ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় 'বাসাপ' এর প্রার্থনা মানবিক মূল্যবোধ থেকেই জাতীয় নেত্রীর আরোগ্য প্রত্যাশা : “ভোগান্তির আরেক নাম মৌলভীবাজার টু কাজীরহাট স্লুইসগেট দুই যুগের কান্না : হাজ্বী আবুল খায়ের দাখিল মাদরাসায় পাঠ পরিকল্পনা, দোয়া ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত: হাকিম মাওলানা ইলিয়াস (রাঃ) ইউনানী চিকিৎসার বাতিঘর,আর তাঁর উওরসূরী হাকিম শহিদ উল্ল্যাহর গবেষণা ,সেবা,ঐতিহ্যের বৃহৎযাএা : নুরে হিদায়তের আলোয় 'রহমানিয়া মাদরাসা' চরপার্বতী ধর্মীয় জাগরনের দীপ্তাঙ্গন: 'দীন দুনিয়ার মালিক খোদা' ইসলামী গান আধ্যাত্মিকতার আলোয় এক অনন্য সৃজন যাত্রা : "সংবাদ ও সত্যের পথিক প্রবীন সাংবাদিক এমজি বাবর" খোঁজ নিতে ছুটে গেলেন নের্তৃবৃন্দ ও সহকর্মীরা : "চরপার্বতীর বুকে মৌলভীবাজার স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রীড়া, করুণা ও স্বপ্নযাত্রার মহাকাব্য" "একান্ত সাক্ষাতকারে মাওলানা আলী আহমদ জমিরী" কোম্পানীগঞ্জ কৃষি অফিসে দুদকের অভিযান যন্ত্রপাতি ক্রয় ভর্তুকি বণ্টনে ব্যাপক অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ :

বিদ্রোহ–অপপ্রচার উসকে দিলেও নোয়াখালী–৫ এ বিএনপির সিদ্ধান্ত একটাই চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম :

বিদ্রোহ–অপপ্রচার উসকে দিলেও নোয়াখালী–৫ এ বিএনপির সিদ্ধান্ত একটাই চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম :

বিদ্রোহ–অপপ্রচার উসকে দিলেও নোয়াখালী–৫ এ বিএনপির সিদ্ধান্ত একটাই চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম :

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কাফন মিছিল’সহ নানা অপপ্রচার দল বলছে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র মাঠে ফখরুল ইসলামের জনপ্রিয়তা বেড়েই চলেছে :

তারিখ: ২০ নভেম্বর ২০২৫

নব জ্যোতি অনলাইন ডেস্ক:

নোয়াখালী–৫ (কোম্পানীগঞ্জ–কবিরহাট) আসনকে ঘিরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উত্তাপ কিছুটা আগেই অনুভূত হতে শুরু করেছে।

আর এই উত্তাপের কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছেন বিএনপির চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা সমালোচনা,

অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালানো হলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত সুস্পষ্ট এই আসনে দলের একমাত্র প্রার্থী তিনিই।

গত ৩ নভেম্বর বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে ২৩৭ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। নোয়াখালী–৫ আসনে দলীয় মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ফখরুল ইসলামের নাম নিশ্চিত হলে তৃণমূলে স্বস্তির পাশাপাশি উচ্ছ্বাস দেখা যায়।

মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই তিনি কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাটের বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়মিত গণসংযোগ, পথসভা, কর্মী সমাবেশ ও মতবিনিময় চালিয়ে যাচ্ছেন।

১৫ নভেম্বর কবিরহাট উপজেলায় বিএনপির আয়োজিত নির্বাচনী পরিচিতি সমাবেশ ছিল তাঁর সক্রিয় নির্বাচনী প্রচারণার গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ।

সেখানে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা স্পষ্ট ভাষায় বলেন,ফখরুল ইসলাম তারেক রহমানের মনোনীত প্রার্থী, তাঁর মনোনয়ন চূড়ান্ত এবং অপরিবর্তনীয়।

নেতারা আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন,দলের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে যারা বিদ্রোহ করবে, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘কাফন গায়ে মিছিল’সহ বিভিন্ন ছবি, ভিডিও ও বিকৃত তথ্য ছড়িয়ে দেয় একটি বিদ্রোহী গ্রুপ।

এগুলোকে ঘিরে এলাকাজুড়ে আলোচনা তৈরি হয়।

অনেকেই এগুলোকে “মিডিয়া ট্রায়াল”, পরিকল্পিত চরিত্রহনন” এবং “সাইবার অপপ্রচার” বলে উল্লেখ করছেন।

