[9/11, 12:43 AM] Ibrahim khalil: ভালোবাসা তোমার জন্য
-------------------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
আমার প্রতিটি ভোরে তুমি ভোরের প্রথম আলো,
হাজারো ভিড়ের মাঝেও তোমায় লাগে বড্ড ভালো।
আমার গহীন রাতে তুমি আকাশের একলা চাঁদ,
তোমায় ভেবেই কেটে যায় আমার নীরব রাত।
আমার কাছে ভালোবাসা মানে তোমার এক চিলতে হাসি,
কোনো কারণ ছাড়াই তোমায় হুট করে বলা, ভালোবাসি।
আমার কাছে ভালোবাসা মানে তোমার হাতের ছোঁয়া,
বুকের ভেতর ভালোবাসার মিষ্টি এক হাওয়া।
যদি তুমি হতে চাও আমার ক্লান্ত পথের ছায়া,
আমি হব তোমার চিরকালের মায়ায় বাঁধা কায়া।
আমার সবটুকু হাসি, আমার সবটুকু গান,
তোমার নামেই সঁপে দিলাম আমার এই পরান।
যদি কোনোদিন অভিমানের কালবৈশাখী আসে,
জেনো, আমার এই হৃদয় শুধু তোমাকেই ভালোবাসে।
তোমার জন্যই জমা রাখা আমার প্রতিটা নিঃশ্বাস,
তোমার মাঝেই শেষ হবে আমার শেষ বিশ্বাস।
[9/11, 12:46 AM] Ibrahim khalil: মায়াজালে
---------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
নিশব্দ এই গভীর রাতে
হাতে রেখো হাত,
সব কোলাহল মিলিয়ে যাক
আজকের এই রাত।
তুমি আমার চোখের ভাষা,
বুকের ভেতর ওম,
তোমার ছোঁয়ায় থমকে দাঁড়ায়
ব্যস্ত শহর থম।
হৃদয় জুড়ে অনুরাগে
ফুটুক গোলাপ লাল,
তোমার প্রেমে ভেসে যাব
হারালে দিক-বিদিক বা কাল।
আঙুলেতে আঙুল জড়িয়ে
বলব গোপন কথা,
তোমার বুকে জুড়িয়ে নেব
আমার সকল ব্যথা।
ভালোবাসার এই মায়াজালে
বাঁধো আমায় সুখে,
তুমি আমার চিরকালের
একটুকু ঠাঁই বুকে।
[9/11, 12:53 AM] Ibrahim khalil: অনুভবে ভালোবাসা
----------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
তোমার ঠোঁটের লাল গোলাপি রঙে
লুকিয়ে আছে হাজার রাতের আলো,
মন চায় শুধু কাছে টেনে নিয়ে
তোমায় বাসি খুব অনুভবে ভালো।
তোমার নরম হাতের পরশ পেয়ে
মুছে যাক সব দূরত্বের অভিমান,
বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরে তোমায়
শুনতে চাই ওই হৃদস্পন্দনের গান।
ঠোঁটে উঠুক অনুরাগের চুমু,
আদরে আদরে কাটুক নীরব রাত,
বিশ্বের সব কোলাহল ভুলে গিয়ে
ধরে রাখি চিরকাল তোমার এই হাত।
তুমি আমার হারিয়ে যাওয়ার স্থান,
আমার চেনা এক চিলতে সুখ,
তোমার ওই গভীর ছোঁয়ায় এসে
জুড়িয়ে যাক আমার তৃষ্ণার্ত বুক।
[9/11, 2:48 AM] Ibrahim khalil: তোমার চোখের নীল আলোতে হারাই,
যেথায় সুখের স্বপ্ন ডানা মেলে,
তোমার মুখের হাসি দেখে মন ভরে,
সেথায় প্রেমের ফুল ফুটুক মেলা।
তোমার হাতে হাত রেখে হাঁটি,
যেথায় তুমি সেখানে আমি থাকি,
তোমার সাথে ভালোবাসার গান গাই,
যেথায় তুমি সেখানে আমি বাঁচি।
