ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : কোম্পানীগঞ্জে দাম্পত্য কলহের জেরে থানার গেটের সামনে সংঘর্ষ, আটক ৫ শীতের আগে ত্বক, শরীর ও ঘরের যত্নে আগাম প্রস্তুতি কোম্পানীগঞ্জে ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরব রাজনীতি, প্রচারণায় ব্যস্ত সম্ভাব্য প্রার্থীরা চরপার্বতীতে আল ফালাহ্ ফরায়েজিয়া মাদ্রাসার নতুন ভবনের নির্মাণকাজ উদ্বোধন অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততায় আলোচনায় চরপার্বতীর সাবেক চেয়ারম্যান"নুরুল আমিন" দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলায় চরপার্বতীর চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপ্রত্যাশী "একরামুল হক মিলন" কোম্পানীগঞ্জে সৈয়দিয়া আজগর আলি দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক বিদায় ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা মানুষের খেদমতই লক্ষ্য, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হতে চান হাকিম শহীদ উল্লাহ গো আপ ফাউন্ডেশন ও ফুটস্টেপস বাংলাদেশের উদ্যোগে ৬০০ স্বেচ্ছাসেবীর অংশগ্রহণে বসিলার ৪০ ফিট খাল পুনরুদ্ধার চরহাজারীতে ‘হাজারীবাসা মিনিবার ফুটবল প্রিমিয়ার লীগ-২০২৬’-এর জমকালো গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত

শীতের আগে ত্বক, শরীর ও ঘরের যত্নে আগাম প্রস্তুতি

শীতের আগে ত্বক, শরীর ও ঘরের যত্নে আগাম প্রস্তুতি

শীতের আগে ত্বক, শরীর ও ঘরের যত্নে আগাম প্রস্তুতি

নব জ্যোতি স্বাস্থ্য ডেস্ক:

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতিতে আসতে শুরু করেছে শীতের আবহ। রাতের শেষ প্রহরে ঠান্ডা বাতাস, ভোরে হালকা কুয়াশা এবং দিন-রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য জানান দিচ্ছে, শীতের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ঘনিয়ে এসেছে।

শীত পুরোপুরি শুরু হওয়ার পর অনেকেই গরম কাপড় বের করা, কম্বল পরিষ্কার করা কিংবা ত্বকের যত্ন নেওয়ার কথা ভাবেন। কিন্তু আগেভাগে কিছু বিষয়ে সচেতন হলে শীতের শুরুতে নানা ধরনের অস্বস্তি এড়ানো এবং দৈনন্দিন জীবনযাপনকে আরও স্বস্তিদায়ক করা সম্ভব।

শীতকালে ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, ঠোঁট ফাটা, ঠান্ডাজনিত শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ, অ্যালার্জি এবং কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগের উপসর্গ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি, হাঁপানি বা হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এ সময় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

পাশাপাশি আবহাওয়া শুষ্ক হয়ে গেলে পর্যাপ্ত পানি পান, ঘরের পরিচ্ছন্নতা এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধির প্রতিও নজর দেওয়া জরুরি।বিশেষজ্ঞদের সাধারণ স্বাস্থ্যপরামর্শের আলোকে শীত আসার আগেই প্রস্তুতি নেওয়া যেতে পারে।

১. শরীর ও পোশাক প্রস্তুত করুন আবহাওয়ার পরিবর্তনের জন্যশীতের শুরুতে অনেকেই দিনের বেলায় গরম অনুভব করলেও রাত ও ভোরে ঠান্ডায় অস্বস্তিতে পড়েন। এ সময় হঠাৎ তাপমাত্রা কমে গেলে উপযুক্ত পোশাক ব্যবহার না করার কারণে শরীরে ঠান্ডা লাগতে পারে। তাই শীতের আগেই দৈনন্দিন পোশাকের পরিকল্পনা করা প্রয়োজন।সকালে ও সন্ধ্যায় বাইরে বের হলে সঙ্গে হালকা জ্যাকেট, চাদর বা অতিরিক্ত পোশাক রাখা যেতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিদের শরীর উষ্ণ রাখতে উপযুক্ত পোশাক পরানো জরুরি। তবে অতিরিক্ত গরম পোশাক পরে ঘেমে গেলে অস্বস্তি হতে পারে। তাই আবহাওয়া ও শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী পোশাক নির্বাচন করাই ভালো।ঘরের পরিবেশ আরামদায়ক রাখুন। শুধু শরীরকে ঠান্ডার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য ফ্যান চালিয়ে রাখা বা ঠান্ডা বাতাসে দীর্ঘক্ষণ থাকার প্রয়োজন নেই। বরং রাতে ঘুমানোর সময় ঘরের তাপমাত্রা, বাতাস চলাচল ও আরামের দিকে খেয়াল রাখুন।শীতের শুরুতে নিয়মিত হাঁটা, হালকা ব্যায়াম ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস বজায় রাখুন। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন সকালে বাতাসের মান খারাপ থাকলে বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকলে বাইরে ব্যায়াম করার বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

