্ষতি শেষে গরু চুরি-চরপার্বতীতে উদ্যোক্তা বাবুর হতাশা,নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন: বেগমগঞ্জে তিন ইটভাটাকে অর্থদণ্ড: বেগমগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন: কোম্পানীগঞ্জে বৈশাখের বর্ণিল আবাহন ঐতিহ্য, উৎসব আর মানুষের মিলনমেলা শুভ নববর্ষ ।। মোঃ হাসান বিন ইউসুফ ।। আমি বিদ্রোহ! মোঃ হাসান বিন ইউসুফ কোম্পানীগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট মধ্যরাতে রান্না জনজীবন বিপর্যস্ত: ছোট ফেনী নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে চরপার্বতীর ৯ নং ওয়ার্ড,আতঙ্কে নদীতীরের জনগোষ্ঠী: নোয়াখালীর কবিরহাটে নিখোঁজের দুই দিন পর ইটভাটা শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার:

'আলহাজ্ব আব্দুস সাওারের উদ্যোগে বিশাল ইফতার ও মেজবানী আয়োজন'

'আলহাজ্ব আব্দুস সাওারের উদ্যোগে বিশাল ইফতার ও মেজবানী আয়োজন'

'আলহাজ্ব আব্দুস সাওারের উদ্যোগে বিশাল ইফতার ও মেজবানী আয়োজন'

প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষের অংশগ্রহণ:

নব জ্যোতি রিপোর্ট ডেস্ক:

সিরাজপুর এলাকায় আফরোজা ব্রিক অ্যান্ড ফিল্ডের স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব আব্দুস সাওারের উদ্যোগে এক বিশাল ইফতার ও মেজবানখানার আয়োজন করা হয়েছে।

১৫ মার্চ রবিবার তার নিজ বাড়িতে আয়োজিত এই ইফতার মাহফিল ও ভাত খানায় প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইফতার ও মেজবানখানায় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। ধনী-দরিদ্র, যুবক, কিশোরসহ সব বয়সী মানুষ এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজনে আগত অতিথিদের জন্য ইফতারের পাশাপাশি ভাত ও বিভিন্ন ধরনের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। এত বড় আয়োজনকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

আয়োজক আলহাজ্ব আব্দুস সাওার জানান, এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল মহান আল্লাহর কাছে তার পরিবারের জন্য দোয়া কামনা করা এবং এলাকার মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা।

তিনি বলেন,আমি আমার পরিবারের মঙ্গল কামনায় এই মেজবান ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছি। এলাকার মানুষ সব সময় আমার দাওয়াতে সাড়া দিয়ে অংশগ্রহণ করেন। এত মানুষের উপস্থিতি আমাকে সত্যিই আনন্দিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্যবসার পাশাপাশি সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আলহাজ্ব আব্দুস সাওার বলেন,আমি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জনহিতকর ও সমাজসেবামূলক কাজ করে আসছি। মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারলেই আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত রাখতে চাই।

এলাকার সাধারণ মানুষও এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। তারা বলেন, রমজান মাসে এত বড় আয়োজন করে সবাইকে একত্রিত করা নিঃসন্দেহে একটি মহৎ উদ্যোগ। এতে সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় হয় এবং এলাকার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি পায়।

সব মিলিয়ে আলহাজ্ব আব্দুস সাওারের এই ইফতার ও মেজবানখানা শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজনই নয়, বরং সামাজিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করার একটি অনন্য উদ্যোগ হিসেবে এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.