ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : মুঃ ইব্রাহিম খলিল জসিম এর কবিতা দাগনভূঞা বিশ্ব প্রবীণ দিবস পালন। ডিজিটাল প্রেম ।। মোহাম্মদ উল্যা মিরাজ আজ বিশ্ব বয়ফ্রেন্ড দিবস: আবেগ নয়,সম্পর্ক হোক দায়িত্বশীল সংসার টেকে ভালোবাসায়,ভাঙ্গে অবিশ্বাসে ;দায় কার? কোম্পানীগঞ্জে সড়ক সংস্কারের ট্রাকের ধাক্কায় এক বৃদ্ধার মৃত্যু মুছাপুর রেগুলেটর:এক জনপদের দীর্ঘ স্বপ্ন, বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে এবং আলোচনায় এম পি ফখরুল মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ইতিহাসের অংশ ফখরুল ইসলাম আইন ও মানবতার অনবদ্য জয়: অপবাদ ও অন্ধকারের মেঘ কেটে উজিরপুরের অদম্য তুবা এখন ক্লাসরুমে মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে চাই নৈতিক জাগরণ মোহাম্মদ উল্যা

মুঃ ইব্রাহিম খলিল জসিম এর কবিতা

মুঃ ইব্রাহিম খলিল জসিম এর কবিতা

[10/1, 9:33 AM] Ibrahim khalil: ​জল আর মাটির সেতুবন্ধন

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​ফেনী নদীর মোহনা ঘেঁষে, যেখানে জোয়ার জাগে,

ছোট ফেনীর বুকে জাগে আশা, মিঠে রোদের আগে।

মুছাপুরের বুক জুড়ে দাঁড়িয়ে এক বিশালাকার রেগুলেটর,

নোনা জলের বুক চিরে আনে মিষ্টি পানির বর।

​একদিন যেখানে ভেঙেছে তটকুল, ভেসেছে নোনা জলে,

আজ সেখানে সবুজ ফসল হাসে কৃষকেরই কোলে।

রেগুলেটরের কপাট খোলে, জলধারা বয়ে যায়,

উপকূলের প্রাণগুলো যেন নতুন এক আশ্বাসের গান গায়।

​আকাশছোঁয়া স্বপ্ন নিয়ে মাটির বাঁধের সারি,

ঝাউবনের ঐ স্নিগ্ধ বাতাসে মন করে উড়াল-পাড়ি।

নদীর রূপ আর শান্ত রূপালী জলচ্ছবির সাথে,

মুছাপুর জেগে থাকে আলো আর জলতরঙ্গের রাতে।

​নোনা জলের সাথে মানুষের চিরন্তন সেই যুদ্ধ,

রেগুলেটরে এসে থেমে যায়, জীবন হয় সমৃদ্ধ।

ক্ষুদ্র ফেনীর বুক জুড়ে তুমি এক নির্ভরতার নাম,

মুছাপুর, তোমাকে জানাই আমার সশ্রদ্ধ সালাম।

[10/1, 9:33 AM] Ibrahim khalil: কাশফুলের হাসি

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​শরতের মেঘ ভেসে যায় দূরে,

আকাশের নীল ছোঁয়া আঙিনায়,

বাতাসের টানে মেতে ওঠে দোলে

কাশফুল নদীরই মোহনায়।

​তুলোর মতো ধবধবে শ্বেত রূপ,

নরম ছোঁয়ায় ঝরে পড়ে আলো,

শরৎ এসে ফিসফিস করে বলে—

"পৃথিবী, তোমায় লেগেছে খুব ভালো।"

​নদীর ধারে রূপালী এক মেলা,

হাওয়া এলে মেতে ওঠে নাচে,

মন যেন এক নিমিষেই হারিয়ে যায়

ওই কাশবনের মিষ্টি ছায়ার কাছে।

​মেঘের সাথে লুকোচুরি খেলে রোদ,

কাশের চুলে শিশির ছড়ায় হাসি,

শরতের এই স্নিগ্ধ রূপ দেখে

তোমায় আমি বড্ড ভালোবাসি।

[10/1, 9:33 AM] Ibrahim khalil: ব্যক্তিত্বের প্রেমে পড়া

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​রূপের আলো মিলায় ধীরে সময়ের টানে,