২. খাবারের তালিকায় আনুন পুষ্টির বৈচিত্র্যসুস্থ থাকতে শুধু শীতকালেই নয়, সারা বছরই সুষম খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। তবে ঋতু পরিবর্তনের আগে খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর খাবারের বৈচিত্র্য বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেওয়া যেতে পারে।প্রতিদিনের খাবারে মৌসুমি ফল, শাকসবজি, ডাল, ডিম, মাছ, দুধ ও অন্যান্য প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার রাখুন। আমলকী, পেয়ারা, কমলা ও লেবুর মতো ফলে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। অন্যদিকে শাকসবজি থেকে শরীর প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও আঁশ পেতে পারে।অনেকে শীতের আগে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আদা, কাঁচা হলুদ, কালোজিরা কিংবা বিভিন্ন মসলা বেশি পরিমাণে খেতে শুরু করেন। এগুলো স্বাভাবিক খাবারের অংশ হিসেবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। তবে কোনো একটি উপাদান খেলেই রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বেড়ে যাবে বা ঠান্ডা-কাশি থেকে নিশ্চিতভাবে রক্ষা পাওয়া যাবে—এমন ধারণা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত নয়।পাশাপাশি অতিরিক্ত তেল-চর্বি, লবণ ও চিনিযুক্ত খাবার কমিয়ে সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন। শীতের সকালে নাশতা বাদ না দিয়ে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।মনে রাখবেন: পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত শরীরচর্চা, টিকাদান বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাও সুস্থ থাকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

৩. ত্বক ও ঠোঁটের যত্ন নিন শুষ্কতা বাড়ার আগেইশীতের অন্যতম পরিচিত সমস্যা হলো ত্বকের শুষ্কতা। বাতাসের আর্দ্রতা কমে গেলে এবং ঘন ঘন গরম পানিতে গোসল করলে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে যেতে পারে। এর ফলে হাত-পা ফাটা, ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া, চুলকানি এবং ত্বকে টান ধরার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।এ সমস্যা কমাতে এখন থেকেই ত্বকের নিয়মিত যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। গোসলের পর ত্বক পুরোপুরি শুকানোর আগেই উপযোগী ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে ক্রিম বা মলমজাতীয় ময়েশ্চারাইজার অনেক সময় লোশনের তুলনায় বেশি কার্যকর হতে পারে।গোসলের সময় অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহার না করে কুসুম গরম পানি বেছে নিন। দীর্ঘ সময় ধরে গোসল করা এবং ত্বকে অতিরিক্ত সাবান ব্যবহার করার অভ্যাস এড়িয়ে চলুন। ঠোঁটের শুষ্কতা কমাতে উপযোগী লিপ বাম ব্যবহার করা যেতে পারে।নারকেল তেল কিছু মানুষের ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সহায়ক হতে পারে। তবে সবার ত্বকে একই উপাদান উপযোগী নয়। ত্বকে জ্বালাপোড়া, র‍্যাশ বা অ্যালার্জি দেখা দিলে সেই পণ্য ব্যবহার বন্ধ করুন।শীতকালেও দিনের বেলায় বাইরে গেলে সূর্যের আলো থেকে ত্বক সুরক্ষার বিষয়টি উপেক্ষা করা উচিত নয়। আর যাঁদের ত্বকে দীর্ঘদিন ধরে চুলকানি, ক্ষত বা প্রদাহ রয়েছে, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৪. পানি পান, ঘুম ও পরিচ্ছন্নতার অভ্যাসে নজর দিনশীতকালে অনেকের তৃষ্ণা তুলনামূলক কম অনুভূত হয়। ফলে তাঁরা প্রয়োজনের তুলনায় কম পানি পান করেন। কিন্তু শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ জরুরি।দিনজুড়ে নিয়মিত পানি পান করুন। চাইলে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি, কুসুম গরম পানি কিংবা চিনি ছাড়া গরম পানীয় গ্রহণ করতে পারেন। তবে সবার জন্য প্রতিদিন একই পরিমাণ পানি প্রয়োজন হয় না। বয়স, শারীরিক পরিশ্রম, আবহাওয়া এবং স্বাস্থ্যগত অবস্থার ওপর পানির চাহিদা নির্ভর করে। যাঁদের কিডনি বা হৃদ্‌রোগের কারণে চিকিৎসক তরল গ্রহণ সীমিত রাখতে বলেছেন, তাঁরা চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করবেন।শীতের সময় সুস্থ থাকার জন্য ঘুমের নিয়মিত সময়সূচিও গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত হাত ধোয়া, কাশি-হাঁচির সময় মুখ ঢেকে রাখা এবং অসুস্থ ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে সতর্কতা অবলম্বনের অভ্যাস গড়ে তুলুন।ঘরে বাতাস চলাচলের উপযুক্ত ব্যবস্থা রাখুন। ধোঁয়া, ধুলাবালি ও রান্নার দূষিত ধোঁয়া এড়িয়ে চলুন। শীতের সময় জানালা-দরজা বন্ধ রাখার কারণে ঘরে বাতাস চলাচল কমে গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপদভাবে বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা করুন।ঠান্ডা লাগা মানেই শরীরে পানির ঘাটতি হয়েছে, কিংবা বেশি পানি পান করলেই ঠান্ডাজনিত রোগ প্রতিরোধ করা যাবে—এমন নয়। তবে পর্যাপ্ত পানি পান শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করে।

