ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : ছোটগল্প: নিহা ও একটি অদৃশ্য উপাখ্যান। একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্প অনুমোদন মুছাপুরে উৎসবের আমেজ সন্তানের সঠিক পথচলায় অভিভাবকদের সচেতনতা অপরিহার্য: সহকারী অধ্যাপক নুর মোহাম্মদ আমার মেয়ে। কবি আল হেলাল। কবি মুঃ ইব্রাহিম খলিল জসিমের কবিতার মেলা। গ্রাম আদালত সক্রিয় হলে সহজে বিচার পাবেন গ্রামের মানুষ: নোয়াখালীতে সমন্বয় সভা কবি কুতুবউদ্দিনের একগুচ্ছ সনেট কবিতা । একনেকে মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫২ কোটি টাকা অনুমোদন কোম্পানীগঞ্জের রাজনীতিতে তিন দশকের পথ চলায় জাহিদুর রহমান রাজন কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের আহ্বায়ক কমিটির পরিচিতি সভা

চরপার্বতীর ৯নং ওয়ার্ডে রেকর্ড উন্নয়ন,তবুও অকৃতজ্ঞতার অভিযোগ,চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফের ক্ষোভ:

চরপার্বতীর ৯নং ওয়ার্ডে রেকর্ড উন্নয়ন,তবুও অকৃতজ্ঞতার অভিযোগ,চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফের ক্ষোভ:

চরপার্বতীর ৯নং ওয়ার্ডে রেকর্ড উন্নয়ন,তবুও অকৃতজ্ঞতার অভিযোগ,চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফের ক্ষোভ:

বছরের পর বছর সড়ক, সেতু, মসজিদ ও বাঁধ নির্মাণের পরও অপমান ও মানসিক কষ্টের কথা জানালেন চেয়ারম্যান,প্রশ্ন তুললেন গত ৫৫ বছরের উন্নয়ন নিয়ে:

নব জ্যোতি রিপোর্ট ডেস্ক:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফ।

তবে এত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পরও এলাকাবাসীর একটি অংশের ‘অকৃতজ্ঞ আচরণে’ তিনি ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফ জানান, চর পূর্ববানী, মালেক মাস্টার সমাজ ও উওর চর সাহাভিকারী পশ্চিম অংশের এলাকার প্রায় সকল সড়কে সলিং করা হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে কাজী হানিফ সেতু, যা স্থানীয় জনগণের চলাচলকে সহজ করেছে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন উদ্যোগ। এডভোকেট মামুনুর রশীদের সার্বিক সহযোগিতায় শান্তি পাড়া মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন মসজিদে বাথরুম, অযুখানা নির্মাণ, টাইলস স্থাপন এবং আশপাশে রাস্তার লাইট বসানো হয়েছে। মিযাজি পাড়া সমাজের মসজিদ, মৌলভী আব্দুর রহিম জামে মসজিদসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানে এসব উন্নয়ন কার্যক্রম দৃশ্যমান।

ওয়ার্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রাস্তা ও জনপথ উন্নয়ন করা হয়েছে। খলিল কচ্ছপ,বদের গো, হানিফ সুকানি বা, মনির ভাই, জামাল (উজ্জ্বল) ভাই, আজিম সারেং, নুরুল্লাহ মেম্বার, আমিন উল্লাহ মাঝি প্রমুখের বাড়ির প্রবেশপথে সলিং করা হয়েছে।

এছাড়া কদমতলা বাজারের পূর্ব অংশ, বিভিন্ন হিন্দু পরিবারের বাড়ির প্রবেশপথ এবং সংযোগ সড়ক উন্নয়ন করা হয়েছে। কিছু স্থানে এখনও উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে।

নদী ভাঙনের ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রায় ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে জিও ব্যাগ দিয়ে একটি প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে, যা বর্তমানে এলাকাবাসীর জন্য সুরক্ষা হিসেবে কাজ করছে।

এত উন্নয়ন কার্যক্রমের পরও এলাকাবাসীর একটি অংশ তার প্রতি কৃতজ্ঞ না হয়ে উল্টো অপমানজনক আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান।

তিনি জানান, এমনকি তার পরিবারের সদস্যদের প্রতিও অসম্মানজনক আচরণ করা হয়েছে, যা তাকে মানসিকভাবে কষ্ট দিয়েছে।

চেয়ারম্যান বলেন,আমি ধৈর্য ধারণ করেছি। আল্লাহ সব দেখছেন। যারা নেয়ামতের শোকর আদায় করে, আল্লাহ তাদের আরও বৃদ্ধি করে দেন।আর যারা শোকর আদায় করে না, তাদের জন্য রয়েছে কঠিন শাস্তি।

তিনি স্থানীয় জনগণের কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, গত ৫৫ বছরে পূর্ববর্তী চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা এই ওয়ার্ডে কী উন্নয়ন করেছেন, সেটিও জনগণের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।

শেষে তিনি তার এই বক্তব্য ব্যাপকভাবে প্রচারের আহ্বান জানান, যাতে ওয়ার্ডবাসীর প্রকৃত চিত্র সবার সামনে উঠে আসে।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.