ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : ছোটগল্প: নিহা ও একটি অদৃশ্য উপাখ্যান। একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্প অনুমোদন মুছাপুরে উৎসবের আমেজ সন্তানের সঠিক পথচলায় অভিভাবকদের সচেতনতা অপরিহার্য: সহকারী অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ আমার মেয়ে। কবি আল হেলাল। কবি মুঃ ইব্রাহিম খলিল জসিমের কবিতার মেলা। গ্রাম আদালত সক্রিয় হলে সহজে বিচার পাবেন গ্রামের মানুষ: নোয়াখালীতে সমন্বয় সভা কবি কুতুবউদ্দিনের একগুচ্ছ সনেট কবিতা । একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫২ কোটি টাকা অনুমোদন কোম্পানীগঞ্জের রাজনীতিতে তিন দশকের পথ চলায় জাহিদুর রহমান রাজন কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা

স্বচ্ছতার পথে অটল থেকে পদোন্নতি পেলেন কোম্পানীগঞ্জের এসিল্যান্ড:

স্বচ্ছতার পথে অটল থেকে পদোন্নতি পেলেন কোম্পানীগঞ্জের এসিল্যান্ড:

স্বচ্ছতার পথে অটল থেকে পদোন্নতি পেলেন কোম্পানীগঞ্জের এসিল্যান্ড:

দালালমুক্ত সেবা নিশ্চিত করে স্বচ্ছতার দৃষ্টান্ত

সংগ্রামের স্বীকৃতিস্বরূপ সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি রুবাইয়া বিনতে কাশেম:

মোঃ আল এমরান:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ভূমি অফিসে এক সময় ছিল দালালদের দৌরাত্ম্য, অনিয়ম আর সাধারণ মানুষের ভোগান্তির দীর্ঘশ্বাস।

সেই চিত্র আজ অনেকটাই পাল্টে গেছে। আর এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন একজন সাহসী, সৎ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবাইয়া বিনতে কাশেম।

যিনি সম্প্রতি সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। কিছুদিন আগেও ভূমি অফিস মানেই ছিল দালালদের অভয়ারণ্য। ‘স্পিড মানি’ ছাড়া ফাইল নড়ত না, সাধারণ মানুষকে হতে হতো হয়রানির শিকার। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রুবাইয়া বিনতে কাশেম কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন।

তিনি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে এমন এক পরিবেশ তৈরি করেন, যেখানে দালালদের স্থান নেই। ফলে এখন মানুষ সহজে, দ্রুত এবং হয়রানিমুক্ত সেবা পাচ্ছেন।

দুর্নীতির পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী মহল পর্দার আড়ালে সক্রিয় হয়ে ওঠে। বেনামী অভিযোগ, অপপ্রচার ও চরিত্র হননের মতো কৌশলের মাধ্যমে কর্মকর্তার মনোবল ভাঙার চেষ্টা চলে।

এমনকি ‘ছায়া অফিস’ বসিয়ে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করারও চেষ্টা করা হয়। তবে সততা, নৈতিকতা ও দৃঢ় মনোবলের কারণে এসব ষড়যন্ত্র সফল হয়নি।

এই অদৃশ্য লড়াইয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)-এর সজাগ দৃষ্টি ও সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও কঠোর অবস্থানের ফলে দালালচক্রের প্রভাব অনেকটাই কমে আসে।

স্থানীয়দের মতে, এই সমন্বিত উদ্যোগই ভূমি অফিসে ইতিবাচক পরিবর্তনের স্থায়ী ভিত্তি তৈরি করেছে।

রুবাইয়া বিনতে কাশেম বিশ্বাস করেন, একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তার প্রকৃত সার্থকতা তখনই, যখন মানুষ তার প্রাপ্য অধিকার সহজে পায়।

এই লক্ষ্য সামনে রেখে তিনি গণশুনানি, দ্রুত সেবা প্রদান এবং হয়রানি কমাতে বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেন, যা সাধারণ মানুষের মাঝে আস্থা তৈরি করেছে।

তার নিরলস পরিশ্রম, সততা ও প্রশাসনিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি সিনিয়র সহকারী সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। সহকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও সর্বস্তরের মানুষ তার এই অর্জনে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এটি শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং কোম্পানীগঞ্জবাসীর জন্যও গর্বের বিষয়।

কোম্পানীগঞ্জ ভূমি অফিসে যে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে, তা একটি সৎ নেতৃত্বের ফল। রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে সেবা নিতে আসা মানুষ যেন একজন সহযোগী প্রশাসককে পান এই লক্ষ্যেই কাজ করে গেছেন রুবাইয়া বিনতে কাশেম।

তার এই সাহসী ও মানবিক উদ্যোগ প্রমাণ করে, দৃঢ় মনোবল ও সততা থাকলে যেকোনো দুর্নীতির ‘অদৃশ্য দেয়াল’ভেঙে দেওয়া সম্ভব। কোম্পানীগঞ্জে শুরু হওয়া এই ইতিবাচক পরিবর্তন অব্যাহত থাকুক,এটাই এখন সবার প্রত্যাশা।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.