ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : দৃষ্টিহীন চোখে আলো না দেখলেও স্বপ্নজয়ে জিপিএ-৫ পেলেন মৌমি কোম্পানীগঞ্জের রামপুরে নতুন গ্যাসকূপের সন্ধান, মজুত প্রায় ৯৮ বিলিয়ন ঘনফুট বসুরহাট পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী কে? লিটন-রাজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আলোচনায় কামাল চৌধুরী পত্রিকা বিক্রি করে সংসার চালান বাবা, সেই বাবার স্বপ্ন পূরণে জিপিএ-৫ পেলেন মেয়ে ফাহমিদা কোম্পানীগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রকে নির্যাতনের অভিযোগ, গুরুতর অসুস্থ হয়ে বিছানায় ৯ বছরের আদিব সেনবাগে একদিনে দুই নারীর অস্বাভাবিক মৃত্যু, পৃথক ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য দুই হাত নেই, পা-ই তার ভরসা—অদম্য রাব্বির এসএসসির পর এইচএসসিতেও জিপিএ-৫ সেনবাগে এইচএসসিতে কলেজগুলোর পাসের হার ৪৮.১৪ শতাংশ, মাদ্রাসায় ৫০.৫৫ শতাংশ কোম্পানীগঞ্জে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, যুব ঋণের চেক ও প্রশিক্ষণ সনদ বিতরণ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল কোম্পানীগঞ্জের আলমগীরের, দেশে ফেরানোর অপেক্ষায় স্বজনরা

দৃষ্টিহীন চোখে আলো না দেখলেও স্বপ্নজয়ে জিপিএ-৫ পেলেন মৌমি

দৃষ্টিহীন চোখে আলো না দেখলেও স্বপ্নজয়ে জিপিএ-৫ পেলেন মৌমি

দৃষ্টিহীন চোখে আলো না দেখলেও স্বপ্নজয়ে জিপিএ-৫ পেলেন মৌমি

মোহাম্মদ উল্যা

বিশেষ প্রতিনিধি

পৃথিবীর আলো চোখে দেখার সৌভাগ্য হয়নি জন্ম থেকেই। তবে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধকতা দমাতে পারেনি তাঁর স্বপ্ন ও অদম্য ইচ্ছাশক্তিকে। মেধা, অধ্যবসায় ও মনোবলের জোরে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তাহমিনা আক্তার মৌমি।

মৌমি সিলেট সরকারি মদন মোহন কলেজের শিক্ষার্থী। তাঁর বাড়ি মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগর গ্রামে। তিনি আব্দুল আহাদ ও আমিনা আক্তার পুষ্প দম্পতির মেয়ে। বর্তমানে সিলেটের গ্রিন ডিসএবিল্ড ফাউন্ডেশনের (জিডিএফ) আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে পড়াশোনা করছেন।

প্রথম শ্রেণি থেকেই জিডিএফে আবাসিক থেকে পড়াশোনা করছেন মৌমি। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক বায়েজিদ আহমদ খান তাঁর এই সাফল্যে আনন্দ ও গর্ব প্রকাশ করেছেন।

দৃষ্টিশক্তি না থাকায় শ্রুতিলেখকের সহায়তায় এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন মৌমি। তাঁর মুখে বলা উত্তর পরীক্ষার খাতায় লিখে দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করেন পল্লব রায়। তাঁর এই সহযোগিতাও মৌমির সাফল্যের পেছনে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

মৌমি বলেন, চোখে পৃথিবীর আলো দেখতে না পেলেও স্বপ্ন দেখার অধিকার সবার আছে। এই অর্জন বাবা-মা, শিক্ষক ও জিডিএফের সম্মিলিত সহযোগিতার ফল। ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে দেশের সেবা করতে চান তিনি।

মেয়ের সাফল্যে আবেগাপ্লুত বাবা আব্দুল আহাদ বলেন, জন্ম থেকেই তাঁর মেয়ে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তবে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ দেখে কখনো তাকে পিছিয়ে যেতে দেননি। মেয়ের এমন অর্জনে তাঁরা গর্বিত।

মৌমির এই সাফল্য আবারও প্রমাণ করল, শারীরিক সীমাবদ্ধতা নয়, অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায়ই হতে পারে স্বপ্নপূরণের সবচেয়ে বড় শক্তি।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.