আসল সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকে মনের গহীনে।

বাহ্যিক এই চকমকিতে চোখ ধাঁধায় শুধু,

তোমার ব্যক্তিত্বের প্রেমে জাগে হৃদয় ব্যাকুল।

​কথার মাঝে মার্জিত সুর, চিন্তায় গভীরতা,

প্রতিটি পদক্ষেপে স্পষ্ট এক দারুণ শুভ্রতা।

চেহারার ওই মোহের চেয়েও অচেনা এক টান—

তোমার আত্মমর্যাদায় সঁপেছি আজ প্রাণ।

​শালীনতার শান্ত ছায়ায় অমলিন তোমার হাসি,

তোমার বিচার-বোধটাকেই সবচেয়ে ভালোবাসি।

চোখের আলো ঝাপসা হবে, চামড়া হবে কুঁচকানো,

কিন্তু ব্যক্তিত্বের স্নিগ্ধতা থাকবে আজীবন সাজানো।

​রূপের প্রেমে বিচ্ছেদ থাকে, বদলায় তার রঙ,

ব্যক্তিত্বের প্রেমে জড়িয়ে থাকে অদ্ভুত এক সঙ্গ।

বাহ্যিকতার ঊর্ধ্বে গিয়ে যে প্রেমের শুরু,

সেই অনুরাগেই আজ আমার হৃদয় দুরুদুরু।

[10/1, 9:34 AM] Ibrahim khalil: ব্যক্তিত্বের অনুরাগে

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​রূপের আলো মিলায় ধীরে, সময়েরি টানে,

আসল রূপ তো লুকিয়ে থাকে আত্মোপলব্ধির গানে।

বাহ্য রূপের চকমকিতে মুগ্ধ হবার দিন শেষ,

তোমার ব্যক্তিত্বের স্নিগ্ধ ছোঁয়ায় মেটে সব রেশ।

​কথার মাঝে গভীরতা, চিন্তায় অসীম আলো,

তোমার এমন ব্যক্তিত্বই বাসতে শেখায় ভালো।

তোমার যে রূপ চোখের পলকে মোহিত করে না শুধু,

মনকে আমার ভরিয়ে দেয়, মেটায় তৃষ্ণা ধুধু।

​শালীনতা আর আত্মমর্যাদার দৃঢ় যে এক প্রাচীর,

তারি মাঝে খুঁজে পাই এক আশ্রয় অচীর।

তোমার চলন, তোমার বলন, তোমার বিচার-বোধ,

প্রতিটি পদে শোধ করে দেয় মনের জমে থাকা ক্ষোভ।

​রূপের রঙ তো বদলে যায়, ফিকে হয় রঙ তার,

কিন্তু তোমার ব্যক্তিত্ব যে অমলিন উপহার।

বাহ্যিকতার ঊর্ধ্বে গিয়ে যার গভীরে হারায় মন—

এমন ব্যক্তিত্বের প্রেমেই বেঁচে থাকে সারাজীবন।

[10/1, 9:34 AM] Ibrahim khalil: এক সুতোর বাঁধন

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​হাতে হাত রেখে হাঁটার পথে,

দুটি প্রাণ মেশে একটি রথে।

সুখ-দুঃখের মেঘ-রোদ্দুর মেখে,

সংসার সাজে ভালোবাসার সুখে।

​ঝড় আসলে থমকে দাঁড়ায় মেঘের ছায়া,

তবু আঁকড়ে ধরে অদৃশ্য এক স্নেহের মায়ায়।

সামান্য ভুলেই অভিমানের সুর,

একটু হাসিতেই আঁধার হয় দূর।

​স্বার্থের উর্ধ্বে যেখানে প্রাণের টান,

একজনের কষ্টে অন্যজনের কাঁদে পরান।

বয়স বাড়ুক, চুলে আসুক শুভ্র রঙ,

অটুট থাকুক মনের রঙিন ঢং।

​স্বামী-স্ত্রীর এই নির্ভরতার মেলা,

জীবনস্রোতে এক সাথে পার করে বেলা।

শ্রদ্ধা আর বিশ্বাসের শেষ সীমানায়,

দুটি নদী যেন এক সাগরে মেশায়।

[10/2, 8:03 AM] Ibrahim khalil: আলো মতি প্রেম কুমার

---------------------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

বুকের কোণে জমে থাকে মেঘ, চোখে নাম বৃষ্টি,

আলো মতি, তুমি কি বোঝো প্রেম কুমারের সৃষ্টি?

