ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কোম্পানীগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত: কোম্পানীগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিতঃ মুছাপুর ক্লোজার নির্মাণ না হওয়া পর্যন্ত বাংলাবাজার সেতুর নিচে ডুবোবাঁধের প্রস্তাব: ইসলাম কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের সমার্থক নয়’- মোঃ নাসির চৌধুরী: নবগঠিত অ্যাডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা, শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ: নোয়াখালী শহরে ২নং ওয়ার্ডে ইসলামী ছাত্র মজলিসের উদ্যোগে ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত: কোম্পানীগঞ্জে ‘উদয় বৃত্তি-২০২৬’ উদ্বোধন,শুরু হলো রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম: স্বাধীনতার ৫৫ বছরে বাংলাদেশ উন্নয়ন হয়েছে,কিন্তু ইসলামী শিক্ষা ও নৈতিক রাষ্ট্র গঠনে কতটা অগ্রগতি? ছোট ফেনী নদীর তীব্র স্রোতে চরপার্বতীতে ভাঙন আতঙ্ক, দ্রুত মুছাপুর ক্লোজার নির্মাণের দাবি: ।।ভার্চুয়াল বন্ধুত্ব, বাস্তব জীবনের ঝুঁকি: সম্পর্ক রক্ষায় সচেতন হই।। ---------মোহাম্মদ উল্যা মিরাজ --------

ছোট ফেনী নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে চরপার্বতীর ৯ নং ওয়ার্ড,আতঙ্কে নদীতীরের জনগোষ্ঠী:

ছোট ফেনী নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে চরপার্বতীর ৯ নং ওয়ার্ড,আতঙ্কে নদীতীরের জনগোষ্ঠী:

ছোট ফেনী নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে চরপার্বতীর ৯ নং ওয়ার্ড, আতঙ্কে নদীতীরের জনগোষ্ঠী:

নব জ্যোতি রিপোর্ট ডেস্ক:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ২ নম্বর চরপার্বতী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের পূর্ব অংশে ছোট ফেনী নদীর ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও স্থানীয়দের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরে নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বসতঘর নদীতে তলিয়ে গেছে এবং অনেক পরিবার চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

আসন্ন বর্ষা মৌসুম শুরু হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তারা বলছেন, বর্ষার শুরুতেই পুরো এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত একাধিক পরিবার জানান, তারা বহুবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট ও বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া নিউজের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরা হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ ফখরুল ইসলাম এবং কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। এতে করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বাড়ছে।

নদীতীরবর্তী জনপদের মানুষ এখন চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। ঘরবাড়ি হারানোর শঙ্কায় অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে রয়েছেন।

দ্রুত টেকসই বাঁধ নির্মাণসহ জরুরি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে পুরো এলাকা মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.