ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় 'বাসাপ' এর প্রার্থনা মানবিক মূল্যবোধ থেকেই জাতীয় নেত্রীর আরোগ্য প্রত্যাশা : “ভোগান্তির আরেক নাম মৌলভীবাজার টু কাজীরহাট স্লুইসগেট দুই যুগের কান্না : হাজ্বী আবুল খায়ের দাখিল মাদরাসায় পাঠ পরিকল্পনা, দোয়া ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত: হাকিম মাওলানা ইলিয়াস (রাঃ) ইউনানী চিকিৎসার বাতিঘর,আর তাঁর উওরসূরী হাকিম শহিদ উল্ল্যাহর গবেষণা ,সেবা,ঐতিহ্যের বৃহৎযাএা : নুরে হিদায়তের আলোয় 'রহমানিয়া মাদরাসা' চরপার্বতী ধর্মীয় জাগরনের দীপ্তাঙ্গন: 'দীন দুনিয়ার মালিক খোদা' ইসলামী গান আধ্যাত্মিকতার আলোয় এক অনন্য সৃজন যাত্রা : "সংবাদ ও সত্যের পথিক প্রবীন সাংবাদিক এমজি বাবর" খোঁজ নিতে ছুটে গেলেন নের্তৃবৃন্দ ও সহকর্মীরা : "চরপার্বতীর বুকে মৌলভীবাজার স্পোর্টিং ক্লাবের ক্রীড়া, করুণা ও স্বপ্নযাত্রার মহাকাব্য" "একান্ত সাক্ষাতকারে মাওলানা আলী আহমদ জমিরী" কোম্পানীগঞ্জ কৃষি অফিসে দুদকের অভিযান যন্ত্রপাতি ক্রয় ভর্তুকি বণ্টনে ব্যাপক অনিয়মের প্রাথমিক প্রমাণ :

"একান্ত সাক্ষাতকারে মাওলানা আলী আহমদ জমিরী"

"একান্ত সাক্ষাতকারে  মাওলানা আলী আহমদ জমিরী"

"একান্ত সাক্ষাতকারে মাওলানা আলী আহমদ জমিরী"

সাক্ষাতকার গ্রহনকারী

মোঃ আল এমরান

সম্পাদক ও প্রকাশক

মাসিক নব জ্যোতি

সময়: সোমবার, ২৪/১১/২০২৫

১৯৮২ সালে নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড এর এক সম্ভান্ত্র মুসলিম পরিবারে মাওলানা আলী আহমদ জমিরী জন্ম গ্রহন করেন।

পিতা মরহুম আব্দুল খালেক ছিলেন একজন সৎ, পরিশ্রমী ও মানবিক মানুষ। মা মোহছেনা খাতুন ছিলেন দয়ালু, নৈতিক চরিত্রবান ও পরিবারধর্মী নারী।

পরিবারে তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে বড়দের স্নেহ ও ছোটদের প্রতি দায়িত্ববোধ তাঁকে অন্যরকম নেতৃত্বগুণে গড়ে তুলেছে।

শিশুকাল থেকেই সততা, নৈতিকতা, পরোপকার, ধর্মভীরুতা ও মানবসেবার যে বীজ পরিবার তাকে শিক্ষা দিয়েছে, সেটিই পরবর্তীতে তার জীবনদর্শন ও রাজনৈতিক আদর্শকে প্রভাবিত করে।

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। কৈশোরে সমাজসেবা ও এলাকায় মানুষের সাহায্য করতে করতে তার মধ্যে সমাজ পরিবর্তনের স্বপ্ন জন্মায়।

ন্যায়, আদর্শ, ইসলামী মূল্যবোধ ও মানবিকতার ভিত্তিতে রাজনীতিকে তিনি নিজের জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করেন।এভাবেই ছাত্রজীবন থেকে শুরু হয় তার রাজনীতির পথচলা।

বর্তমানে তার রাজনৈতিক বয়স ৩০ বছর,যা ধৈর্য, অভিজ্ঞতা, আদর্শিক দৃঢ়তা ও দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতিফলন।

দীর্ঘ তিন দশকের রাজনৈতিক জীবনে তিনি সততা, দায়িত্ববোধ ও সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়ে ধীরে ধীরে নেতৃত্বে উঠে আসেন।

