ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : জনসেবার সুবাতাস ও আগামীর স্বপ্ন চরপার্বতীর ভবিষ্যৎ রূপকল্পে 'মোহাম্মদ জামাল বাহার' কোম্পানীগঞ্জে মাদক, কিশোর গ্যাং ও বাল্যবিবাহবিরোধী ছাত্রদলের বিক্ষোভ বায়তুল মোকাররম ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ: জামায়াতবিরোধী কর্মসূচি নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ সিরাতাল মুস্তাকিম-'সরল পথের দিশা ও সুফি সাধকদের শিক্ষা ' কোম্পানীগঞ্জে রংমালা এক্স-স্টুডেন্ট ফোরামের বৃত্তি পরীক্ষা, অংশ নিল ৫৫০ শিক্ষার্থী নোয়াখালীর সুধারামে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার, আদালতে ৬ মাসের কারাদণ্ড বসুরহাট বাজারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জামায়াতের সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কবি মুঃ ইব্রাহিম খলিল জসিম এর কাব্য। হাজারীহাট হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে মেধাবীদের বৃত্তি ও সাবেক শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় সহায়তা জুলাই আন্দোলনে আমার স্মৃতিময় একদিন

জনসেবার সুবাতাস ও আগামীর স্বপ্ন চরপার্বতীর ভবিষ্যৎ রূপকল্পে 'মোহাম্মদ জামাল বাহার'

জনসেবার সুবাতাস ও আগামীর স্বপ্ন চরপার্বতীর ভবিষ্যৎ রূপকল্পে 'মোহাম্মদ জামাল বাহার'

জনসেবার সুবাতাস ও আগামীর স্বপ্ন চরপার্বতীর ভবিষ্যৎ রূপকল্পে 'মোহাম্মদ জামাল বাহার'

মাদকমুক্ত সমাজ, মানসম্মত শিক্ষা ও ডিজিটাল সেবার মেলবন্ধনে এক নতুন মডেল ইউনিয়ন গড়ার মহা-অঙ্গীকার

মোঃ আল এমরান:

জনসেবা কেবল কোনো দায়িত্ব বা পদবীর সীমানায় আবদ্ধ নয়,এটি হৃদয়ের গভীর থেকে প্রবাহিত হওয়া ভালোবাসার এক অবিনাশী ধারা। মাটি ও মানুষের টানে যে প্রাণ প্রতিনিয়ত জাগ্রত থাকে, জনকল্যাণের ব্রত নিয়ে যে হাতগুলো বাড়িয়ে দেওয়া হয় অকৃত্রিম মমতায়, সেখানেই রচিত হয় সত্যিকারের পরিবর্তনের ইতিহাস।

নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চরপার্বতী ইউনিয়নের মেঠোপথ, সবুজ প্রান্তর এবং সাধারণ মানুষের মুখের হাসির পেছনে জড়িয়ে আছে তেমনই এক আলোকোজ্জ্বল স্বপ্ন ও জনসেবার সুদীর্ঘ ইতিহাস।আসন্ন চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লোকালয়ে লেগেছে নতুন সম্ভাবনার সুর।

এই সম্ভাবনার আলোকবর্তিকা হাতে মানুষের সুখ-দুঃখের সারথি হতে মেঠোপথে দাঁড়িয়েছেন চরপার্বতীর মাটি ও মানুষের সন্তান,মরহুম আবুল কালাম চেয়ারম্যান সাহেবের মেজো ছেলে আমেরিকান প্রবাসী মোহাম্মদ জামাল বাহার।

পিতার আদর্শের ধ্বজা উড়িয়ে, জনসেবার গৌরবময় ঐতিহ্যকে সাথে নিয়ে তিনি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে হাজির হয়েছেন এক বদলে যাওয়া স্মা‌র্ট ও সমৃদ্ধ চরপার্বতী গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার নিয়ে।

জনসেবা মোহাম্মদ জামাল বাহারের জন্য কোনো নতুন অভিজ্ঞতা নয়,বরং এটি তাঁর রক্তে প্রবহমান এক ঐতিহ্যিক উত্তরাধিকার। তিনি চরপার্বতী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক স্বনামধন্য চেয়ারম্যান মরহুম আবুল কালাম মাসুম (কালাম লাকি)-এর মেজো ছেলে।

পিতার রেখে যাওয়া জনকল্যাণের আদর্শ, নীতি ও ত্যাগই তাঁর জীবনপথের প্রধান দিশারী।দীঘদিন ধরে তাঁদের পরিবার এই এলাকার গণমানুষের পাশে থেকে সামাজিক, মানবিক ও দাতব্য কর্মকাণ্ডে অকাতরে ভূমিকা রেখে আসছে।

পারিবারিক সূত্রে প্রতিষ্ঠিত 'আবুল কালাম ট্রাস্ট'-এর মাধ্যমে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষায় সহায়তা দান এবং সামাজিক কল্যাণমূলক কাজের পরিধিকে তারা বিস্তৃত করেছেন নতুন উচ্চতায়।পিতার অসমাপ্ত জনসেবামূলক স্বপ্নকে পূর্ণতা দিতে এবং চরপার্বতীর সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে তিনি এই সেবার ব্রতকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।