তোমার হৃদয়ে আমার নাম লেখা,
সেথায় আমি আজীবন থাকতে চাই,
তোমার জন্য সবকিছু ছেড়ে দেবো,
সেথায় আমি আজীবন ভালোবাসতে চাই।
ভালোবাসা
ইব্রাহীম খলিল জসিম
[9/12, 1:08 AM] Ibrahim khalil: মায়াবী বন্ধন
------------------
ইব্রাহীম খলিল জসিম
হাতে হাত রেখে মিলনের প্রান্তরে,
তুমি আমার, আমি তোমার—
এই নীরব কথাটি গোপনে গোপনে
বেঁধে রাখুক আমাদের ভালোবাসার বিশ্ব সংসার।
পৃথিবীর সব কোলাহল দূরে যাক থেমে,
মুহূর্তগুলো থমকে দাঁড়াক নিঃশব্দ অনুরাগে,
চোখে চোখ রেখে বুঝে নেব আমরা,
যে আলো আজ দু'জনার হৃদয়ে জাগে।
কেউ জানবে না, কেউ শুনবে না এই সুর,
শুধু বাতাস বয়ে নিয়ে যাবে গোপন স্পন্দন,
হৃদয়ের একান্তে সাজানো থাকবে চিরকাল
আমাদের এই পবিত্র, মায়াবী বন্ধন।
সময় বদলাবে, বদলাবে পথের সীমানা,
তবু ফিকে হবে না কোনো স্মৃতির রঙ;
গোপনে থেকে যাবে যে অঙ্গীকার,
তাতেই বাঁধা থাকবে আমাদের জীবন।
হাতে হাত রেখ মিলনের প্রান্তরে,
তুমি আমার, আমি তোমার—
এ কথা চিরদিন সুখে-দুঃখে
থেকে যাক শুধু আমাদের অন্তরে।
[9/12, 1:11 AM] Ibrahim khalil: তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই
--------------------------------------
ইব্রাহীম খলিল জসিম
এই মন তোমাকে চায়,
এই চোখ তোমাকে চায়,
এই ঠোঁট তোমাকে চায়,
আমি একান্তে শুধু তোমাকেই চাই।
তুমি আমার ভোরের আলো,
আমার সাঝের শান্ত নীড়,
কোলাহলের মাঝেও তুমি
আমার একলা মনের ভিড়।
তোমার হাওয়া ছুঁয়ে গেলে
হৃদয় জুড়ে নামে বৃষ্টি,
তোমার মাঝেই থমকে থাকে
আমার সমস্ত দৃষ্টি।
এই বুক তোমাকে চায়,
আমার এই সুর তোমাকে চায়,
আমার নিঃশ্বাস প্রতি ক্ষণে
একমাত্র তোমাকেই চায়।
আমার হৃদয় তোমাকে চায়,
আমার দেহ তোমাকে চায়,
আমার প্রাণ তোমাকে চায়,
আমার সকল অস্তিত্ব শুধু
তোমাকেই চায়।
আমার হৃদয় নিঙড়ানো
ভালোবাসা তোমাকে দিতে চাই,
আমার সকল ভালোবাসা অবিরাম তোমাকে চায়,
অন্তরে অন্তরে মিশে
তোমাকেই চাই।
ফুলের শুভাসে তোমাকে চাই,
ফুলের বিছানায় তোমাকে চাই,
ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে
তোমাকে আদর সোহাগ
ভালোবাসা দিতে চাই।
তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই।।।
[9/12, 1:15 AM] Ibrahim khalil: অসুস্থতায় বন্ধুর জন্য দোয়া
--------------------------------------
ইব্রাহীম খলিল জসিম
তোমার অসুস্থতার খবর মনে এনে দেয় বিষাদ,
দয়াময় আল্লাহর দরবারে করি কেবল একটিই ফরিয়াদ।
তিনি যেন রহমতের ছায়ায় জড়িয়ে নেন তোমায়,
সব কষ্ট দূর করে দেন করুণার এক আলতো ছোঁয়ায়।
আরোগ্যের মালিক তিনি, তিনিই শাফি, তিনিই মেহেরবান,