তুমি যদি হও ভোরের আলো, মিটিয়ে রাতের আঁধার,

আমি তবে প্রেম কুমার—তোমার ছায়াতেই বাঁধব ঘর আমার।

​আলো মতি, তোমার হাসি পদ্মপাতায় জল,

প্রেম কুমারের শূন্য হৃদয়ে জাগায় তোলপাড়।

এক ফোঁটা প্রেম দাও যদি তুমি বাড়িয়ে দুটি হাত,

তোমার আলোয় কাটাব আমি হাজার দিনের রাত।

​আলো মতি হয়ে আলো জ্বালো আমার অন্ধকূপে,

প্রেম কুমার রইল বসে কেবল তোমারি রূপ ধরে।

অসীম এ প্রেমে বেঁধে রাখো আমায় তোমার রঙিন সুতায়,

আমাদের এই ভালোবাসার গল্প যেন কখনো না ফুরোয়।

[10/2, 8:05 AM] Ibrahim khalil: সুজন সখি

----------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​আম কুড়ানোর দিনগুলি আজ হারিয়ে গেছে কোন সুদূরে,

সখি তোর নামটি আজও বাজে রে মোর বাঁশীর সুরে।

চলতি পথে হঠাৎ করে থমকে দাঁড়ায় স্মৃতির নদী,

তুই কি আজও অপেক্ষাতে?

ফিরে আসতিস আবার যদি!

​শৈশব আর কৈশোরেরই ধুলোমাখা রঙিন পথ,

একসাথে তো চলত দুজন, থামত না যে প্রেমের রথ।

সুজন হয়ে রাখব ধরে তোর দুখানি ভালোবাসার হাত,

তোর হাসিতেই জীবন আমার, তুই ছাড়া যে কালবোশেখী রাত।

​তুই তো আমার সুজন সখি, তুই যে আমার পরানপাখি,

তোর প্রেমেতেই বাঁধা পড়ুক আমার এ দুই তৃষ্ণার্ত আঁখি।

যুগের পর যুগ কেটে যাক, বদলাবে না এ বন্ধন,

তোর হাসিতেই বাঁচুক সখি, আমার এ দূর পরানের স্পন্দন।

[10/2, 8:06 AM] Ibrahim khalil: জোছনা

------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

জোছনা গো জোছনা, তুমি নদীর কূলের পাখি,

তোমার চোখের কালোয় বুঝি গভীর মায়াই মাখি।

হাতে তোমার সাপের ঝাঁপি, পায়ে মল বাজে,

হিজল তলার মেঠো পথে যাও গো সন্ধ্যাকাঝে।

​বাঁশীর সুরে বশ করেছ বিষধর কালসাপ,

বুকে তোমার জড়িয়ে রাখা গোপন কোনো তাপ।

রাজপ্রাসাদের সুখ ছেড়েছো রূপার বাঁশীর টানে,

তোমার কথা আজো বাজে গাঁয়ের মানুষের গানে।

​জোছনা গো জোছনা, তুমি মাটির রাজকন্যা,

তোমার রূপের ঢেউয়ে ভাসে নদীর কূলের বন্যা।

ঝাঁপি খুলে রূপ ফুটিয়ে হারিয়ে গেলে দূরে,

আজো তোমায় খুঁজে বেড়াই বাঁশীর করুণ সুরে।

[10/2, 8:07 AM] Ibrahim khalil: সখি, তুমি কার?

---------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​সখি, তুমি কার?

কোন অজানা সুদূর পারের

স্বপ্নের অংশীদার?

কার অনুরাগে তোমার নয়নে

দীপ্তির আনাগোনা,

কার স্পর্শে ব্যাকুল হৃদয়

গোপনে গুণছে সোনা?