৫. শীতের কাপড়, কম্বল ও ঘরবাড়ি পরিষ্কার করুনদীর্ঘদিন আলমারিতে রাখা শীতের পোশাক, লেপ, কম্বল, চাদর ও পর্দায় ধুলাবালি জমতে পারে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে ছত্রাকও জন্মাতে পারে। এসব জিনিস ব্যবহারের সময় ধুলাবালি ও ছত্রাকের সংস্পর্শে এলে সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অ্যালার্জি, হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া কিংবা হাঁপানির উপসর্গ বাড়তে পারে।তাই শীত শুরু হওয়ার আগেই প্রয়োজনীয় পোশাক ও বিছানার সামগ্রী বের করে পরিষ্কার করুন। কাপড়ের গায়ে থাকা পরিচর্যার নির্দেশনা অনুযায়ী ধুয়ে বা প্রয়োজন হলে ড্রাই ক্লিন করিয়ে নিন। এরপর ভালোভাবে শুকিয়ে পরিষ্কার, শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন।কম্বল, লেপ ও ভারী চাদর রোদে শুকানোর সুযোগ থাকলে তা করতে পারেন। তবে শুধু রোদে দিলেই সব ধরনের ধুলাবালি, ছত্রাক বা অ্যালার্জেন দূর হয়ে যায় না। সম্ভব হলে ধোয়া যায় এমন সামগ্রী যথাযথভাবে পরিষ্কার করুন।যাঁদের হাঁপানি বা ধুলাবালিতে অ্যালার্জি রয়েছে, তাঁরা নিজেরা ধুলোময় কাপড় ঝাড়া এড়িয়ে চলুন। প্রয়োজনে অন্য কারও সাহায্য নিন। পাশাপাশি ঘরের কোণ, পর্দা, বিছানার নিচ ও আলমারির ওপর জমে থাকা ধুলাবালি পরিষ্কার করুন।ঘরে স্যাঁতসেঁতে ভাব বা ছত্রাকের উপস্থিতি থাকলে তার কারণ খুঁজে বের করে সমাধান করুন। শুধু সুগন্ধি স্প্রে ব্যবহার করে সমস্যাটি ঢেকে রাখার পরিবর্তে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও বাতাস চলাচলের দিকে গুরুত্ব দিন।শীতের আগে আরও কয়েকটি বিষয়ে সতর্ক থাকুনশীতের প্রস্তুতি শুধু পোশাক ও খাবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

এ সময় কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন-টিকাদান:

বয়স ও স্বাস্থ্যগত অবস্থা অনুযায়ী ফ্লু এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় টিকা সম্পর্কে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।শিশুদের যত্ন: শিশুদের উপযুক্ত গরম পোশাক পরান এবং তাদের শরীর অতিরিক্ত গরম হয়ে যাচ্ছে কি না, সেদিকেও খেয়াল রাখুন।

বয়স্কদের সুরক্ষা:

বয়স্ক ব্যক্তিদের ঘরের তাপমাত্রা আরামদায়ক রাখুন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ নিয়মিত গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক থাকুন।শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা: হাঁপানি বা দীর্ঘমেয়াদি ফুসফুসের রোগ থাকলে চিকিৎসকের নির্দেশিত ওষুধ ও চিকিৎসা পরিকল্পনা অনুসরণ করুন।

জরুরি লক্ষণ: শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, অস্বাভাবিক দুর্বলতা বা দীর্ঘস্থায়ী জ্বর দেখা দিলে চিকিৎসা নিতে দেরি করবেন না।সচেতনতাই হতে পারে স্বস্তির শীতের চাবিকাঠিশীত প্রকৃতির স্বাভাবিক পরিবর্তন। এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে প্রয়োজন সচেতন জীবনযাপন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং নিজের শরীরের প্রতি যত্নশীল হওয়া। শীত শুরু হওয়ার পর সমস্যা দেখা দিলে ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে আগেভাগে প্রস্তুতি নিলে অনেক অস্বস্তি এড়ানো সম্ভব।তাই এখনই শীতের পোশাক ও কম্বল পরিষ্কার করুন, খাবারের তালিকায় পুষ্টিকর উপাদান রাখুন, ত্বকের যত্ন শুরু করুন এবং পানি পান ও ঘুমের নিয়মিত অভ্যাস বজায় রাখুন। পরিবারের শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ সদস্যদের প্রয়োজনের প্রতিও নজর দিন।শীতকে ভয় নয়, প্রস্তুতি দিয়ে স্বাগত জানান। সচেতন অভ্যাস, সঠিক স্বাস্থ্যবিধি ও সময়মতো চিকিৎসাসেবাই পারে শীতের দিনগুলোকে আরও নিরাপদ, সুস্থ ও স্বস্তিদায়ক করে তুলতে।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.