তাঁর হুকুমেই ফিরে আসবে স্বস্তি, মিটে যাবে সব গ্লানি ও ক্লান্তি।
ধৈর্য রেখো মনে তুমি, থেকো ভরসার শক্ত বাঁধনে,
খুব জলদিই ফিরবে হাসি তোমার জীবন-আঙনে।
আল্লাহ তোমায় শিফা দিন, ফিরিয়ে দিন আগের সে প্রাণোচ্ছ্বলতা,
সুস্থ হয়ে আবার তুমি ভরিয়ে তোলো আমাদের প্রতিটি কথা।
সুস্থতার এই প্রার্থনায় হাত তুলেছি আমরা অনুক্ষণ,
আল্লাহ তোমায় দ্রুত সুস্থতায় ভরিয়ে দিন,
আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামিন তোমাকে সুস্থ করে দিন।
[9/12, 1:18 AM] Ibrahim khalil: সাঁঝের তারা
------------------
ইব্রাহীম খলিল জসিম
তুমি আমার ভোরের আলো, তুমিই সাঁঝের তারা,
তোমায় ছাড়া হৃদয় আমার দিশেহারা।
প্রাণের চেয়েও প্রিয় তুমি, বুকের গভীর স্থান,
রুমাহীন এই জীবন যেন সুর ও বিহীন গান।
তোমার হাসিতে ফুটে ওঠে সহস্র রক্তগোলাপ,
তোমার ছোঁয়ায় জুড়িয়ে যায় মনের যত প্রলাপ।
চোখের নীলে হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে রোজ,
তুমি ছাড়া কে আর রাখে এমন গভীর খোঁজ?
তুমি আমার শান্তিনীড়, ক্লান্তি শেষের আশ্রয়,
তুমি আছো বলেই আমার নেই তো কোনো ভয়।
যতদিন এই হৃদস্পন্দন রবে আমার বুকে,
রেখে দেবো রুমা তোমায় পরম ভালোবাসার সুখে।
[9/12, 12:01 PM] Ibrahim khalil: ডেঙ্গু মশা
--------------
ইব্রাহীম খলিল জসিম
ঘরের কোণে, ফুলের টবে, জমে থাকা জলে,
ডেঙ্গু মশার বংশ বাড়ে অবহেলার ছলে।
এক ফোঁটা জল জমা থাকলে দেখতে ছোট অতি,
সেই জলেই যে লুকিয়ে থাকে মস্ত বড় ক্ষতি!
ছোট্ট ডেঙ্গু এডিস মশা, দেখতে কালো-সাদা,
কখন এসে কামড়ে দেবে, জল দিয়ে দাও বাধা।
গাছের টব আর ডাবের খোসা, ড্রাম বা টায়ারের ছাদ,
জমে থাকা জল ফেললে পরে মিলবে যে ত্রাণাদ।
সকাল-সঞ্চয় মশারি টাঙাও, চারপাশ রাখো সাফ,
জমা জলকে দূর করা চাই, এই হলো শেষ মাপ।
অভিযান আজ তুলতে হবে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে,
জমা জল সাফ হলে পরে ডেঙ্গু যাবে দূরে।
এক সাথে সব হাত মেলালে, সচেতনতা মনে—
ডেঙ্গু মশা হার মানবেই আমাদের এই রণে!
[9/12, 11:30 PM] Ibrahim khalil: জীবন্ত লাস
-----------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
আঁধার ঘরে জমে থাকে জমাট নীরবতা,
যেখানে নিঃশ্বাসের শব্দও ভারী শোনায়,
একটি দেয়াল অন্য দেয়ালকে জিজ্ঞেস করে—
"তুমিও কি আর নড়তে পারো না?"
চোখ দুটো খোলা, কিন্তু সেখানে কোনো আলো নেই,
ঠোঁটের কোণে হাসিটা জমে গেছে বহু বছর আগে।
হৃদয়টা স্পন্দিত হয় নিয়ম মেপে,
যেন কোনো এক যান্ত্রিক ক্লকওয়ার্কের ঘড়ি।
বাইরে বাতাস বয়, বৃষ্টি নেমে আসে ছাদে,
সবাই বলে সে তো এখনো বেঁচে আছে!
