ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : 'পশ্চিমা শক্তির কাছে খোমেনীর ইরান মাথা নত করেনি করবে না' দাগনভূঞায় ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ উদ্যোগে শীতার্ত পরিবারে মাঝে কম্বল বিতরণ: জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা রাজনৈতিক ফিলোসফি ও সংঘটনের অভ্যন্তরীণ আদর্শিক অবকাঠামো পরিবর্তন : 'সাদা অ্যাপ্রনের নীরব আলো' 'আলোর পথে চিকিৎসক ফরিদুল ইসলামের জীবনযাত্রা' 'শতবর্ষী তাকিয়া জামে মসজিদের নিচ তলায় মার্কেট নির্মানের চেষ্টা' দাগনভূঞায় সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১ আহত ৬: জাতীয় সড়ক যোদ্ধা পুরস্কারে ভূষিত দাগনভূঞার সাংবাদিক সোহেল: নির্বাচন কমিশনের যাচাইয়ে উত্তীর্ণ জামায়াত প্রার্থী নোয়াখালী-৫ এ উৎসবমুখর পরিবেশ : গণতন্ত্র রক্ষায় বেগম খালেদা জিয়ার অবদান অবিস্মরনীয়' কোম্পানীগঞ্জে মোঃ ফখরুল ইসলাম :

সেবায় নের্তৃত্বে ও রাজনীতিতে সমান দ্বীপ্তি চরপার্বতী কান্ডারী একরামুল হক মিলন:

সেবায় নের্তৃত্বে ও রাজনীতিতে সমান দ্বীপ্তি চরপার্বতী  কান্ডারী একরামুল হক মিলন:

সেবায় নের্তৃত্বে ও রাজনীতিতে সমান দ্বীপ্তি

চরপার্বতী কান্ডারী একরামুল হক মিলন:

নব জ্যোতি অনলাইন ফিচার ডেস্ক:

রাজনীতি কোনো দিনের সহজ পথ নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন নিবেদিত কর্মী হিসেবে যারা রাজপথে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে থেকেছে, তাদের পথচলা হয় সংগ্রাম, ত্যাগ ও নিষ্ঠার গল্পে ভরপুর।

চরপার্বতী ইউনিয়নের একরামুল হক মিলন একজন রাজনীতিবিদ নয়, বরং মানুষের হৃদয়ের আপনজন। যিনি কৈশোরেই রাজনীতির সাথে নিজেকে যুক্ত করেন এবং সেই পথচলা এখনও অব্যাহত আগুন শিখার মতো উজ্জীবিত।

তিনি চরপার্বতী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য, এক সময় যুবদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

রাজনীতির প্রায় সব স্তরে দায়িত্ব পালন করে তিনি ইতোমধ্যেই কোম্পানিগঞ্জের এক পরিচিত মুখ। তার নেতৃত্বের প্রতি মানুষের আস্থা যেমন অটুট, তেমনি জনপ্রিয়তাও সীমাহীন।

১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিসেবে তিনবার নির্বাচিত হয়ে তা প্রমাণ করেছেন। বর্তমানে তিনি পুনরায় মেম্বার, এবং মানুষের সুখে দুঃখে পাশে দাঁড়ানোই তার প্রতিদিনের রাজনীতি।

বিএনপির রাজনীতি মানেই ত্যাগের রাজনীতি এই সত্য তিনি কৈশোর থেকেই উপলব্ধি করেছেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত মিলন মেম্বার হামলা,মামলা,জেল,জুলুমে জর্জরিত থেকেও পিছু হটেননি।

বিগত ফ্যাসিবাদী সময়েও যখন বহু নেতা কর্মী নির্যাতনের মুখে ছত্রভঙ্গ, তখন তিনি তাঁর অবস্থান অটুট রেখে দলের কর্মীদের আশ্বস্ত করেছেন, সংগঠিত করেছেন, এগিয়ে নিয়ে গেছেন।