​তুমি কি শুধুই ভোরের আলোয়

ফুটে থাকা এক ফুল?

নাকি কারো গানে সুর হয়ে মেশা

গোপন ব্যাকুল ভুল?

চাঁদের আলোয় কার ছায়া খুঁজে

চেয়ে থাকো মাঝরাতে,

কার হাতটি রাখার আকুলতা

তোমার ব্যাকুল হাতে?

​সখি, তুমি তো কারো একার

গোপন দীর্ঘশ্বাস,

কারো হৃদয়ে বুনেছো হয়তো

সুখের নীলাকাশ।

যদি কখনো থমকে দাঁড়াও

পথের কোনো বাঁকে,

জেনে রেখো তুমি রূপ নিয়েছো

প্রিয় কারো অনুরাগে।

​সখি, তুমি কার?

উত্তর নেই জানি,

তবুও তোমায় নিজের মতো

অনন্তকাল মানি।

[10/2, 8:08 AM] Ibrahim khalil: রুপসি ললনা

-------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

নীল শাড়িতে জড়িয়ে শরীর, রূপের নেইকো শেষ,

হাওয়ায় ওড়ে কালো অলক, মেঘের মতো কেশ।

চোখের কোণে কাজল কালো, যেন আঁধার রাতি,

হাঁসির মাঝে ছড়িয়ে পড়ে হাজার চাঁদের বাতি।

​হেঁটে চলো ছন্দতুলে, নূপুর বাজে পায়ে,

বসন্তের-ই মাতাল হাওয়া তোমার ছোঁয়া পায়।

কাজলচোখে মায়াজাল, ঠোঁটে গোলাপ লাল,

রূপসী তুমি অনন্য রূপের অনন্য এক খামখেয়াল।

​গোলাপ কুঁড়ির মতো মিষ্টি তোমার মুখের হাসি,

রূপসী ললনা, তোমায় বড্ড ভালোবাসি।

[10/2, 8:10 AM] Ibrahim khalil: ভালো লাগা থেকে ভালোবাসা

-----------------------------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​হঠাৎ দেখতে পাওয়ার একটুখানি হাসি,

কোনো এক অজানা টানে কাছে আসার শখ,

ভাবতাম ওটাই বোধহয় শুধুই ভালো লাগা,

একটুখানি মুগ্ধতা আর চোখের রঙিন চশমা।

​তারপর কখন যে দিন কেটে রাত নামলো,

তোমার খবর না পেলে বুকের ভিতর খাঁ খাঁ করলো,

অভিমানের কালো মেঘ জমে বৃষ্টি নামলো চোখে,

তোমার একটু স্পর্শ পেতে মন আনচান করলো সবিকে।

​বুঝিনি তো কখন যে ওই ভালো লাগার নদী,

ভালোবাসার গভীর সাগরে মিশে গেছে নিরবধি।

এখন আর ওটা শুধুই ক্ষণিক মুগ্ধতা নয়,

তুমিহীন এই বাঁচাটা বড্ড অসমাপ্ত মনে হয়।

​ভালো লাগা ছিল শুধুই এক মিষ্টি সকালের রোদ,

আর ভালোবাসা হলো সারাজীবন পাশে থাকার শপথ।

[10/5, 12:50 AM] Ibrahim khalil: পারতো না কেউ বুঝাতে

---------------------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

বুকের ভিতর জমা হয়ে থাকে

কত শত না-বলা কথা,

কেউ তো কখনো পড়তে পারেনি

এই অনুভূতির নীরবতা।

​বলতে গেলেই শব্দ হারায়,

অগোছালো হয়ে যায় সুর,

যার কাছে আমি প্রকাশ পেতে চাই

সে নিজেই যে বড় দূর।

​চোখের ভাষায় কি সবটুকু লেখা যায়?

নাকি নীরবতার কোনো ছন্দ হয়?

