হেরিয়া জনজীবন, ভাবিয়া সময়
না করিয়া কর্ম বিফলে,তব মানবতার আচার ধর্ম।
জন্ম তব নাহি ধরায়,
হলো দ্বিতীয় পাঠ, সময় ক্ষেপন করিয়া
মনমোহ মোহনী বশীকরণের
মায়াজাল তব ধরনী।
শিশু নিঃস্পাপ না মানিয়া ধর্মবচন,
সত্য জেনেও অসত্যের মতবাদে
জীবন করিয়া পার,আপন বলিতে
কেউ নাহি মানব,
বিধাতাই তোমারই সব,মানব হেরিছিনু তনু,
গতর সাজিয়া কেন? করিলা সময় পার।
দেহের বাসনা কি জানিয়াছ?
তুমি প্রতিনিধি, করিয়াছ কি কাজ,
বিধাতার নিকটে হইবা লাজ।
বাঁশি বাজে ঐ সুরের মোর্চনায়,
তাহার আপন জনের বেদনায়,
তুমি বাজাঁইয়া বাঁশি
কার প্রেমিক হওয়ার লাগি।
ফিরিয়া যাবে মানব বিধাতার সনে।
জীবন তোমার বৃথা,নফস আর শয়তান,
বিধাতা তোমার চাওয়া ও পাওয়া।
নফস কে বলো, কলব
হিয়ার মাঝে রেখেছিনু মোর প্রভু,
জীবন তোমার, মরন নেই আমার,
জড় পদার্থ, আসার দেহ, সেটা তখনও ছিল।
আমি আছি তোমার মত করে,
তুমি সৃষ্টি, দেহ দেখো সাজাইয়া আয়নায়,
তোমার স্রষ্টা খুজিঁয়া দেখো কি কভু ?
প্রভু না দেখেছি তোমার রুপ
সৃষ্টি আমি বুজিয়াছি তোমার মাঝে দিয়েছি ডুব।
তুমি ছাড়া কে আছে,
তোমার দর্শন মম চাওয়া।
সংসার করিয়া নিধন,
তবে কি আসল খেলা খেলো প্রভু,
প্রভু হ্রদয়ের যাতনা, নেই আমার
হেরিলে তোমায়। নফস আর শয়তান
করিয়া প্ররোচনা আমায় করিলো আমিত্ব,
না, না বিধাতা, তোমার সুরের
মোহনীর বাঁশি বাজাঁবো সর্বদায় ।
Comments (0)
Be the first to comment on this article.
Leave a comment