পদুয়া নাজিমিয়া দরবার শরিফ আউলিয়াদের পদধূলিতে ধন্য এক অনন্য তীর্থভূমি:
একটি ঐতিহ্য, আধ্যাত্মিক সাধনা ও রহমতের অবারিত ঠিকানা :
নব জ্যোতি অনলাইন পোর্টাল ডেস্কঃ
লেখক মোঃ আল এমরান:
যে ভূমিতে আল্লাহর ওলীদের আগমন ঘটে, যে মাটিতে তাঁদের ধ্যান, জিকিরের নূর ছড়িয়ে পড়ে,সেই ভূমি আল্লাহ তায়ালার বিশেষ রহমত দ্বারা ধন্য হয়।
ইতিহাস বলে, আউলিয়ায়ে কেরাম যেখানে অবস্থান গ্রহণ করেন, সেখানে মানুষের কপাল বদলায়, নফস পরিশুদ্ধ হয়, সমাজে শান্তি, ন্যায় ও ভ্রাতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত
হয়। ঠিক তেমনই নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের পদুয়া গ্রাম আজ এক আধ্যাত্মিক কেন্দ্র হিসেবে বিখ্যাত।
এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পদুয়া নাজিমিয়া দরবার শরিফ, যা বহু বছর ধরে ভক্ত,মুরিদদের হৃদয়ে আস্থা, আশ্রয় ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির বাতিঘর হয়ে আছে।
এই দরবারের কেন্দ্রবিন্দু,আওলাদে রাসূল (সা.) বংশের মহাপুরুষ হযরত মিয়া নূর শাহ ফকির (রহ.)
এবং তাঁর ছোট ভাই, খাদেম হযরত মিয়া গেন্দু শাহ ফকির (রহ.)।
তাঁদের আধ্যাত্মিক উত্তরাধিকার আজ বহন করছেন,
আলহাজ্ব হাফেজ মোঃ নাজিম উদ্দিন ফকির,
পদুয়া নাজিমিয়া দরবার শরিফের কর্ণধার, একজন নীরব,সাধক, শান্ত,ভদ্র, মার্জিত ও ইসলামী ব্যক্তিত্বসম্পন্ন বাস্তবধর্মী মানুষ।
হযরত মিয়া নূর শাহ (রহ.) ও তাঁর ছোট ভাই গেন্দু শাহ (রহ.) ছিলেন প্রকৃত অর্থেই আল্লাহর ওলি। তাঁদের ভক্ত, সেবক, খাদেমরা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এই নূরের আলো ধরে রেখেছেন।
হযরত গেন্দু শাহ (রহ.) ছিলেন হযরত মিয়া নূর শাহ (রহ.) এর অতি নিকটবর্তী খাদেম। কথিত আছে, ৩৬০ আউলিয়ার মধ্যে দুইজন আউলিয়া পদুয়া গ্রামের মাটিতে আগমন করেছিলেন, আর তাঁদের আগমনের রহস্যময় সূত্রধর ছিলেন এই গেন্দু শাহ (রহ.)।
এ বংশধারার মূল কাঠামো হযরত মিয়া নূর শাহ ফকির (রহ.),ছোট ভাই হযরত মিয়া গেন্দু শাহ ফকির (রহ.)