দলীয় নেতাকর্মীরা অভিযোগ করছেন,

এসব প্রচারণার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই।অনেক পোস্টই কাটছাঁট করা বা পুরোনো ছবি ব্যবহার করে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছে।

একজন সিনিয়র নেতার ভাষায়,ফখরুল সাহেব মাঠে জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন দেখে কেউ কেউ পরিকল্পিতভাবে তাঁকে টার্গেট করছে। এগুলো ভুয়া প্রচারণার অংশ।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য কোনো প্রার্থী সামনে এলে অনেক সময় প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপ বা ব্যক্তিগত স্বার্থান্বেষীরা অনলাইনে অপপ্রচার ছড়ায়।

আধুনিক নির্বাচনী রাজনীতিতে এটি এখন সাধারণ

কৌশল।দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফখরুল ইসলামের মনোনয়ন নিয়ে কোনো ধরনের দ্বিধা নেই।

মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নেতিবাচক প্রচারণায় কান না দিয়ে মাঠে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।

নোয়াখালী জেলা বিএনপির এক নেতা বলেন,

এখন সময় নির্বাচনী প্রস্তুতির। অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হয়ে পড়লে সংগঠন দুর্বল হবে। দল তা চায় না।

বিতর্ক নিয়ে মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মন্তব্য পাওয়া না গেলেও তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে,

তিনি এসব অপপ্রচারে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন না।তিনি বিশ্বাস করেন,অপপ্রচারের জবাব মাঠের রাজনীতিই দেবে।

এক ঘনিষ্ঠ সহকর্মী বলেন,তিনি বর্তমানে ঢাকায় আছেন,এলাকায় আসলের সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করবেন। সামাজিক মাধ্যমে যাই হোক, মাঠে তার গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে।

চরহাজারী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুবদল সভাপতি এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য হারুনুর রশীদ হারুন ভূইয়া ‘নব জ্যোতি’-কে বলেন,

যারা দলের মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছে, তারা বিএনপির নের্তৃত্ব মানতে চাইনা। তাদের ইন্ধনে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এর কোনও লাভ হবে না।

তিনি আরও বলেন,ফখরুল ভাই তৃণমূলে অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য। কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাটে তাঁর পক্ষে জনতা এখন একমত, ঐক্যবদ্ধ। তাঁর জনপ্রিয়তা অপপ্রচার ঠেকাতে পারবে না।

এলাকার সাধারণ ভোটার ও কর্মীরা বলছেন,

ফখরুল ইসলামের মাঠপর্যায়ের যোগাযোগ বাড়ছে, আর তার সঙ্গে বাড়ছে সমর্থনও।বিভিন্ন চায়ের দোকান, বাজার, জনসভা সব জায়গায় তাঁর নামই আলোচনায়।

বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তিনি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন।কেউ কেউ বলছেন ফখরুল ইসলামের ব্যক্তিত্ব, ভাষা, সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্ক এবং সহজ-সরল আচরণ তাঁকে আরও এগিয়ে রাখছে।

এক স্থানীয় ব্যবসায়ী বলেন,অপপ্রচার চলে, এটা নির্বাচনের অংশ। কিন্তু মানুষ তো বোঝে আসলে কে কাজ করতে পারবে।

নোয়াখালী–৫ আসনের রাজনৈতিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ আসনে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ, জামায়াতের রাজনীতি সাংগঠনিক শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও তৃণমূলে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা বড় ভূমিকা পালন করে।

ফখরুল ইসলাম একজন সুসংগঠিত, স্থির এবং ভদ্র প্রার্থী যা তৃণমূলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

অনলাইনে যতই বিতর্ক থাকুক, নির্বাচনের ফল নির্ভর করবে,প্রার্থীর মাঠপর্যায়ের সক্রিয়তা,সংগঠনের ঐক্য

এবং ভোটারদের চূড়ান্ত রায়ের উপর।

নোয়াখালী–৫ এ নির্বাচনী লড়াই যত ঘনিয়ে আসছে, অপপ্রচার বিতর্কও তত বাড়ছে।তবে বিএনপি বলছে

এসব অপপ্রচার নির্বাচনী বাস্তবতায় তেমন প্রভাব ফেলবে না।

পর্যবেক্ষকদের মতে,ফেসবুকে, অনলাইনে ঝড় সাময়িক,তবে মাঠের রাজনীতি ও ভোটারদের মনোভাবই হবে চূড়ান্ত নির্ধারক।

বর্তমান পরিস্থিতিতে নোয়াখালী–৫ আসনে বিএনপির সিদ্ধান্ত একটাই মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামই দলের একক প্রার্থী।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.