পারলো না কেউ কখনো বুঝতে,

এই মন ঠিক কতটা নিঃসঙ্গ রয়।

​সহজ আলোয় যে রূপটি দেখো,

তা তো কেবলই এক ছায়াবৃত্ত,

গভীরে লুকিয়ে থাকা যে মায়াজাল

তা তো রয়ে গেল চির-অব্যক্ত।

​পারতো না কেউ বুঝাতে আমায়,

পারবে না হয়তো আর কোনোদিন,

আমার আমিটা আমার ভেতরেই থাক,

একলা, নীরব, ঋণাত্মক ও অলীন।

[10/5, 12:52 AM] Ibrahim khalil: আমার শুধু তোমাকে চাই

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​ঝড়-ঝাপটার এই পৃথিবীতে

আর কিছু তো চাই না আমি,

হাজার ভীড়ের রঙিন খেলায়

একলা তুমিই সবচেয়ে দামী।

​চাই না কোনো রাজপ্রাসাদ,

চাই না সোনার মুকুট মাথায়,

তোমার একটু ছায়ায় কাটাই—

আমার জীবন এমন চাওয়ায়।

​সুখ-দুঃখের অলিগলিতে

যদি চলি হাতটি ধরে,

তবেই আমার জগৎ পূর্ণ,

হাসুক জীবন আলো করে।

​পৃথিবী তার চলুক নদী,

আকাশ কাঁদুক মেঘের সাজে,

আমার শুধু তোমাকেই চাই—

সন্ধ্যা-সকাল, সকল কাজে।

হাজার রঙের এই জগতে

আর কিছু তো চাই না আমি,

শত মানুষের রঙিন মিছিলে

তুমি আমার সবচেয়ে দামী।

​চাই না কোনো রাজপ্রাসাদ,

চাই না সোনার মুকুট মাথায়,

তোমার একটু ছায়ায় বাঁচি—

আমার জীবন এমন চাওয়ায়।

​সুখ-দুঃখের অলিগলিতে

চলতে চাই হাতটি ধরে,

তোমার হাসির এক ঝলকে

আমার পুরো জগৎ ভরে।

​আকাশ জুড়ে মেঘ জমুক,

কিংবা ঝরুক শ্রাবণ-ধারা,

তোমার মাঝে হারিয়ে থাকি—

তুমি ছাড়া সব দিশাহারা।

​দিন শেষে তাই একটাই সুর,

একটাই কথা মন বলে যায়,

এই জীবনে শেষ বিকেলেও—

আমার শুধু তোমাকেই চাই।

[10/5, 12:53 AM] Ibrahim khalil: বেলি ফুলের মালা

--------------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

সন্ধ্যার হাওয়ায় ছড়িয়ে পড়ে স্নিগ্ধ গন্ধ তার,

সাদা পাপড়িতে সাজানো প্রেমের শুভ্র উপহার।

আঙুলের ছোঁয়ায় সুতোয় বাঁধি প্রতিটি বেলি ফুল,

মালায় মালায় গেঁথে দিলাম হৃদয়ের আকুল।

​এক একটা কুঁড়ি যেন এক একটা মিষ্টি কথা,

সুতোয় সুতোয় জড়িয়ে রয় লুকানো ব্যাকুলতা।

খোঁপায় তোমার উঠবে ফুটে এই সুবাসের মেলা,

তোমার রূপের ছোঁয়া পেয়ে ধন্য বেলির মালা।

​পাপড়ি যত ঝরুক না কেন, কাটবে না এই সুর,

বেলির গন্ধে ভরিয়ে দেব প্রেমের অণুগোচর।

হাতটি বাড়িয়ে নাও গো তুমি, পরিয়ে দিই গলে,

কবিতা আমার ফুল হয়ে আজ তোমার কথা বলে।

[10/5, 12:55 AM] Ibrahim khalil: কলেজ আঙিনা

----------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

মুজিব কলেজের আঙিনায়,

হঠাৎ থমকে দাঁড়াল দুটি চোখ,

নজরে ভাসল কমন রুমের বারান্দা—

মুহূর্তেই মনে জাগল দখিন হাওয়ার চঞ্চল স্ফুরণ।

​দূর থেকে দেখে আনমনে প্রশ্ন জাগে মনে,

“কে তুমি দাঁড়িয়ে আছো ওখানে, অতখানি রূপের মায়ায়?”