গেন্দু শাহ (রহ.) এর একমাত্র পুত্র হযরত শাহ আছহাব উদ্দিন ফকির, তাঁর চার পুত্র,১. হযরত শাহ আনোয়ার আলী ফকির ২. হযরত শাহ রেহান উদ্দিন ফকির
৩. হযরত শাহ রহিম বক্স ফকির ৪. হযরত শাহ মূসা মিয়া ফকির
হযরত শাহ মূসা মিয়া ফকির (রহ.) এর একমাত্র পুত্র
হযরত আমিন উল্লাহ (রহ.), তাঁর একমাত্র পুত্র
আলহাজ্ব বাবা হাফেজ নাজিম উদ্দিন ফকির,
বর্তমান নাজিমিয়া দরবারের বর্তমান পীর,
যিনি দরবারের রক্ষণাবেক্ষণ, মাদরাসার শিক্ষা কার্যক্রম ও সব আধ্যাত্মিক আয়োজনের প্রধান দায়িত্বপ্রাপ্ত অভিভাবক।
লোকমুখে প্রচলিত আছে এই পদুয়া গ্রামে কেবল মিয়া নূর শাহ (রহ.) ও গেন্দু শাহ (রহ.) ই আসেননি, এসেছিলেন আরও কয়েকজন আউলিয়া,
পদুয়ার মাটিতে আউলিয়াদের পদচারণার কারণে এ জনপদ রহমত, নূর ও আধ্যাত্মিক প্রশান্তির এক নিসর্গভূমি হয়ে উঠেছে।যাঁদের আগমনে এই জনপদ পরিণত হয় রহমতের নিসর্গভূমি।
আউলিয়াদের আগমনে পদুয়া গ্রাম হয়ে ওঠে নূরে ভরা, ধন্য পবিত্র একটি নগরী।এ গাঁয়ের মাটিতে আউলিয়াদের যে পদচারনা,বাতাসে থাকে রহমতের
সুবাতাস।সাপ্তাহিক শুক্রবার হাজারো দোয়া ও জিকিরে আওয়াজে মুখরিত দরবার। প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে দরবারে যেন মানুষের ঢল নামে।
দূর দূরান্ত থেকে ভক্ত,মুরিদরা ছুটে আসেন,কেউ মানত নিয়ে কেউ মনোবাসনা নিয়ে,কেউ শুধুই রুহানী শান্তির আশায়,কেউ দোয়া নেয়ার তাজা বিশ্বাস নিয়ে, জুমার পরপরই,মিলাদ,জিকির,মোনাজাত,
যা ভক্তদের হৃদয় স্পর্শ করে। ভক্তদের সমস্বরে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” ধ্বনিতে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। মনে হয়,আল্লাহর রহমত ফেরেশতাদের নিয়ে নেমে আসছেন।
দরবারের বড় বৈশিষ্ট্য,নঙ্গরখানা, যেখানে প্রতি শুক্রবার প্রায় ৫০০০ নারী,পুরুষ তবারুকে অংশ নেন।
মহিলাদের জন্য আলাদা প্যান্ডেল,পুরুষদের জন্য
আলাদা প্যান্ডেল,নেই কোনো হৈচৈ, বিশৃঙ্খলা,
দায়িত্ব পালন করেন নানা বয়সী ভক্ত,সেবক
তাঁরা কেউ তবারুক বিতরণ করেন, কেউ পানির জোগান দেন, কেউ পরিষ্কারের দায়িত্ব নেন। এই একাত্মতা দরবারের সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
দরবারের নৈতিক আদেশ,নিষেধ, আধ্যাত্মিক শুদ্ধতার শিক্ষায় সবার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে,দরবারের প্রধান নির্দেশনা সমূহ,১.নারী ভক্তবৃন্দগন হাফেজ বাবার