একটি সুস্থ, সুন্দর ও স্বাবলম্বী সমাজ গঠনের প্রধান প্রধান শর্ত হলো যুবসমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে রক্ষা করা। প্রার্থীর চিন্তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তরুণ প্রজন্মকে নিরাপদ রাখা।তাঁর রূপকল্পের অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি হলো মাদকমুক্ত ও ইয়াবামুক্ত চরপার্বতী গড়ে তোলা।

মাদকের ভয়াবহ ধ্বংসলীলা থেকে তরুণদের রক্ষা করে তাদের খেলাধুলা, শিক্ষা ও সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে মনোনিবেশ করানোর একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবেন।কারণ তিনি বিশ্বাস করেন, আজকের সুরক্ষিত তরুণ সমাজই কালকের সমৃদ্ধ চরপার্বতীর কাণ্ডারী।

শিক্ষার আলোয় আলোকিত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন​ একটি আদর্শ সমাজের মূল ভিত্তি হলো মানসম্মত শিক্ষা ও সুশাসন। শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে এবং একটি সুশিক্ষিত প্রজম্ম গড়ে তুলতে তিনি প্রতিশ্রুতবদ্ধ শিক্ষাবান্ধব ইউনিয়ন গঠনে।

বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার পরিবেশ আরও উন্নত করা, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান এবং প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক শিক্ষার প্রসার ঘটানো তাঁর অগ্রাধিকার তালিকার শীর্ষে।

একইসাথে, একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি জনবান্ধব ইউনিয়ন রূপায়ণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যেখানে সাধারণ মানুষ কোনো প্রকার ভোগান্তি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য ছাড়াই তাদের ন্যায্য অধিকার, সামাজিক সুবিধা ও সমস্ত নাগরিক সেবা সহজে ও হাসিমুখে লাভ করবেন।

ডিজিটাল সেবা ও আধুনিক অবকাঠামোর সমন্বয়ে ‘স্মার্ট চরপার্বতী’​সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে গ্রামকে শহরে রূপান্তরের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করেছেন মোহাম্মদ জামাল বাহার।

তাঁর লক্ষ্য একটি আধুনিক ও উন্নত ইউনিয়ন বিনির্মাণ, যেখানে ইনফ্রাস্ট্রাকচার বা অবকাঠামোগত উন্নয়ন পাবে নতুন গতি। টেকসই রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সমন্বয়ে গ্রামগুলোকে সাজানো হবে দৃষ্টিনন্দন করে।

পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ইউনিয়ন পরিষদের সেবাগুলোকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে বাস্তবায়ন করা হবে 'স্মার্ট চরপার্বতী' গড়ার কালজয়ী রূপকল্প।

চরপার্বতীর রূপ-লাবণ্য আর অর্থনীতি মূলত মিশে আছে এর উর্বর কৃষি ও প্রকৃতিতে। কৃষকের ঘামঝরানো পরিশ্রম যেন সঠিক মূল্য পায়, তার জন্য পরিবেশ ও কৃষি উন্নয়ন খাতকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে তিনি বদ্ধপরিকর।কৃষি, মৎস্য চাষ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রসার ঘটিয়ে কৃষকের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটানোই তাঁর অঙ্গীকার।

প্রকৃতির সাথে সমন্বয় রেখে পরিবেশবান্ধব এক সবুজ ইউনিয়ন হিসেবে চরপার্বতীকে তুলে ধরার সুদূরপ্রসারী ভাবনা রয়েছে তাঁর রূপরেখায়।মোহাম্মদ জামাল বাহার অত্যন্ত বিনয়ের সাথে স্বীকার করেন যে, "কোনো একজন ব্যক্তির পক্ষে একটি ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন সকল শ্রেণিপেশার মানুষের ভালোবাসা, সুপরামর্শ, সর্বাত্মক সহযোগিতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ"।

নিজের প্রাপ্তি কিংবা পদের লোভ নয়, বরং মানুষের প্রতি বুকভরা ভালোবাসা ও গণমানুষের দোয়াই তাঁর দীর্ঘ পথচলার আসল প্রেরণা।‘মানুষের পাশে সবসময়’ থাকার চিরন্তন ব্রত নিয়ে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন এক নতুন রূপান্তরের যাত্রায় অংশ নেওয়ার জন্য।

একটি সঠিক নেতৃত্বই পারে একটি জনপদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে। চরপার্বতীর সন্তান হিসেবে জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার এবং তাদের অধিকার রক্ষা করার যে সুদৃঢ় ইচ্ছা মোহাম্মদ জামাল বাহার প্রকাশ করেছেন, তা এলাকার আপামর জনতার মনে জাগিয়েছে নতুন আশার সঞ্চার।

ভালোবাসা, ঐতিহ্য এবং আধুনিকতার মেলবন্ধনে চরপার্বতী ইউনিয়ন হয়ে উঠুক একটি মাদকমুক্ত, শিক্ষাবান্ধব ও স্মার্ট মডেল ইউনিয়ন-আসন্ন নির্বাচনে চরপার্বতীবাসীর সেই কাঙ্খিত প্রত্যাশাই এখন প্রতিধ্বনিত হচ্ছে বাতাসে ও প্রান্তরে।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.