মাসিক নব জ্যোতি পরিবারে বার্তা সম্পাদক হিসেবে শাহাদাত হোসেনকে স্বাগতম:
নবজ্যোতি রিপোর্ট ডেস্ক:
মাসিক নব জ্যোতি পরিবারের সঙ্গে নতুন দায়িত্বে যুক্ত হলেন অভিজ্ঞ সাংবাদিক শাহাদাত হোসেন।২৫ আগস্ট ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে তিনি পত্রিকাটির বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণে সম্মতি প্রদান করেছেন।
শাহাদাত হোসেন দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় সাংবাদিকতা পেশায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সাংবাদিকতায় তাঁর রয়েছে প্রায় ১০-১২ বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা।
দীর্ঘ এই পেশাগত জীবনে তিনি সংবাদ সংগ্রহ, তথ্য যাচাই-বাছাই, প্রতিবেদন প্রস্তুত, সংবাদ সম্পাদনা, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন তৈরি এবং সংবাদ ব্যবস্থাপনার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।
তিনি রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি), ঢাকা থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিপ্লোমা সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি এলএলবি অধ্যয়নরত রয়েছেন।
বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে শাহাদাত হোসেন বলেন, পত্রিকার সম্পাদকীয় নীতিমালা, সাংবাদিকতার পেশাগত নীতি ও নৈতিকতা এবং প্রচলিত আইন-কানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করে সততা, নিষ্ঠা, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।
একই সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠ, নির্ভুল, তথ্যনির্ভর ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।তিনি আরও জানান, সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই, ভারসাম্যপূর্ণ উপস্থাপন এবং সম্পাদনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করবেন।
পাশাপাশি মাসিক নব জ্যোতি-এর সংবাদমান, সুনাম, মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা অক্ষুণ্ণ রাখার পাশাপাশি পত্রিকার উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় আন্তরিকভাবে কাজ করবেন।
মাসিক নব জ্যোতি পরিবারের পক্ষ থেকে অভিজ্ঞ ও দক্ষ সাংবাদিক শাহাদাত হোসেনকে বার্তা সম্পাদক হিসেবে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। তাঁর অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও পেশাগত সততা পত্রিকার সংবাদ কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করবে
এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে নব জ্যোতি পরিবার।
নব জ্যোতি পরিবারে আপনাকে আন্তরিক স্বাগতম, শাহাদাত হোসেন। আপনার দায়িত্বশীল নেতৃত্বে নব জ্যোতির সংবাদ কার্যক্রম আরও গতিশীল, বস্তুনিষ্ঠ ও জনবান্ধব হোক-এই প্রত্যাশা।
মোঃ আল এমরান
সম্পাদক ও প্রকাশক,
মাসিক নব জ্যোতি।
সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবিচল।
Comments (0)
Be the first to comment on this article.
Leave a comment