কিন্তু রক্তে যে হিম ঢুকে গেছে সেই কবে,
যেখানে স্বপ্নগুলো মরে পচে গেছে কোনো এক কোণে।
সব আছে—শরীর, রক্ত, মাংসের অবয়ব,
শুধু ভেতর থেকে উড়ে গেছে মূল অস্তিত্বের চাবিকাঠি।
পৃথিবীর ভিড়ে হেঁটে চলে শত শত চোখ,
কেউ জানে না—মানুষের পোশাকে আসলে হেঁটে চলেছে এক জীবন্ত লাশ।
[9/12, 11:33 PM] Ibrahim khalil: চোখের নেশা
-------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
চোখে তোমার কাজল নদী, মায়ার গভীর জল,
এক পলকেই হারিয়ে ফেলে এই হৃদয়ের তল।
নেশা জমা চাহনিতে কোন জাদুর ছোঁয়া,
পলক ফেলার আগেই যেন পরাণ গেল ধোঁয়া!
হরিণচোখে চেয়ে যখন হাসো একটুখানি,
বুকের ভেতর ভালোবাসার বাজায় ব্যাকুল বাণী।
তোমার মায়ায় আটকা পড়ে হারিয়েছি এই মন,
চোখের নেশায় বুঁদ হয়ে রই সত্যি সারাজীবন।
[9/12, 11:35 PM] Ibrahim khalil: মায়াবী চোখ
------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
একজোড়া টানা চোখে মায়ায় মোড়ানো,
একটুখানি দেখাতেই মন হারিয়ে ফেলা।
কাজল-আঁকা পাপড়িতে মেঘ জমা থাকে,
তুমি তাকালে শান্ত নদীও মাতাল হতে পারে।
তোমার ওই টানা-টানা মায়াবী চোখে
রহস্যের গভীরতা যেন এক অচিনপুর,
পলক ফেলার ফাঁকে ফিসফিস করে গান গায়
কোনো এক না-বলা সুর।
চোখের ভাষায় থমকে যায় চারপাশের কোলাহল,
কাজলা দিঘির ছায়া যেন জমে আছে চোখের কোনায়,
হাজার কবিতার পঙ্ক্তি লিখে শেষ করা যায় না
তোমার এক পলক চাহনির মায়ায়।
[9/12, 11:36 PM] Ibrahim khalil: মায়াবী স্পর্শ
-------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
তোমার ঠোঁটের কোণে যেন
জমানো একমুঠো আলো,
ও মনকাড়া বাঁকা হাসিতেই
আমার পৃথিবী বাঁধলে ভালো।
গোলাপের পাপড়িও কি পায়
এমন মায়াবী নরম ছোঁয়া?
ও ঠোঁটের প্রতিটি শব্দ যেন
এক মিষ্টি সুরের মায়ায় মোড়া।
না চাইতেও চোখ দুটো আটকে যায়,
অদ্ভুত এক সম্মোহনে,
আকর্ষণের সেই গভীর ছন্দ
দোলা দিয়ে যায় ব্যাকুল মনে।
কোনো তুলির আঁচড়ে আঁকা নয়,
তুমি কোনো রূপকথা নও তো,
তবে কেন তোমার ওই ঠোঁট দুটি
এত বেশি মায়াবী বলো তো?
[9/12, 11:37 PM] Ibrahim khalil: পুর্নিমা চাঁদ
--------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
হরিণ চোখের কাজল কালো, মেঘবরণ কেশ,
তোমার রূপের ছোঁয়ায় যেন বদলে যায় দেশ।
হাসির মাঝে ফুটছে গোলাপ, ঠোঁটে ভোরের আলো,
তোমায় দেখলে সত্যি লাগে এই দুনিয়া ভালো।
তুমি যেন পূর্ণিমা চাঁদ, আঁধার রাতের মাঝে,
তোমার নুপুরের সুর বাজে সকাল-সন্ধ্যা-সাঁঝে।
হাঁটার তালে দোলে বাতাস, থমকে দাঁড়ায় পথ,
তোমার রূপের মায়ায় বাঁধা স্বর্গের ওই রথ।
অপরূপা সৌন্দর্য তোমার, অতুলনীয় সাজ,
তোমায় দেখে থমকে দাঁড়ায় বিধাতার সব কাজ।
তুমি এক সৃষ্টিসুখের অনবদ্য কাব্য,
তোমার রূপের প্রশংসা তাই যুগে যুগে লভ্য।
[9/13, 11:08 AM] Ibrahim khalil: মায়াবী মায়াবী চোখ
-----------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
মায়াবী মায়াবী চোখ জোড়া তার,
গভীর জলের নদী,