কাছে পা ধরে সালাম না করা ২.দরবারে মহিলাদের পর্দা মান্য করা আবশ্যক। ৩.দরবারের মাজারে সিজদা করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ৪.মুরিদ,ভক্তরা অবশ্যই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হবে ।এ দীক্ষা
নেয়া মানে আমল, নফসের জিহাদ ও আত্মশুদ্ধির পথ ধরে হাঁটা এই নীতিমালা আউলিয়া,সাধকদের আদর্শের অনুসরণ, যা কোরআন ও সুন্নাহর পূর্ণ
অনুগত।পবিএ কোরআনে আউলিয়া সম্পর্কে স্পষ্ট ঘোষণা,“আলা ঈন্না আওলিয়া আল্লাহি লা খাওফুন আলাইহিম ওলা হাম ইয়াহযানুন।”(সুরা ইউনুস, আয়াত ৬২)
অর্থ: মনে রেখো,নিশ্চয়ই আল্লাহর ওলীদের কোনো ভয় নেই,তারা দুঃখিত হবেন না। এই আয়াত দ্বারা আউলিয়াদের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও আল্লাহর বিশেষ করুণা তুলে ধরা হয়েছে।
মহান পবিএ গ্রন্থ আল কোরআনে আল্লাহ পাক বলেন, ইয়া আইয়ুহাল্লাযিনা আমানতু তাকুল্লাহ ওয়াবতাগু ইলাইহিল আছিলাতা ওয়াজাহেদু ফি সাবিলিহি লায়াল্লাকুম তুফলিহুন সুরা (মায়িদাহ ৫ম রুকু,৬ষ্ঠ পারা, ৩৫ নং আয়াত)
অর্থ, হে মুমিন গন, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং নৈকট্য লাভের জন্য অছীলা তালাশ করো।(কামেল পীরের সংস্পর্শে) তার পথে জিহাদ (নফসের) করো।
তবেই তোমরা সফল কাম হতে পারবে।
আল্লাহ পাক আরো বলেন, ফাজকুরুল্লাহ কিয়ামাঁও ওয়াকুয়ুদাঁও ওয়া আলা জুনুবিকুম।
অর্থ, তোমরা আল্লাহকে দাঁড়িয়ে, বসে এবং হেলান অবস্থায় স্মরন করো।( সুরা নেসা ১০৪ আয়াত, ১৫ রুকু, ৫ পারা)
পবিএ কোরআনে মহান আল্লাহ পাক বলেন,"ইয়া আইয়ুহাল্লাযিনা আমানতু তাকুল্লাহ ওয়াবতাগু
ইলাইহিল ওসীলাহ"।অর্থ: আল্লাহর নৈকট্য লাভের
জন্য ওসীলাহ অনুসন্ধান করো। (সুরা মায়িদাহ, আয়াত ৩৫) ওসীলাহ মানে নেকির পথ, পীরের
সোহবত, আল্লাহর পথে নফসের জিহাদ।
আল কোরআনে আল্লাহ পাক এরশাদ করছেন,
“ফাজকুরুল্লাহ কিয়ামাউ ওয়াকু‘উদাউ ওয়ালা জুনুবিকুম।” অর্থ: তোমরা দাঁড়িয়ে, বসে ও শুয়ে
আল্লাহর স্মরণ করো। (সূরা নেসা ১০৪ আয়াত, রুকু ১৫,পারা ৫) জিকির দরবার শরিফের প্রধান অনুশীলন, যা এই কোরআনি নির্দেশের বাস্তব প্রয়োগ।
নাজিমিয়া দরবারের "নাজিমিয়া মাদরাসা" হাফেজ তৈরির এক নীরব কারখানা দরবারের একটি বড় অবদান,নাজিমিয়া হেফজ মাদরাসা যেখানে হিফজ শিক্ষা দেওয়া হয়,গরিব, অসহায়, এতিম ছাত্রদের জন্য সম্পূর্ণ বিনা বেতনে শিক্ষার ব্যবস্থা।
দরবারের মুরিদদের দান,নাজরানা,মানতের টাকায় চলে সব কার্যক্রম,এখান থেকে প্রতি বছর বহু হাফেজ হেফজ সম্পন্ন করে, যারা দেশের নানা প্রান্তে ইসলামি শিক্ষা ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এছাড়াও দরবারে রয়েছে,বৃহৎ
