ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : দৃষ্টিহীন চোখে আলো না দেখলেও স্বপ্নজয়ে জিপিএ-৫ পেলেন মৌমি কোম্পানীগঞ্জের রামপুরে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুত প্রায় ৯৮ বিলিয়ন ঘনফুট বসুরহাট পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী কে? লিটন-রাজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আলোচনায় কামাল চৌধুরী পত্রিকা বিক্রি করে সংসার চালান বাবা, সেই বাবার স্বপ্ন পূরণে জিপিএ-৫ পেলেন মেয়ে ফাহমিদা কোম্পানীগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ হয়ে বিছানায় ৯ বছরের আদিব সেনবাগে একদিনে দুই নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যু, পৃথক ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য দুই হাত নেই, পা-ই তার ভরসা—অদম্য রাব্বির এসএসসির পর এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ সেনবাগে এইচএসসিতে কলেজগুলোর পাসের হার ৪৮.১৪ শতাংশ, মাদ্রাসায় ৫০.৫৫ শতাংশ কোম্পানীগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, যুব ঋণের চেক ও প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল কোম্পানীগঞ্জের আলমগীরের, দেশে ফেরানোর অপেক্ষায় স্বজনরা

বসুরহাট পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী কে? লিটন-রাজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আলোচনায় কামাল চৌধুরী

বসুরহাট পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী কে? লিটন-রাজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আলোচনায় কামাল চৌধুরী

বসুরহাট পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী কে? লিটন-রাজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আলোচনায় কামাল চৌধুরী

মোহাম্মদ উল্যা

বিশেষ প্রতিনিধি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভায় আগামী নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী কে হচ্ছেন, তা নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন বসুরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল মতিন লিটন, উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান রাজন এবং সাবেক পৌর মেয়র কামাল উদ্দিন চৌধুরী।

বসুরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি আব্দুল মতিন লিটন শুরু থেকেই মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মেয়র পদে আগ্রহ প্রকাশ করেন উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান রাজন। দুজনই স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজে পরিচিত মুখ এবং বসুরহাট ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচিত নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত। অতীতেও তাঁরা পৌর মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ দেখিয়েছিলেন।

তবে লিটন ও রাজনের সম্ভাব্য প্রার্থিতা ঘিরে পৌর বিএনপি ও যুবদলের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হচ্ছে বলে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে। সম্প্রতি বসুরহাট হাইস্কুল মাঠে সংসদ সদস্যকে প্রধান অতিথি করে যুবদলের বড় সমাবেশ আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি ও ঐক্যের জানান দিয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দুই নেতার মধ্যে সমঝোতা না হলে বসুরহাট পৌরসভায় বিএনপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিভক্তি আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর পৌর নির্বাচন ঘিরে এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা নতুন মাত্রা পেতে পারে।

এমন পরিস্থিতিতে আলোচনায় আসছে সাবেক পৌর মেয়র ও পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন চৌধুরীর নাম। লিটন ও রাজনের মধ্যে মনোনয়ন নিয়ে প্রতিযোগিতা তীব্র হলে দলীয় ঐক্য রক্ষায় বিএনপি বিকল্প প্রার্থী হিসেবে তাঁকে বিবেচনা করতে পারে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে। অতীতে পৌর মেয়রের দায়িত্ব পালন এবং দলীয় রাজনীতিতে অভিজ্ঞতার কারণে সমঝোতার প্রার্থী হিসেবেও তাঁর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে।

সব মিলিয়ে বসুরহাট পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী নির্ধারণ এখন স্থানীয় রাজনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। শেষ পর্যন্ত লিটন, রাজন নাকি কামাল উদ্দিন চৌধুরী—কে পাবেন দলীয় মনোনয়ন, তা নির্ভর করছে দলীয় সিদ্ধান্ত, সাংগঠনিক সমীকরণ ও স্থানীয় জনসমর্থনের ওপর। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত বসুরহাট পৌরসভার মেয়র প্রার্থিতা নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা ও হিসাব-নিকাশ চলবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.