ডুবে যেতে রাজী এক পলকেই
হৃদয় ভাসিয়ে দিই।
কোঁকড়া কোঁকড়া চুলের ভাঁজে
আটকে পড়েছে মন,
বাতাসে যখন ওড়ে সে চুল
থমকে দাঁড়ায় ক্ষণ।
ওরে রে আমার ডানাকাটা পরী,
ওরে মোর রূপবতী,
তোরে দেখে যে থমকে দাঁড়ায়
আমার সময়-গতি।
চোখের ভাষায় কি যে জাদু,
চুলের ভাঁজে আলো,
বন্ধু তোরে বাসরে আমি
বড্ড বেশি ভালো।
[9/13, 11:09 AM] Ibrahim khalil: চোখ যে মনের কথা বলে
----------------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
চোখ যে মনের কথা বলে,
চোখ খুলে দেয় মনের দ্বার,
কোনো ভাষায় মেলেনি আজও
নীরব চাওয়ার তুলনা তার।
হাসির আড়ালে লুকিয়ে রাখা
দুঃখ যত মেঘের মতো,
এক পলকের দৃষ্টিতে তাই
ধরা পড়ে যায় অবিরত।
কখনো চোখ নদী হয়ে
কষ্টের সুর বয়ে আনে,
কখনো আবার আশার আলোয়
নতুন কোনো স্বপ্ন বুনতে জানে।
মুখের কথা মিথ্যা হতে পারে,
ছলনা করতে পারে ছদ্মবেশ,
কিন্তু চোখের নীরব ভাষায়
সত্যটাই থাকে অবশেষ।
[9/13, 11:09 AM] Ibrahim khalil: চোখের ভাষা অমলিন
-------------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
চোখের ভাষা সে যে একটি ভাষা,
বিনা বাক্যে রচিত গভীর কাব্য,
ঠোঁটের শব্দ যেখানে থেমে যায়,
সেখানেও এই ভাষা থাকে শ্রাব্য।
হাজার মানুষের এই ভবের মেলায়
কত না সুর, কত যে কোলাহল,
সব ভেদে এক নীরব আলাপন—
চোখের তারায় ভাসে হৃদয়ের জল।
অভিমান থাকে চোখের এক কোণে,
একটুখানি হাসি আনে স্বস্তি,
কখনো বা সেখানে মেঘ জমে ভারী,
কখনো বা অপার আনন্দের ভোজ।
কোনো ব্যাকরণ নেই এই ভাষার,
নেই কোনো কঠিন শব্দের বাঁধন,
শুধু ভালোবাসার অনুভবে গাঁথা
এক অদ্ভুত রূপালী বন্ধন।
ভালোবাসা শুধু ভালোবাসা থাকে,
চোখের আলোয় ফুটে ওঠে প্রতিদিন,
মুখের ভাষা হয়তো ভুলিয়ে দেয় কাল,
চোখের ভাষা অমলিন, চিরদিন।
[9/13, 11:10 AM] Ibrahim khalil: চোখের নিঃশব্দ সংলাপ
---------------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
চোখে চোখ রেখে যে পলক থমকে যায়,
সেখানেই শুরু হয় এক অচেনা গল্প।
পৃথিবীর সব কোলাহল দূর হয়ে কেটে যায়,
বাকি থাকে শুধু দু'জোড়া চোখের নিঃশব্দ সংলাপ।
চোখের ভাষায় কি লেখা থাকে এতখানি গান?
যেখানে হারাতে গিয়ে থমকে দাঁড়ায় মান-অভিমান।
তুমি তাকিয়েছিলে আলো ভরা একরাশ মায়ায়,
আর আমি সঁপে দিলাম নিজেকে তোমারই ছায়ায়।
কোনো কথা না বলেও কত কী বলা হলো সেদিন,
দৃষ্টির মেলায় বাধা পড়ল দুটো মন রঙিন।
চোখে চোখ রাখা সেই ক্ষণটুকু থেমে থাক চিরকাল,
তোমার চোখের গভীরে কেটে যাক জীবনের জলছাপ, আঁধার আর কাল।
[9/13, 9:43 PM] Ibrahim khalil: বাঁকা চোখের হাসি
---------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
একটুখানি বাঁকা চোখে
তাকাও যখন ফিরে,
হাজার প্রদীপ জ্বলে ওঠে
হৃদয় গহীনে গিয়ে।
না-বলা কথা কত কী যে
চোখের কোণে ভাসে,
মেঘ জমলে আকাশজুড়ে
হঠাৎ আলো হাসে।
ওমন বাঁকা চাহনিতে
মন হারাতে রাজি,
এক দেখাতেই জিতে নিই
প্রেমের কঠিন বাজি।
তুমি কি জানো তোমার ও চোখ
কতটা ছায়াময়?