মসজিদ, হাফেজ নাজিম উদ্দিনের পিতা,হযরত আমিন উদ্দিন (রহ.)এর মাজার, উওরে ফকির বাড়ি, যেখানে রয়েছে মিয়া নূর শাহ (রহ.) এর মাজার, হযরত মিয়া গেন্দু শাহ ফকিরের মাজার,
মেহমান খানা, পুকুরঘাট,ভক্তদের বিশ্রামের জন্য সুবিন্যস্ত জায়গা,সব মিলিয়ে এক অনন্য শান্ত, পরিষ্কার,পরিচ্ছন্ন এবং পরিপাটি আধ্যাত্মিক পরিবেশ।
পদুয়া নাজিমিয়া দরবারের অনুষ্ঠিত হয় চারটি বড় মাহফিল,১. বার্ষিক ওরস-২৯শে বৈশাখ হাজারো মানুষের সমাগমে দরবার উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।২.পবিত্র আশুরা-১০ মহররম ইমাম হোসাইন (রাঃ)–এর শহাদাতের স্মরণে বিশেষ দোয়া মাহফিল।
৩. ঈদে মিলাদুন্নবী-১২ রবিউল আউয়াল রাসূলুল্লাহ (সা.) এর জন্মদিন উপলক্ষে আলো ঝলমল পরিবেশ।৪. শবে মেরাজ-২৭ রজব পহেলা ফাল্গুন রাত ব্যাপী জিকির, মিলাদ, দোয়া,মোনাজাত।
এ ছাড়াও ,সাপ্তাহিক শুক্রবারের মাহফিল নিয়মিত আধ্যাত্মিক চর্চার অংশ। নীরব সেবক, দরবারের
অভিভাবক,বাবা হাফেজ নাজিম উদ্দিন ফকির দরবারের সব আয়োজন, জিকির, তবারুক, মাদরাসা,
শৃঙ্খলা,সবকিছুর দায়িত্ব পালন করেন বিনয়ের সঙ্গে।
তিনি কারও সঙ্গে জোরে কথা বলেন না, হাসিমুখে দোয়া করেন,ভক্তদের সমস্যা শোনেন দরবারের নামাজ, জিকিরের পরিবেশ ধরে রাখেন।
মানত ও নাজরানা, নিয়তের টাকাকে স্বচ্ছভাবে দরবার ও মাদরাসার কাজে ব্যয় করেন,তিনি সত্যিই “আধ্যাত্মিক সেবক” এমনটাই বলে থাকেন ভক্তরা।
দরবার কেন মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করেছে?কারণগুলো,এখানে আল্লাহ-রাসূলের শিক্ষা
প্রতিষ্ঠা করা হয়,জিকির ও মিলাদ হয় সুন্নতি পদ্ধতিতে
কোনো ভ্রান্ত আক্বিদার চর্চা নেই, শৃঙ্খলা, পর্দা, ইবাদত সবকিছুই গুরুত্ব পায়। দরবারের আয়ের উৎস ভক্তদের দান,নাজরানা,মানত সমাজের গরিব
অসহায়দের নিয়মিত সাহায্য করা হয়, মারফতের চর্চা হয় কোরআন হাদিসের আলোকে। রুহানিয়াতের স্পর্শে বদলে যাওয়া অনেক ভক্ত বলেন,এখানে এলে
মন শান্ত হয়,চোখে পানি এসে যায় দীর্ঘদিনের মানত পূরণ হয়,চিকিৎসায় না পাওয়া সমাধান,যাহা দোয়ার
বরকতে পাওয়া যায়,তবারুক খেয়ে রহমতের আশা জাগে, বাবা হাফেজ নাজিম উদ্দিন ফকিরের দোয়া হৃদয় স্পর্শ করে,এই কারণেই প্রতিটি শুক্রবার দরবারে
অদ্ভুত জনসমাগম দেখা যায়। দরবারের আলো সারাদেশে ছড়িয়ে যাক,পদুয়ার নাজিমিয়া দরবার শরিফ শুধু একটি মাজার নয়,এটি একটি
আধ্যাত্মিকতার বাতিঘর, যেখানে মানুষ নফসের জিহাদ শিখে, আত্মাকে পরিশুদ্ধ করে, আল্লাহর নৈকট্য লাভের পথ খুঁজে পায়।
