ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : ।।ভার্চুয়াল বন্ধুত্ব, বাস্তব জীবনের ঝুঁকি: সম্পর্ক রক্ষায় সচেতন হই।। ---------মোহাম্মদ উল্যা মিরাজ -------- "যোগ্যতার প্রকৃত পরিচয়" মোহাম্মদ উল্যা মিরাজ, শিক্ষক, প্রাবন্ধিক। শরীফ ওসমান হাদী ​— ইদ্রিস হাসান মন্ত্রীর ছেলে পড়বে বিদেশ ​— ইদ্রিস হাসান কোম্পানীগঞ্জে ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস অনুষ্ঠীত: হাজারীহাট হাইস্কুল এন্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচারের অভিযোগ: উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতেই অধ্যক্ষ শেখ সাদী ভূঞার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র: ত্যাগ ও নেতৃত্বের প্রতীক আফতাব আহমেদ বাচ্চুকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই সিরাজপুরবাসী: কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ক্লোজার রক্ষায় মানববন্ধন, স্লুইসগেট নির্মাণের জোর দাবি: কোম্পানীগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতের বিল ছাড়ে বিলম্বের অভিযোগ উঠেছে: বসুরহাট আরডি শপিং মলের সামনে মোটরসাইকেল পার্কিংয়ে ২০ টাকা আদায়,প্রশ্নের মুখে বৈধতা,তদন্তের দাবি:

হারানো স্বপ্নের ফিরে আসা,মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত:

হারানো স্বপ্নের ফিরে আসা,মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত:

হারানো স্বপ্নের ফিরে আসা,মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত:

নবজ্যোতি রিপোর্ট ডেস্ক:

মাঠ তখন ফাইনালের উন্মাদনায় উত্তাল। চারপাশে দর্শকের করতালি, উচ্ছ্বাস আর আনন্দধ্বনিতে মুখরিত পরিবেশ।

খেলাকে ঘিরে ছিল উৎসবের আবহ, যেন পুরো মাঠই আনন্দের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।কিন্তু সেই আনন্দের ভিড়েই এক কোণে দাঁড়িয়ে ছিল এক কিশোর চোখে যার উচ্ছ্বাস নয়, ছিল গভীর হারানোর বেদনা।

উদ্বোধনী খেলায় হঠাৎ করেই হারিয়ে গিয়েছিল তার একমাত্র সাইকেলটি। যে সাইকেলটি তার কাছে শুধু বাহন ছিল না,ছিল তার পরিশ্রমের প্রতিদান, স্বপ্নের সঙ্গী।

সেই সাইকেলটি সে পেয়েছিল দীর্ঘ ৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায়ের পুরস্কার হিসেবে। এক এতিম, অসহায় শিশুর জীবনে সেটিই ছিল সবচেয়ে বড় আনন্দ, সবচেয়ে বড় অর্জন। কিন্তু সেই আনন্দও ছিনিয়ে নেয় অদৃশ্য কোনো নিষ্ঠুর হাত।

তবুও ছেলেটি ভেঙে পড়েনি। চোখের কোণে লুকিয়ে রাখা কষ্ট নিয়ে হয়তো সে নীরবে আকাশের দিকে তাকিয়ে আল্লাহর কাছেই ন্যায়বিচার চেয়েছিল।

আর সেই নীরব কান্নারই যেন প্রতিফলন ঘটল আজকের ফাইনাল মঞ্চে। মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল উদয় এইড ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ।

সবার সামনে, ভালোবাসা আর সহমর্মিতার উষ্ণ স্পর্শে সেই কিশোরের হাতে আবার তুলে দেওয়া হলো একটি নতুন সাইকেল।

সেই মুহূর্তে তার মুখে যে হাসি ফুটে উঠেছিল তা কোনো শব্দে প্রকাশ করা যায় না। মনে হচ্ছিল, হারিয়ে যাওয়া শৈশব, হারানো স্বপ্ন আবার ফিরে এসেছে আলোর পথে।

সত্যিই মানুষ মানুষের জন্য। এই চিরন্তন কথাটির জীবন্ত প্রমাণ হয়ে থাকল আজকের এই ছোট্ট কিন্তু মহৎ উপহার।

আল্লাহ তাআলা যেন এই এতিম শিশুটির জীবনকে সুন্দর, শান্তিময় ও সফল করেন। আর যারা তার মুখে আবার হাসি ফিরিয়ে এনেছেন, তাদের উত্তম প্রতিদান দান করুন।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.