কৌতূহলী হৃদয়ে যখন জবাব খুঁজে ফিরলাম,

তখনই উত্তর এল বাতাসে ভেসে—

এরশাদ মঞ্জিলের সাজানো ঘরেই নাকি

তোমার মিষ্টি এক রাজকীয় বসবাস।

[10/5, 12:58 AM] Ibrahim khalil: শুধু তুমি

------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​আকাশে যখন নামেন রে রাত, চাঁদের আলো ছড়ায় মেখে,

আমার এ মন ব্যাকুল হয়ে কেবল তোমায় খোঁজে ডেকে।

হাজার লোকের এই ভিড়েতে চোখ দুটো মোর খোঁজে যারে,

হৃদয়মাঝে লুকিয়ে থাকা গোপন ভালোবাসার দ্বারে—

সে তো শুধু তুমি, প্রিয়, শুধু তুমি।

​রোদের আলোয় হেসে ওঠা স্নিগ্ধ কোনো ভোর,

তোমার রূপের জাদুতে আজ মন হয়েছে বিভোর।

দুঃখের মাঝে সুখের পরশ, তপ্ত মরুর ছায়া,

বুকের ভেতর জড়িয়ে রাখা একি মধুর মায়া!

সে তো শুধু তুমি, প্রিয়, শুধু তুমি।

​ঝড় উঠলে আমার মনে, তুমিই শান্ত নদী,

চলব আমি জীবনপথে তুমি সাথে থেকো যদি।

আমার সকল প্রার্থনা আর বেঁচে থাকার গান,

তুমি আমার চোখের জ্যোতি, তুমিই আমার প্রাণ।

আমার কাব্য, আমার ছন্দ, সুরের মাঝে তুমি,

আমার সমস্ত বিশ্বজুড়ে আছো শুধু তুমি।

তুমি শুধু তুমি, রূপসী ভোরের আলো,

তোমার ওই হাসিতেই জগৎটা বাসবো ভালো।

জোছনা রাতে তুমি আমার নীল আকাশের তারা,

তোমার ছোঁয়ায় মনটা আমার হয় যে বাঁধনহারা।

​হাজার ভিড়েও তুমি আমার একলা থাকার গান,

তুমি আমার স্বপ্নডানা, তুমিই আমার প্রাণ।

ঝুম বৃষ্টিতে তুমি আমার প্রথম দেখার সুখ,

সব ক্লান্তি মুছে দেয় তোমার মায়াভরা মুখ।

​তুমি শুধু তুমি, অন্য কারো নয়,

তোমার মাঝেই আমার এ বুক খুঁজে পাক জয়।

[10/5, 12:59 AM] Ibrahim khalil: নবীর পাগল

-----------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​নবীর নামে জপলে জিকির

পরাণ জুড়িয়ে যায়,

পাগল হয়ে সেই মদিনার

সুবাস পেতে চায়।

​সোনার মদিনা দেখার আশে

আঁখি দুটি ভেজে,

নবীর প্রেমের রঙিন আলোয়

মনটা ওঠে সেজে।

​দয়াল নবীর দরুদ পড়ে

হৃদয় মাঝে জ্বলে আলো,

জগতের এই অন্ধাকারে

বাসি তাঁরেই ভালো।

​ইচ্ছা করে পাখির মতো

মেলিয়া দুই ডানা,

উড়ে যাই সেই মদিনাতে

নেই যে সেথায় মানা।

​নবীর পাগল নামটি আমার

ধন্য এ মোর তনু-মন,

নবীর শাফায়াত যেন পাই

আখেরাতে অনুক্ষণ।

[10/5, 1:00 AM] Ibrahim khalil: স্মৃতির বারান্দায় কলেজ জীবন

------------------------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​প্রথম দিনের নতুন পোশাক, বুকে চিনচিনে ভয়,