সুরা ইউনুসের আয়াতটি বারবার মনে পড়ে,“আলা ইন্না আওলিয়া আল্লাহি লা খাওফুন আলাইহিম।”এই দরবারের ইতিহাস যেন সেই আয়াতের জীবন্ত প্রকাশ।
হাফেজ বাবার উপদেশ ও আধ্যাত্মিক নির্দেশনা হলো
সালাত কায়েম করো,রোজা রাখো, মা–বাবার হক আদায় করো, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজন, প্রতিবেশীর
হক আদায় করো। অন্নদান, বস্ত্রদান, বাসস্থান—এই তিন সেবায় সর্বদা সচেষ্ট থাকো। দুঃখকে সুখ বলে মেনে নাও।আল্লাহ, রাসূল (সা.) ও ওলিয়ায়ে কেরামের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাস রাখো এলমে শরিয়ত, মারেফত, হাকীকত ও তরিকতের বিধি মেনে চলো।
তরীকার পথে প্রবেশের গভীর উপদেশ হাফেজ বাবা বলেন “যে ব্যক্তি তরিকতের পথ ধরতে চায় তার প্রথম কাজ,দুনিয়া ও দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করা,তারপর নিজের নফসকে তালাক দেওয়া।তখনই সুলুকের পথ সত্য হয়, নয়তো সবই মিথ্যে"।
”মানুষ যখন আমিত্বের খোলস ত্যাগ করে, তখন বুঝতে পারে,প্রেমিক ও প্রেমাস্পদ সবই এক।
“আরেফের নিম্নতম স্তর হলো,সৃষ্টি জগতকে দুই আঙ্গুলের ফাঁকের মাঝে অবলোকন করা।”
অর্থাৎ দুনিয়ার মোহ, সম্পদ, লালসা এসব ক্ষুদ্র হয়ে যায়।হৃদয়ে শুধু আল্লাহর প্রেম থাকে।
যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রকৃত প্রেমিক,দুনিয়ার ঐশ্বর্যকে
ঘৃণা করে,অর্থের মোহ তাকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
মৃত্যু তার কাছে বন্ধুর সঙ্গে মিলনের সেতু। পদুয়া নাজিমিয়া দরবার একটি রহমতের ভান্ডার
সুরা ইউনুসের আয়াত “আলা ইন্না আওলিয়া আল্লাহি" যেন এখানে বাস্তবে রূপ নিয়েছে।
আল্লাহর ওলীরা পৃথিবীতে আসেন মানুষের জীবন বদলাতে, নফসকে জিহাদের শিক্ষা দিতে, সমাজে শান্তি আনতে।পদুয়া নাজিমিয়া দরবার সেই রুহানী জিহাদ, আত্মশুদ্ধি, মিলাদ, জিকির ও দোয়ার পবিত্র কেন্দ্র।
আল্লাহ তায়ালা এ দরবার শরিফকে আরও সমৃদ্ধ করুন।হাফেজ নাজিম উদ্দিন ফকির সাহেবকে দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য দান করুন।ভক্ত-মুরিদদের হৃদয় রহমতের নূরে আলোকিত করুন।
আল্লাহর ওলীরা পৃথিবীতে আসেন মানুষের জীবন বদলাতে, সমাজে শান্তি আনতে, নফসকে জয় করতে শেখাতে।পদুয়া নাজিমিয়া দরবার ঠিক তেমনই
নফসের জিহাদ, আত্মার পরিশুদ্ধি, মিলাদ,জিকির ও দোয়ার পবিত্র কেন্দ্র।আল্লাহ তায়ালা এ দরবার শরিফকে আরও সমৃদ্ধ করুন,ভক্ত মুরিদদের অন্তর রহমতের নূরে আলোকিত করুন। আমিন।
Comments (0)
Be the first to comment on this article.
Leave a comment