ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : এনসিপির নোয়াখালীতে সমন্বয় সভা ও সংগঠক কর্মশালা অনুষ্ঠিত: ২০২৬ সালের মধ্যেই শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো একজনের মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক; ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোম্পানীগঞ্জে কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন কোম্পানীগঞ্জে ডেঙ্গুতে যুবকের মৃত্যু আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) মানুষ ও সৃষ্টির মননে উচ্ছ্বাস বোনা এক আরাধ্য ঋতুর নাম ঋতুরাজ শরৎ সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল আমিনকে ঘিরে চরপার্বতীতে জমে উঠছে নির্বাচনী সমীকরণ: "কোম্পানীগঞ্জের সম্ভাবনার আড়ালে জমে থাকা অন্ধকার" মাসিক নব জ্যোতি পরিবারে বার্তা সম্পাদক হিসেবে শাহাদাত হোসেনকে স্বাগতম: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে আলোচনার কেন্দ্রে নুরুল আলম সিকদার: শতভাগ পাস করা শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল আল ফালাহ্ ফরায়েজিয়া দাখিল মাদ্রাসাঃ

এনসিপির নোয়াখালীতে সমন্বয় সভা ও সংগঠক কর্মশালা অনুষ্ঠিত: ২০২৬ সালের মধ্যেই শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো

এনসিপির নোয়াখালীতে সমন্বয় সভা ও সংগঠক কর্মশালা অনুষ্ঠিত:  ২০২৬ সালের মধ্যেই শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো

এনসিপির নোয়াখালীতে সমন্বয় সভা ও সংগঠক কর্মশালা অনুষ্ঠিত:

২০২৬ সালের মধ্যেই শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ার প্রত্যয়, ২০৩১ সালের মধ্যে ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্য:

নব জ্যোতি রিপোর্ট ডেস্ক :

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নোয়াখালী জেলা ও অঙ্গসংগঠনের সংগঠকদের নিয়ে সমন্বয় সভা ও সংগঠক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট ২০২৬ বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত মাইজদীর পৌর হল মিলনায়তনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় নোয়াখালী জেলা ও অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রমের সমন্বয়, সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করা, মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ও মতবিনিময় করা হয়।

পাশাপাশি সংগঠকদের সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলকে আরও সুসংগঠিত করার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। এছাড়া দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হাসান জুনায়েদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্য সচিব মো. নিজামউদ্দিন, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম. সুজাউদ্দিনসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় সারোয়ার তুষার বলেন, বাবা- মামা কিংবা রাজনৈতিক রেফারেন্সের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা নেওয়া ও পুরোনো বন্দোবস্তের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক নেতাদের সন্তানদের ভূমিকা কোথায় ছিল।তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ধারায় দেশকে ফিরিয়ে আনতে হবে এবং ‘বাবার কোটা’ বা পারিবারিক প্রভাবের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে।

দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে,একই সঙ্গে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকেন্দ্রিক রাজনীতির ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

সারোয়ার তুষার আরও বলেন, দলীয় বিভেদ, দূরত্ব ও বিভাজন কমিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ, গ্যাস, মাদক ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আরও কার্যকর হতে হবে।তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এনসিপির মনোনীত প্রার্থী দেওয়ার বিষয়েও দল কাজ করবে।

’সারজিস আলম বলেন, এনসিপিকে শুধু তরুণদের দল হিসেবে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় প্রবীণ ও নারী সমাজকেও সম্পৃক্ত করতে হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায়ে রাজনীতি করতেই এনসিপির আত্মপ্রকাশ,এ পথচলায় অভিজ্ঞ প্রবীণদের সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, নোয়াখালীতে ব্যক্তি-কেন্দ্রিক রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে না। যোগ্যতা ও সাংগঠনিক সক্ষমতার ভিত্তিতে কমিটি গঠন করা হবে। ছাত্র সংগঠনের কমিটিতে ছাত্রদেরই দায়িত্ব দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সারজিস আলম জানান, বর্তমান কমিটি স্থগিত রয়েছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন কমিটি গঠন করা হবে। আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বয়স ৪০ বছরের বেশি হওয়ার বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি বলেন, আগামী ২০৩১ সালের মধ্যে এনসিপিকে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে হবে। সে লক্ষ্য সামনে রেখে এখন থেকেই তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে হবে।

এদিকে কোম্পানীগঞ্জ থেকে এনসিপির নেতা মামুন নায়েকের নেতৃত্বে একটি দল নোয়াখালী জেলা এনসিপির এ কর্মসূচিতে অংশ নেয়।মামুন নায়েক বলেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করতে এনসিপির বিকল্প নেই। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তারা কাজ করে যাচ্ছেন।

আগামী দিনে কোম্পানীগঞ্জের মাটিকে এনসিপির শক্ত ঘাঁটিতে পরিণত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “ইনশাআল্লাহ, কোম্পানীগঞ্জের মাটি এনসিপির ঘাঁটি হবে।”কর্মশালায় নেতৃবৃন্দ সাংগঠনিক ঐক্য, দক্ষ নেতৃত্ব তৈরি, তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন বিস্তৃত করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.