বর্তমানে তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি,ঢাকা কেন্দ্রীয় কমিটির শুরা সদস্য।

দল, কর্মী, সাধারণ জনগণ ও তৃণমূল নেতৃবৃন্দের কাছে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য, সৎ, কর্মঠ ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত।

আলী আহমদের রাজনীতির মূল ভিত্তি তিনটি স্তম্ভে দাঁড়িয়ে,আদর্শিক রাজনীতি, ন্যায়, সততা, মানবসেবা ও ইসলামী মূল্যবোধ।

মানবিকতা মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়ানো

উন্নয়ন ও পরিবর্তন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, অবকাঠামো ও কর্মসংস্থানকে সামনে রেখে জনগণকে এগিয়ে নেওয়া।

তিনি বিশ্বাস করেন,রাজনীতি ক্ষমতা নয়, আমানত। জনগণের জীবনমান উন্নয়নই একজন নেতার প্রকৃত সাফল্য।

আলী আহমদ মানুষের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তিনি মনে করেন, কোনো সমাজ তখনই এগিয়ে যায়, যখন নেতৃত্ব সৎ, দায়িত্ববান ও নীতিনিষ্ঠ হয়।

সম্প্রীতি, ধর্মীয় সহনশীলতা, যুব উন্নয়ন, নারী সক্ষমতা, শিক্ষার প্রসার ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ নির্মাণএই মূল্যবোধগুলোই তার রাজনৈতিক চিন্তা ও কাজের কেন্দ্রবিন্দু।

তার মতে,মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তরুণদের সঠিক দিকনির্দেশনা, কর্মসংস্থান এবং নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।

ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শান্তি, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতা বজায় রাখতে হবে।

উন্নয়ন হবে ন্যায়ভিত্তিক, জনগণের কল্যাণকেন্দ্রিক।

তিনি বিশ্বাস করেন,জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা সবচেয়ে বড় শক্তি। মানুষ আমাকে ভালোবাসে এটাই আমার রাজনৈতিক মূল সম্পদ।”

সততা, আদর্শ, ত্যাগ ও সেবার সমন্বয়ে আলী আহমদ একজন প্রজ্ঞাসম্পন্ন, জনদরদি ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।

নোয়াখালী–৫ সাংসদীয় আসনের তৃণমূল মানুষ তাকে একজন মানবিক নেতৃত্ব হিসেবে মনে করে,যিনি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের জন্য রাজনীতি করেন।

তার দলের মার্কা দেয়াল ঘড়ি, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নোয়াখালী ৫ আসনে তিনি একজন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাংসদ সদস্য মনোনীত প্রার্থী,

তার দলের মার্কা দেয়াল ঘড়ি, তিনি বলেন, আমাকে জয় যুক্ত করে আপনাদের সেবক হওয়ার সুুযোগ দিন।ইনশাআল্লাহ আমি আপনাদের সুখে দুঃখে পাশে থাকবো।

নব জ্যোতি পত্রিকার পক্ষ থেকে নির্বাচনী এলাকা নোয়াখালী–৫ (কোম্পানীগঞ্জ - কবিরহাট) এর সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলী আহমদ জমিরী এর সঙ্গে একটি গভীর আলাপচারিতা অনুষ্ঠিত হয়।

নিচে তাঁর সঙ্গে হওয়া প্রশ্ন–উত্তরের ধারাবাহিকতা পাঠকদের ও ভোটারদের উদ্দেশ্য দেয়া হলো।

১. নবজ্যোতি প্রশ্ন: আপনার পূর্ণ নাম, জন্মস্থান ও শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?

উত্তর: আমার নাম আলী আহমদ। জন্ম নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নে। এখানেই বেড়ে উঠেছি।

২. প্রশ্ন: আপনি কোন পেশায় যুক্ত আছেন, রাজনীতিতে কেন আসলেন?

উত্তর: আমি দীর্ঘদিন ধরে সমাজসেবা ও সংগঠনভিত্তিক ইসলামি রাজনৈতিক কাজ করছি। ইসলামী রাজনৈতিক ইবাদত, এবং মানুষের সেবা করতে পারবো,এ বিশ্বাস থেকেই রাজনীতিতে আসা।

৩. প্রশ্ন: রাজনীতিতে আসার প্রেরণা কী ছিল?