ওই চাহনিতে মুহূর্তেই
সব বাধা শেষ হয়।
[9/13, 9:44 PM] Ibrahim khalil: তুমি আমার স্বপ্নের ঠিকানা
--------------------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
হৃদয়-ক্যানভাসে আঁকা এক ছবি তুমি,
আমার কল্পনার নদী, ভালোবাসার ভূমি।
হাজার পথের ভিড়ে এক টুকরো আলো,
একলা আঁধারে বেসেছি তোমায় ভালো।
তোমার চোখের মায়ায় লুকানো যে সুর,
মুছে দেয় নিমেষেই সকল কান্না বহু দূর।
তোমার হাসির রোদে ফোটে ভোরের ফুল,
তুমি আছ বলেই তো জীবন নয় ভুল।
তুমি আমার ক্লান্ত দিনের শীতল ছায়া,
বুকে জুড়ে আগলে রাখা এক অদ্ভুত মায়ায়।
ঝড়-বৃষ্টির মাঝে তুমি আমার আশ্রয়,
তোমার কোলে এসে মিটে সব সংশয়।
সময় যেখানে থেমে যায় থমকে,
তুমি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা নীল ধ্রুবতারা সংকেত।
পৃথিবীর সব পথ যেখানে শেষ হয় এসে,
তুমি সেই দূর দিগন্ত, যেখানে মন বাঁচে ভালোবেসে।
শত ব্যস্ততায়, অবচেতন মনে প্রতিদিন প্রতি ক্ষণ,
তোমার মাঝেই হারায় আমার যা কিছু ব্যাকুল মন।
তুমি আমার পথ চলার একমাত্র অনুপ্রেরণা,
তুমিই আমার রূপকথা, তুমিই তো স্বপ্নের ঠিকানা।
[9/13, 9:45 PM] Ibrahim khalil: অন্তরে অন্তরে
---------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
অন্তরে অন্তরে জমে থাকা কথা,
কিছুটা তো আনন্দ, কিছুটা যে ব্যথা।
মুখ ফুটে যাহা কিছু বলা হলো না তো,
বুকের গহীনে তাহা লুকিয়ে থাকে কত।
বাইরের হাসিমুখ ঢেকে রাখে জল,
চোখের আড়ালে থাকে স্মৃতির অনল।
কেউ তো দেখে না সেই ভেতরের আলো,
কতটা বাসিল ভালো, কতটা কাটাল দিন কালো।
শব্দ ছাড়া যেথা ভাষা জেগে রয়,
নীরবতা নিজে সেখানে কথা কয়।
অন্তরে অন্তরে যে সুরটি বাজে,
সে তো শুধু খুঁজে ফেরে তোমায় সব কাজে।
কথা আর সুরের এই বোনা জাল,
অন্তরে অন্তরে রবে চিরকাল।
[9/13, 9:49 PM] Ibrahim khalil: অন্তরের ব্যাকুলতা
--------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
তুমি মোর আঁখি-পাতে আছ অলক্ষ্যে আঁকা,
হৃদয়-কূপে গোপনে তোমার নামটি লেখা।
প্রতিটি নিশ্বাসে বাজে তোমারি নুপুর,
তোমায় ভেবে কেটে যায় নিঃসঙ্গ দুপুর।
তুমি আমার নীরব রাতির শান্ত সুধা,
তুমি আমার তৃষিত মনের চিরন্তন ক্ষুধা।
বাহিরে আমি একাকী পথিক, ভিড়ের মাঝে একা,
ভেতরে কেবল তোমার সুরের স্নিগ্ধ ছোঁয়া রাখা।
নয়ন মুদিয়া দেখি তোমারে, নয়ন মেলিয়া পাই,
তুমি ছাড়া এই ভুবনে আর তো কিছুই নাই।
আমার সকল ভাবনাজুড়ে তোমারি অধিকার,
তুমিই আমার অন্তরে অন্তরের শেষ উপহার।