অচেনা সব মুখগুলোর মাঝে থমকে দাঁড়ানো সময়।

আস্তে আস্তে বরফ গলে, শুরু নতুন গান,

ক্লাসরুমের ওই শেষ বেঞ্চে বাঁধনহারা প্রাণ।

​ক্যান্টিনের ওই ধোঁয়া ওঠা চা, শিঙাড়ার কামড়,

স্যারদের চোখ এড়িয়ে গিয়ে হালকা কিছু গোলমাল।

সামনে এসাইনমেন্টের পাহাড়, পরীক্ষার চিন্তা,

তবুও হাসির তোড়ে ভেসে যায় দুশ্চিন্তার দিনটা।

​লাইব্রেরির ওই নীরব কোণে চোখাচোখি একটু,

হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেওয়া গোপন কিছু গল্প।

ছুটির ঘণ্টার শব্দে যেন মিষ্টি সুরের গান,

বন্ধুদের সাথে আড্ডাতে জুড়িয়ে যেত প্রাণ।

​ফরম পূরণ, বিদায় অনুষ্ঠান—হঠাৎ এল দিন,

সবাই যেন হয়ে গেলাম স্মৃতির কাছে ঋণ।

ক্যাম্পাসের এই সবুজ ঘাস, সিঁড়ির প্রতিটি ধাপ,

হৃদয়ে লিখে রেখে গেল রঙিন এক ছাপ।

​বিদায় বলা সহজ নয়, চোখে জলের ধারা,

তবুও বুকে বাঁচে স্মৃতি, জীবনভর দিশাহারা।

কলেজ জীবন শেষ হলেও কাটে না তার রেশ,

মায়ায় ভরা সেই দিনগুলো সেরা আর অশেষ।

[10/5, 1:02 AM] Ibrahim khalil: স্বপ্নের সমান বড়

-----------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

​আকাশের মতো নীল, সমুদ্রের মতো অসীম,

মানুষ তো ততখানি, যতটুকু স্বপ্ন সে দেখে প্রতিদিন।

ছোট ছোট ভাবনায় বাঁধা যার মন,

তার পৃথিবীটাও অতি ছোট, সংকীর্ণ জীবন।

​যে মানুষ চোখে আঁকে নক্ষত্র ছোঁয়ার ছক,

পাহাড় ডিঙানো গান যার কণ্ঠে অবিরত বাজে নিঃশব্দে—

তার পথ রোধে সাধ্য কার?

স্বপ্নের আয়তনে তৈরি হয় তার আসল বিস্তার।

​সীমানা তো মাটির, কিন্তু আত্মার তো কোনো দেয়াল নেই,

যে যত বড় স্বপ্ন বুনে, সে ততখানি মহীয়ান হয় এই বিশ্বেই।

ছোট ঘরে বসেও যে ছোঁয় গ্যালাক্সির সীমানা,

তার চেতনার উচ্চতা মেপে শেষ করা যায় না।

​তাই স্বপ্ন দেখো অগণিত, ডানা মেলো দূর দূরান্তে,

নিজের ভেতরে লুকিয়ে থাকা বিশালত্বকে জানতে।

কারণ স্বপ্নের আয়তন যতখানি বিশাল ও প্রখর,

মানুষ ঠিক ততখানিই হয় মহান ও মহত্তর।

[10/5, 1:04 AM] Ibrahim khalil: বহু বছর পরে

--------------------

মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম

বহু বছর পরে যদি কেউ সে কথা শুধায়,

বলব, "হ্যাঁ, ভালোবেসেছিলাম তায়।"

সে প্রেম কপালে ছিল না, ভাগ্যে মেলেনি স্থান,

তবু আজও মনের গহীনে সে এক অমর গান।

​হয়তো শেষ পাতায় লেখা হয়নি মিলন-কথা,

রেখে গেছে কেবলই কিছু মিষ্টি মধুর ব্যথা।

রেখেছি তারে খুব গোপনে, বুকের বাম পাশে,

যেখানে কেউ কোনো দিন পৌঁছাতে না পারে।

​ভাগ্যের খেলায় সে আজ বহু দূর দেশে,

তবু ভালোবাসা রয়ে গেছে নিরবধারার বেশে।

কপালে যা ছিল না, তা তো মিলবে না জানি,

তবু মনের ভেতর সে-ই আমার রাজকন্যা/রাজা, সে-ই মোদের বাণী।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.