উত্তর: প্রথমত ইসলামী রাজনীতি ইবাদত তাই রাজনীতি করা। অন্যদিকে ছোটবেলা থেকেই এলাকার মানুষের কষ্ট, বৈষম্য ও বঞ্চনা আমাকে নাড়া দিত।

আবার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ইচ্ছাই আমাকে প্রেরণা দিয়েছে।

৪.প্রশ্ন: রাজনৈতিক জীবনের শুরু কীভাবে?

উত্তর: ছাত্রজীবন থেকেই রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। সেখান থেকেই আমার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু।

৫. প্রশ্ন: আপনার রাজনৈতিক আদর্শ বাস্তবায়নে কী কাজ করছেন?

উত্তর: ইসলামী মূল্যবোধ, সততা, সুশাসন ও মানবিকতার ভিত্তিতে শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগে কাজ করে যাচ্ছি।

৬. প্রশ্ন: জনগণের কাছে কেমন রাজনীতি উপস্থাপন করতে চান?

উত্তর: কল্যাণমূলক, মানবিক ও স্বচ্ছ রাজনীতি। যেখানে জনগণের স্বার্থই হবে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।

৭. প্রশ্ন: বর্তমানে দেশের রাজনীতি সম্পর্কে আপনার মতামত কী?

উত্তর: রাজনৈতিক পরিবর্তনের বড় একটি সময়ের মধ্য দিয়ে দেশ যাচ্ছে। জনগণ এখন সুশাসন, নিরাপত্তা ও উন্নয়নমুখী নেতৃত্ব আশা করছে।

৮. প্রশ্ন: আপনার নির্বাচনী এলাকার সবচেয়ে বড় সমস্যা কী?

উত্তর: অবকাঠামো সংকট, রাস্তা–ঘাটের অনুন্নয়ন, নদীভাঙন, কর্মসংস্থান অভাব, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি।

৯. প্রশ্ন: নির্বাচিত হলে এসব সমস্যার সমাধান কীভাবে করবেন?

উত্তর: আধুনিক অবকাঠামো, শিক্ষা-স্বাস্থ্য উন্নয়ন, শিল্পায়ন, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবো।

১০. প্রশ্ন: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও কর্মসংস্থানে আপনার পরিকল্পনা কী?

উত্তর:আধুনিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,ইউনিয়ন পর্যায়ে উন্নত হাসপাতাল,কৃষিতে প্রযুক্তি ও ভর্তুকি,যুবদের জন্য স্কিল ট্রেনিং ও শিল্পায়ন।

১১. প্রশ্ন: পূর্বের জনপ্রতিনিধিরা কি প্রত্যাশিত উন্নয়ন করতে পেরেছেন?

উত্তর: কিছু উন্নয়ন হলেও অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে। মানুষের চাহিদা ও সম্ভাবনার তুলনায় উন্নয়ন খুব সীমিত ছিল।

১২. প্রশ্ন: নোয়াখালী–৫ আসনে আপনার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি কী?

উত্তর: যোগাযোগব্যবস্থা আধুনিকীকরণ, নদীভাঙন রোধ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা-স্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য।

১৩. প্রশ্ন: যুব শক্তি ও নারীর ক্ষমতায়নে কী করবেন?

উত্তর: যুবদের স্কিল ডেভেলপমেন্ট, উদ্যোক্তা সহায়তা, নারীদের স্বনির্ভরতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবো।

১৪. প্রশ্ন: এলাকার অবকাঠামো ও পরিবেশ উন্নয়নে কী করণীয়?

উত্তর: রাস্তা–ব্রিজ–কালভার্ট নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, পানি নিষ্কাশন এবং পরিবেশবান্ধব সবুজায়ন প্রকল্প চালু করবো।

১৫. প্রশ্ন: জনগণের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ কীভাবে রাখবেন?

উত্তর: হটলাইন, মাসিক ওপেন মিটিং, ইউনিয়ন ভিত্তিক জবাবদিহিমূলক সভা এবং অনলাইন যোগাযোগ রাখা হবে।

১৬. প্রশ্ন: তরুণদের রাজনীতিতে ভূমিকা কীভাবে দেখেন?

উত্তর: তরুণরাই একদিন দেশের নেতৃত্ব দেবে। তাদের আদর্শিক, ইসলামী শিক্ষায় সুশিক্ষিত ও প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন হতে হবে।

১৭. প্রশ্ন: মাদক, বেকারত্ব ও অনলাইন বিভ্রান্তি দূর করতে কী করবেন?

