নিজস্ব প্রতিবেদক:
নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাট) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন পএিকা ও ইউটিউব চ্যানেলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ নিয়ে ৭ নভেম্বর বিকেল ৪টায় নিজ বাসভবনে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকার সাংবাদিকদের সঙ্গে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “গত কয়েক দিন আগে অখ্যাত একটি ইউটিউব চ্যানেল থেকে আমার বিরুদ্ধে বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক সংবাদ প্রচার করা হয়েছে। তদুপরি কিছু প্রিন্ট মিডিয়া পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এইসব অভিযোগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।”
তিনি আরও বলেন, “আমি আগেও বলেছি—আমি যদি এক টাকাও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত থাকি, তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব। কিন্তু যখনই আমি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে কথা বলি, তখনই একটি কুচক্রী মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু করে।”
নিজেকে ‘জামায়াত সংশ্লিষ্ট’ বলে প্রচার বিষয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমি জামায়াতের কোনো দায়িত্বশীল নই। আমি সরকারি মুজিব কলেজ (বর্তমান কোম্পানীগঞ্জ সরকারি কলেজ)-এর ভিপি প্রার্থী ছিলাম, পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শেষে মাইগ্রেশন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি। আমি ৪১ বছর ধরে ব্যবসা করছি, নিয়মিতভাবে কর প্রদান করছি। আমার বিরুদ্ধে দুদক বা অন্য কোনো তদন্ত সংস্থার আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ নেই।”এস আলম গ্রুপের এর সাথে আমার নুন্যতম সম্পর্ক নেই। পএিকায় প্রকাশ সংবাদ মিথ্যা। মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম আরো বলেন, “হেফাজতের একটি অনুষ্ঠানে আমাকে ভুলভাবে জড়িয়ে নাশকতার মামলায় পল্টন থানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কিন্তু পরে প্রশাসনও স্বীকার করেছে—আমি সেখানে কোনো আর্থিক লেনদেনে জড়িত ছিলাম না। ফ্যাসিবাদী আমলে জেল খাটতে হয়েছে, তবুও আমি ন্যায় ও সত্যের পথে আছি।”
তিনি আরও বলেন, “আমি ২০০১ সালে প্রয়াত মওদুদ আহমদের পক্ষে বসুরহাট হাই স্কুল মাঠে খালেদা জিয়ার জনসভায় উপস্থিত ছিলাম। বিএনপির জন্য সর্বোচ্চ ইফতার পার্টি আয়োজন করেছি। দল ও জনগণের ভালোবাসাই আমার শক্তি।”
গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান—“বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশন করুন। অপসাংবাদিকতা ও হলুদ সাংবাদিকতা বর্জন করে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কলম ধরুন।”
এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, তিনি কি মানহানি মামলা বা জিডি করেছেন কিনা—এর জবাবে ফখরুল ইসলাম বলেন, “আমি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের কাছে আমার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
শেষে তিনি বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ব্যবসার সঙ্গে আছি, কোনো অনিয়মে জড়াইনি। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কিছু কুচক্রী মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি—আল্লাহ ও জনগণ আমার পাশে আছেন, সত্য একদিন উন্মোচিত হবেই।”সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি সাবেক উপজেলা সাধারন সম্পাদক আফতাব আহম্মেদ
বাচ্ছু,কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিএনপির
সাবেক সভাপতি আবদুল হাই সেলিম, বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল মতিন লিটন, পৌর বিএনপি সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল মামুন,উপজেলা বিএনপি নেতা একরামুল হক মিলন সহ আরো অনেক নেতা কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
Comments (0)
Be the first to comment on this article.
Leave a comment