বিগত ১৭ বছর ধরে চরপার্বতী ইউনিয়ন বিএনপির কান্ডারী হয়ে কাজ করা তাকে শুধু একজন নেতা নয়, বরং মানুষের নির্ভরতার জায়গা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

একজন মানুষের রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ সময় এমন অটুট নিষ্ঠায় পার করা সত্যিই অসাধারণ অর্জন।

তিনি বিশ্বাস করেন,দলের আদর্শ লালন করলে, মানুষের সেবা করলে নেতৃত্ব নিজেই এগিয়ে যায়।

রাজনীতির এই দর্শনই তাকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে।

প্রয়াত জাতীয়তাবাদী রাজনীতির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের সান্নিধ্যে এসে তিনি রাজনৈতিক শিক্ষা, পরিপক্বতা ও কৌশলগত দৃঢ়তা অর্জন করেছেন।

ফলে তিনি আজ চরপার্বতীর বিএনপি পুনর্গঠনের অন্যতম মুখ।বর্তমানে নোয়াখালী -৫ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, মেট্রোহোমসের মালিক ও ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ফখরুল ইসলামের পক্ষে তিনি নিরলসভাবে কাজ করছেন।

চরপার্বতীর প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি পাড়া–মহল্লা, প্রতিটি গ্রামে তার পরিশ্রম যেন নির্বাচনী মাঠে প্রাণের সঞ্চার করেছে। তিনি মহিলা সমাবেশ করছেন, কর্মী সভা করছেন, অঙ্গ–সংগঠনের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে ধানের শীষের পক্ষে জোয়ার তুলছেন।

তার প্রচারণা একা নয়, চরপার্বতীর ওয়ার্ডের নেতাকর্মী, সমর্থক, অঙ্গ–সংগঠনের কর্মীরা তার নেতৃত্বে দিন রাত পরিশ্রম করছেন।

মিলন মেম্বার বিশ্বাস করেন, দলের জন্য শ্রম কখনো বৃথা যায় না। সময় হলে দল আমাকে মর্যাদা দেবে।

ব্যক্তিগত পদের লোভ নয়, দলের বিজয়ই তার লক্ষ্য। আর সেই বিজয়েই তিনি নিজের সফলতা খুঁজে পান।

এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপে তিনি বলেন,

আমি শহীদ জিয়ার সৈনিক। আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের প্রেরণা।

দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্তই আমাদের দিকনির্দেশনা। চরপার্বতী ইউনিয়নে ধানের শীষকে আমরা বিপুল ভোটে জয়ী করাবো এটাই আমাদের অঙ্গীকার।

তিনি আরও দৃঢ়ভাবে বলেন,কোম্পানীগঞ্জের মাটি বিএনপির ঘাঁটি। ইনশাআল্লাহ আমরা ফখরুল ভাইয়ের বিজয় সুনিশ্চিত করে ঘরে ফিরবো।

চরপার্বতীর আশা আস্থা একরামুল হক মিলন।

যে রাজনীতিক নিজের স্বার্থের কথা আগে ভাবেন না, মানুষের কল্যাণ ও দলের শক্তিকে অগ্রাধিকার দেন।

তিনি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেন সহজেই। একরামুল হক মিলন ঠিক তেমনই একজন। তিনি চরপার্বতীর রাজনীতির অভিভাবকসুলভ মুখ, কর্মীদের ভরসা এবং ধানের শীষের অন্যতম শক্তি হয়ে উঠেছেন।

তার রাজনীতি আজ শুধুই সংগঠন নয় একটি প্রজন্মের অনুপ্রেরণা। তার ত্যাগ, পরিশ্রম ও আদর্শিক দৃঢ়তা চরপার্বতীর বিএনপিকে সুসংগঠিত, শক্তিশালী করে তুলছে।

চরপার্বতীর মানুষ বিশ্বাস করে,

যে মিলন দীর্ঘ ১৭ বছর দলের কান্ডারী হয়ে কাজ করে গেছে, সে ভবিষ্যতেও নেতৃত্বের উচ্চতায় পৌঁছে যাবে।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.