উত্তর: মাদকবিরোধী অভিযান, পুনর্বাসন কেন্দ্র, কর্মসংস্থান, সাইবার সচেতনতা এবং সামাজিক ভূমিকা জোরদার করা হবে।

১৮. প্রশ্ন: ধর্মীয় সহনশীলতা ও সম্প্রীতিতে আপনার ভূমিকা কী?

উত্তর: সব ধর্মের মানুষকে সমান সম্মান। আন্তধর্মীয় সংলাপ ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এটাই আমার লক্ষ্য।

১৯. প্রশ্ন: রাজনীতিতে সততা কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

উত্তর: সততা রাজনীতির প্রাণভিত্তি। সৎ নেতৃত্ব সমাজকে পরিবর্তন করে।

২০. প্রশ্ন: নির্বাচনে টাকার প্রভাব কমানো সম্ভব?

উত্তর: অবশ্যই সম্ভব। সচেতনতা, কঠোর আইন প্রয়োগ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

২১. প্রশ্ন: ব্যক্তিগতভাবে জনগণের কল্যাণে কী করেছেন?

উত্তর: শিক্ষা সহায়তা, চিকিৎসা সেবা, দুস্থ মানুষের সহায়তা এবং বিভিন্ন সামাজিক কাজে যুক্ত ছিলাম।

২২. প্রশ্ন: জনগণ কেন আপনাকে ভোট দেবে?

উত্তর: কারণ আমি সৎ, আদর্শিক, কর্মমুখী এবং মানুষের জন্য কাজ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

২৩. প্রশ্ন: নির্বাচিত না হলে কী করবেন?

উত্তর: জনসেবা আমার নেশা,নির্বাচিত হই বা না হই, মানুষের পাশে থাকবো।

২৪. প্রশ্ন: রাজনীতির বাইরে আপনার শখ কী?

উত্তর: বই পড়া, সমাজসেবা, ধর্মীয় কর্মকাণ্ড ও মানুষের সঙ্গে সময় কাটানো।

২৫. প্রশ্ন: সংসদ সদস্য হওয়ার মূল উদ্দেশ্য কী?

উত্তর: জনগণের সমস্যা সমাধান, উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং ইসলামী রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা।

২৬. প্রশ্ন: অনুসরণীয় নেতা কে?

উত্তর: হযরত মোহাম্মদ(সাঃ)। সাহাবায়ে কেরাম, ইসলামী আদর্শ ও নীতিভিত্তিক নেতৃত্ব আমাকে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রাণিত করে।

২৭. প্রশ্ন: নির্বাচনী প্রস্তুতি ও কেন্দ্র কমিটি গঠনের অবস্থা কী?

উত্তর: তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত শক্তিশালী ও কার্যকর কমিটি গঠন করেছি এবং সবাই মাঠে সক্রিয় রয়েছে।

প্রচারনা,জনসংযোগ, ধারাবাহিক ভাবে চলছে।

২৮. প্রশ্ন: সাধারণ জনগণের কাছ থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

উত্তর: অত্যন্ত ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি। মানুষ পরিবর্তন চায় এবং আমাদের প্রতি আস্থা রাখছে।

২৯. প্রশ্ন: ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিক্রিয়া কেমন?

উত্তর: তারা সম্প্রীতি ও মানবতার রাজনীতিকে সমর্থন করছে। সবাই খুব আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে।

৩০. প্রশ্ন: নব জ্যোতি পত্রিকার সাংবাদিক ও পাঠকদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?

উত্তর: বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন, সত্য, ন্যায়, নিরপেক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে কাজ করুন।

সাংবাদিকতা সমাজকে আলোকিত করে আপনাদের কাজই আগামী প্রজন্মকে পথ দেখাবে।

আলী আহমদ একজন আদর্শিক, সৎ ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি।

তৃণমূল মানুষের ভালোবাসা, দীর্ঘ রাজনীতিক অভিজ্ঞতা, আদর্শমূলক অবস্থান এবং উন্নয়নভিত্তিক পরিকল্পনা তাকে নোয়াখালীর ৫ আসনের রাজনীতিতে একটি সম্ভাবনাময় নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.