ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : বেগমগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন: কোম্পানীগঞ্জে বৈশাখের বর্ণিল আবাহন ঐতিহ্য, উৎসব আর মানুষের মিলনমেলা শুভ নববর্ষ ।। মোঃ হাসান বিন ইউসুফ ।। আমি বিদ্রোহ! মোঃ হাসান বিন ইউসুফ কোম্পানীগঞ্জে তীব্র গ্যাস সংকট মধ্যরাতে রান্না জনজীবন বিপর্যস্ত: ছোট ফেনী নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে চরপার্বতীর ৯ নং ওয়ার্ড,আতঙ্কে নদীতীরের জনগোষ্ঠী: নোয়াখালীর কবিরহাটে নিখোঁজের দুই দিন পর ইটভাটা শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার: চরপার্বতীর মৌলভীবাজার জামে মসজিদের স্বঘোষিত কমিটি নিয়ে বিতর্ক, চরমপন্থার প্রচারণার অভিযোগ: মরহুম নুরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকীতে কবর জিয়ারত করলেন সাংসদ মোঃ ফখরুল ইসলাম: চরপার্বতীর ৯নং ওয়ার্ডে রেকর্ড উন্নয়ন,তবুও অকৃতজ্ঞতার অভিযোগ,চেয়ারম্যান কাজী মোহাম্মদ হানিফের ক্ষোভ:

"চিরন্তন প্রতিধ্বনি" মোঃ আল এমরান (উৎসর্গ: বিপ্লবী শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদীকে)

"চিরন্তন প্রতিধ্বনি"   মোঃ আল এমরান (উৎসর্গ:  বিপ্লবী শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদীকে)

"চিরন্তন প্রতিধ্বনি"

মোঃ আল এমরান

(উৎসর্গ: বিপ্লবী শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদীকে)

মৌনতার অনল জোয়ারে হাদির কণ্ঠ ঝরে,

শব্দের গাঁথুনিতে তীর যেন সৃজিত গিরি ভাঙে।

আধিপত্যের ছায়া শিকড় আঁকড়ে ধরে,

নির্যাতনের নির্জনতা তাঁর জ্যোতি ঝরে।

ইনসাফের বানী পবনে পবনে ছড়িয়ে,

প্রতিটি ক্ষণে ক্ষণে সময় থমকে শোনে।

ভূখন্ডের রক্তে যেন জন্ম নেয় গানে,

অসাম্য চিরন্তন শূন্যে ঢেউ তোলে।

বিরোধের জলধারা পাথরের খোঁচায় কাঁপে,

মেঘের ছায়ায় প্রতিটি ক্ষণ নিঃশব্দে নীরবে।

প্রতিবাদ তাঁর ছন্দ, অদৃশ্য তীর্থের পদ্ম,

কণ্ঠের তাপ গগনে অগ্নি জ্বলে স্থির।

জন্মেছে জামানার বীর মোজাদ্দেদ হাদি,

সংস্কৃতির ক্যানভাসে আঁকে ইতিহাসের রেখা।

জাতির ইমাম রাহবার, হৃদয়ের যোদ্ধা,

প্রতিটি অশ্রুতে জন্মে বেদনাময়ী বীণা।

দেশের খাদেম, দুঃখের স্রোতে ভাসে,

অবিচারের গহ্বরে নীরব প্রদীপ জ্বলে।

হিয়ার বেদনায় চূড়ান্ত শিখরে চড়ে,

প্রতিটি শব্দ যেন অনন্তে গাঁথা গড়ে।

বুর্জোয়া কুটচালে আধিপত্যের ঢেউ ভাঙে

অন্যায়ের দানব ক্ষীণ আলোকে পুড়ায়ে।

হাদির বাণী অদৃশ্য তীর্থের মণি করতে ভয়,

যেখানে সময় থেমে যায়, অস্তিত্ব শীতল হয়।

শব্দের ছোঁয়ায় নীরবতা অগ্নিপথ হয়,

অশ্রুর বারি নাচে জাগে চিরন্তন ভাব।

প্রতিটি রঙে মিশে অজানার হাসি,

সংস্কৃতির মণি ঝরে কালচক্রে গতি।

বিরহের ছায়া ছড়িয়ে মেঘ-অন্তরালে,

হাদির কণ্ঠে জন্ম নেয় ন্যায়ধর্মী অগ্নি।

অদৃশ্যতার কুয়াশায় হারায় প্রতিটি দিক,

জীবনের অন্তরালে ধ্বনি হয়ে থাকে চিরন্তন।

শীতলতার জলধারা ভাঙে অন্তরকূপ,

লিপির রেখায় আঁকে শূন্যের অন্তরাল।

হৃদয়ের নীরব পাখি উড়ে শূন্য আকাশে,

তারার ভগ্নাংশে জ্বলে অদৃশ্য বেদনাতে।

হাদির বাণীতে মিলিত হয় চিরন্তন নিঃসঙ্গতা,

প্রতিটি শব্দ যেন কালচক্রে অনন্ত ঝরে।

সংস্কৃতির ক্যানভাসে আঁকা অজস্র ছায়া,

প্রতিটি রঙে মিশে অজানার বেদনাময়ী মায়া।

অন্যায়ের অগ্নি পুড়ে প্রতিটি স্তর,

কণ্ঠের তরঙ্গ ভেঙে দেয় দানবীর বাঁধ।

শব্দের স্রোতে জন্ম নেয় নীরব বিপ্লব,

সময়ের খাঁজে খুঁজে পায় চিরন্তন ন্যায়।

হাদির ছায়ায় ঝরে নীরবতার দীপ্তি,

প্রতিটি অণু কল্পনার অগ্নি জ্বেলে।

অন্তর বেদনায় মিলিত হয় চিরন্তন সুরে,

প্রতিটি স্পর্শ যেন অনন্তে গাঁথা রচনা করে।

নীরবতার মাঝে জন্ম নেয় তাঁর কণ্ঠের গান

শব্দের ছোঁয়ায় খুঁজে পায় চিরন্তন আলো।

অদৃশ্যতার অন্তরীক্ষ ভেসে যায় প্রতিটি ছায়া,

হাদির বাণী হয়ে ওঠে অনন্তকালীন ইতিহাস।

কিন্তু এখন নীরবতার আকাশে ছায়া পড়েছে,

শরীরের নিঃশ্বাস থেমেছে, হৃদয় কেঁদেছে।

দেশের মানুষ হারা আঁখিতে তব আলো খুঁজে,

বিরহের তটিনী মিশে গেছে অশ্রুর অগোছালো স্রোতে।

জাতি শোকে স্তব্ধ, অন্তর ব্যথার আঁধারে,

হাদির নাম উচ্চারিত হয় ধ্বনিত নীরবতায়।

প্রতিটি নিবাস , প্রতিটি পথ জুড়ে কাঁদে,

চিরন্তন ভালোবাসার চেরাগ আর নিভে যায় না।

হাদির অমর কণ্ঠ এখনও শিখর ছুঁয়ে যায়,

তাঁর বানী, নীতি , ইনসানের হিয়ায় বাজে।

অবিচার দমনের বিপ্লব যেন মূর্তিরূপে আছে,

জানাজা জনগোষ্ঠী জাগিয়ে রাখে, অনন্তকাল সাজে।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.