ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : ভাঙনের ছোট ফেনী নদী, ভাঙা জীবনের আর্তনাদ, কোম্পানীগঞ্জের দুই ওয়ার্ডের দীর্ঘ বেদনার কাহিনী: তরমুজ ক্ষতি শেষে গরু চুরি-চরপার্বতীতে উদ্যোক্তা বাবুর হতাশা,নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন: বেগমগঞ্জে তিন ইটভাটাকে অর্থদণ্ড: বেগমগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন: কোম্পানীগঞ্জে বৈশাখের বর্ণিল আবাহন ঐতিহ্য, উৎসব আর মানুষের মিলনমেলা শুভ নববর্ষ ।। মোঃ হাসান বিন ইউসুফ ।। আমি বিদ্রোহ! মোঃ হাসান বিন ইউসুফ কোম্পানীগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট মধ্যরাতে রান্না জনজীবন বিপর্যস্ত: ছোট ফেনী নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে চরপার্বতীর ৯ নং ওয়ার্ড,আতঙ্কে নদীতীরের জনগোষ্ঠী: নোয়াখালীর কবিরহাটে নিখোঁজের দুই দিন পর ইটভাটা শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার:

কোম্পানীগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট মধ্যরাতে রান্না জনজীবন বিপর্যস্ত:

কোম্পানীগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট মধ্যরাতে রান্না জনজীবন বিপর্যস্ত:

কোম্পানীগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট মধ্যরাতে রান্না জনজীবন বিপর্যস্ত:

নব জ্যোতি রিপোর্ট ডেস্ক:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় তীব্র গ্যাস সংকটে জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনের বেশির ভাগ সময় বাসাবাড়ির চুলায় গ্যাস না থাকায় স্বাভাবিক রান্নাবান্না ব্যাহত হচ্ছে ।এমনকি রাতে পর্যাপ্ত চাপ না থাকায় অনেক পরিবারকে মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করে রান্না করতে হচ্ছে। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন গৃহিণী, শিশু ও বয়স্করা।

সরেজমিনে, ভুক্তভোগী, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রতিদিন রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে গ্যাসের চাপ হঠাৎ করে কমে যায়, অনেক সময় লাইন প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে। সন্ধ্যার পর চুলা নিভু নিভু করে জ্বলে, আবার কখনো পুরো দিনই গ্যাস থাকে না।

পৌরসভার এক বাসিন্দা, পেশায় স্কুলশিক্ষক, বলেন, “আমরা স্বামী-স্ত্রী দুজনেই সকালে স্কুলে যাই। গ্যাস না থাকায় প্রায়ই নাস্তা করা হয় না। রাতে রান্না করা ঠান্ডা খাবার নিয়েই দুপুর পার করতে হয়। এমন দিনও গেছে, দুপুরে না খেয়েই থাকতে হয়েছে।” তিনি আরও জানান, লাইনের গ্যাস থাকা সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। অনেক পরিবার সারাদিন গ্যাস না পেয়ে বিকল্প হিসেবে ছাদ বা উঠানে মাটির চুলা তৈরি করে কাঠ-খড়ি জ্বালিয়ে রান্না করছেন। অনেকে আবার খাবারের জন্য হোটেল-রেস্তোরাঁর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন, ফলে সেখানেও বাড়ছে ভিড়।গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়ছে দৈনন্দিন জীবনের সব ক্ষেত্রেই। শিশুদের স্কুল-কলেজে যাওয়া, বয়স্কদের নিয়মিত খাবার গ্রহণ, এমনকি স্বাভাবিক পারিবারিক জীবনও ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের বসুরহাট অফিসের সহকারী প্রকৌশলী আমান উল্যাহ বলেন,বর্তমানে সারা দেশেই গ্যাস সংকট রয়েছে। ফেনী অঞ্চলের ট্রান্সমিশন লাইন থেকেই চাপ কমে যাচ্ছে। আমরা সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।তবে স্থানীয়দের দাবি, এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান জরুরি। অনেকের মতে, কোম্পানীগঞ্জের গ্যাস ক্ষেত্র থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা গ্যাসের একটি অংশ স্থানীয়ভাবে সংযুক্ত করা হলে সংকট অনেকটাই কমে আসতে পারে।এলাকাবাসী আশা করছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলাম দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিলে এ ভোগান্তির অবসান ঘটবে।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.