ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : বেগমগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন: কোম্পানীগঞ্জে বৈশাখের বর্ণিল আবাহন ঐতিহ্য, উৎসব আর মানুষের মিলনমেলা শুভ নববর্ষ ।। মোঃ হাসান বিন ইউসুফ ।। আমি বিদ্রোহ! মোঃ হাসান বিন ইউসুফ কোম্পানীগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট মধ্যরাতে রান্না জনজীবন বিপর্যস্ত: ছোট ফেনী নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে চরপার্বতীর ৯ নং ওয়ার্ড,আতঙ্কে নদীতীরের জনগোষ্ঠী: নোয়াখালীর কবিরহাটে নিখোঁজের দুই দিন পর ইটভাটা শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার: চরপার্বতীর মৌলভীবাজার জামে মসজিদের স্বঘোষিত কমিটি নিয়ে বিতর্ক, চরমপন্থার প্রচারণার অভিযোগ: মরহুম নুরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবর জিয়ারত করলেন সাংসদ মোঃ ফখরুল ইসলাম: চরপার্বতীর ৯নং ওয়ার্ডে রেকর্ড উন্নয়ন,তবুও অকৃতজ্ঞতার অভিযোগ,চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফের ক্ষোভ:

মানবতার উজ্জ্বল প্রদীপ ডাঃ এ. এন. এম. মনিরুজ্জামান:

মানবতার উজ্জ্বল প্রদীপ ডাঃ এ. এন. এম. মনিরুজ্জামান:

মানবতার উজ্জ্বল প্রদীপ ডাঃ এ. এন. এম. মনিরুজ্জামান:

নব জ্যোতি ফিচার ডেস্ক:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মানুষ যে নামটির ওপর অগাধ বিশ্বাস ও ভালোবাসা রাখে, তিনি ডাক্তার এ. এন. এম. মনিরুজ্জামান।

নীরব স্বভাব, সহজ-সরল চলাফেরা, ভদ্রতা আর মানবতার সেবায় নিবেদিত এই মানুষটি শুধু একজন চিকিৎসক নন,

তিনি মানুষের ভরসার ঠিকানা, সেবার প্রতীক এবং সন্তানের অসুস্থতায় অভিভাবকদের আশার আলো।

ডাঃ মনিরুজ্জামান এম.বি.বি.এস, (বি.সি.এস) ডি.সি.এইচ ও এম.ডি (শিশু স্বাস্থ্য) ডিগ্রিধারী একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

তিনি দীর্ঘদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কোম্পানীগঞ্জে কনসালটেন্ট (শিশু) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

পেশার প্রতি তার নিষ্ঠা, সময়নিষ্ঠা এবং দক্ষতা তাকে চিকিৎসা ক্ষেত্রে বিশেষ পরিচিতি এনে দিয়েছে।

সম্প্রতি তিনি “সহকারী অধ্যাপক (শিশু)”পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। এই উন্নতি কেবল ব্যক্তিগত অর্জন নয়; বরং এটি তার বছরের পর বছর ধরে নিরলস পরিশ্রম, মানবিক দায়িত্ববোধ এবং শিশুস্বাস্থ্য সেবায় অসামান্য অবদানের একটি স্বর্ণাক্ষরে লেখা স্বীকৃতি।

সহকর্মী, রোগীর পরিবার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সবাই এই পদোন্নতিকে আন্তরিক অভিনন্দনে সিক্ত করেছেন।

শিশু রোগের চিকিৎসা শুধু পড়াশোনায় নয় ধৈর্য, মমতা, বোঝাপড়া ও মানবিকতার এক বিশেষ সমন্বয় দাবি করে। ডাঃ মনির সেই সমন্বয়ের এক জীবন্ত উদাহরণ।

তার কাছে আসা প্রতিটি শিশু রোগী পায় স্নেহ, ভরসা ও নিরাপত্তার অনুভূতি। অভিভাবকরা তাকে শুধু চিকিৎসক নয়, বরং সন্তানের স্বাস্থ্যের অভিভাবক হিসেবে মনে করেন।

তিনি চিকিৎসাকে কখনো পেশা হিসেবে দেখেননি; বরং দেখেছেন দায়িত্ব, মানবসেবা এবং এক পবিত্র অঙ্গীকার হিসেবে।

কোম্পানিগঞ্জে আশপাশের এলাকায় রোগীর জন্য যেকোনো সময় ডাকলে তিনি সাড়া দিয়েছেন। গভীর রাত, ঝড় বৃষ্টি, দূরত্ব কিছুই তাকে থামাতে পারেনি।

অসহায় রোগীর চিকিৎসা খরচ বহন করা থেকে শুরু করে দূর-দূরান্তের অভিভাবকদের পাশে দাঁড়ানো

এসব তিনি করেছেন নিঃস্বার্থভাবে।

গরিব মানুষের ডাক্তার হিসেবে তিনি বিশেষ পরিচিত। তার বিনয়ী চরিত্র, মিশুক স্বভাব এবং পরোপকারীতাই তাকে আরও উজ্জ্বল করেছে।

চিকিৎসা দক্ষতার পাশাপাশি তার ব্যক্তিত্বও সমানভাবে অনুকরণীয়। তিনি নিরহংকারী, ভদ্র ও মার্জিত মানবিক মূল্যবোধে দৃঢ়তা সম্পন্ন।

মানুষের কষ্ট নিজের মতো করে অনুভব করতে সক্ষম সর্বজনের কাছে তাই সম্মান সহজ প্রাপ্য।

এই গুণগুলোই তাকে একজন সফল চিকিৎসকের পাশাপাশি একজন উত্তম মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির মাধ্যমে তার সামনে এখন আরও বড় দায়িত্ব, আরও বড় ক্ষেত্র উন্মুক্ত হলো।

দেশে শিশুস্বাস্থ্য উন্নয়নে, ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণে এবং গবেষণামূলক কাজে তিনি নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন।

এমনই প্রত্যাশা নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জের মানুষের। তার অগ্রযাত্রা আগামী দিনগুলোতে আরও আলোকিত হবে বলে সবাই বিশ্বাস করে।

ডাঃ এ. এন. এম. মনিরুজ্জামান স্যার মানুষের সেবায় নিজেকে যেমন নিবেদন করেছেন, ভবিষ্যতেও তেমনি আলোর পথ দেখাবেন এটাই সবার আশা।

মহান আল্লাহ যেন তাকে নেক হায়াত, সুস্বাস্থ্য ও কাজের বারাকাহ দান করেন।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.