[9/13, 9:50 PM] Ibrahim khalil: কেয়ামত থেকে কেয়ামত
-----------------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
মহাকালের পাতায় লেখা এক অন্তহীন গল্প,
সৃষ্টির শুরু থেকে শেষের এই আলো-আঁধারির অল্প।
ধূলিকণা থেকে গ্যালাক্সি—যা কিছু পেয়েছে রূপ,
এক অসীম প্রবাহে বাধা, কত না নিঃশব্দ নিঝুম।
অনন্ত এই পথচলা, এক জীবন থেকে অন্য জীবন,
সময়ের নদীতে ভাসে হাজারো সুর, হাজারো ক্রন্দন।
আলোর উৎস থেকে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল কোনো দিন,
আঁধারের তীরে গিয়ে শেষ হবে তার চিরন্তন ঋণ।
কেয়ামতের আগে যেমন জমে ওঠে গভীর এক নীরবতা,
সৃষ্টির প্রতি বুদ্বুদে লেখা থাকে ভাঙা-গড়ার বার্তা।
মহাশূন্যের শূন্যতায় মুছে যাবে চেনা সব নাম,
তবু থামবে না এই চাকা, ভাঙবে না অধরা ধাম।
সূর্যের আলো নিভে যাবে, ছাই হবে পৃথিবীর বুক,
ভাঙনের তীব্র স্রোতে শেষ হবে আনন্দ আর দুঃখ।
তবু শেষ নয় যা কিছু—তা কেবল নতুন এক ভোরে,
আবার কোনো এক কেয়ামত জাগবে অন্য কোনো অন্তরে।
এক শুরু থেকে আরেক শেষ, এক রূপ থেকে আর এক রূপ,
কেয়ামত থেকে কেয়ামত—প্রকৃতি রয় নিজের ছাঁচে নিশ্চুপ।
[9/16, 11:38 PM] Ibrahim khalil: স্বপ্নের নায়িকা
---------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
মেঘের ভাঁজে আঁকা তোমার ছবি,
আকাশের বুক জুড়ে ফুটে থাকা তারা,
তুমি আমার সেই না-দেখা কবিতা,
যার প্রেমে মন ব্যাকুল, দিশাহারা।
একটুখানি হাসির ছোঁয়ায় তার,
রাতের আকাশে পূর্ণিমা নেমে আসে,
একবার শুধু চোখের ইশারায়,
হাজারো রঙিন স্বপ্নরা ভেসে ওঠে।
হয়তো কোনো গোধূলির আলোয়,
নতুবা কোনো এক নির্জন গলি বেয়ে,
একদিন ঠিক সামনে এসে দাঁড়াবে—
আমার সমস্ত অপূর্ণতা পূর্ণ করে দিয়ে।
তুমি আমার কল্পনার রাজকন্যা,
অপেক্ষার শেষ পাতায় লেখা এক নাম,
আমার হূদয়ের সবটুকু ভালোবাসা—
হে স্বপ্নের নায়িকা, তোমাকে সঁপে দিলাম।
[9/17, 9:14 AM] Ibrahim khalil: আলোর সারথি নব জ্যোতি
--------------------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
নব আঁখিতে জাগুক আশা, নব ভোরের গান,
সত্য প্রকাশে অটল থেকে জুড়াক সবার প্রাণ।
অন্ধকারের পর্দা ঠেলে আসুক আলোর বার্তা,
কলম ধরুক নির্ভয়ে সব মেহনতী ও দাতা।
লেখনী হোক ধারালো তরবারি, ন্যায়ের শুভ আলো,
দূর হয়ে যাক জীর্ণ-পুরাতন, যা কিছু না-ভালো।
শব্দে শব্দে ফুটুক সত্য, জ্ঞানের আলোকচ্ছটা,
দিক থেকে দিগন্তে ছড়াক প্রদীপ্ত ওই ছটা।
নব জ্যোতি হোক গণমানুষের বিশ্বস্ত এক সুর,
যার আলোতে কেটে যাবে মনের অন্ধকার বহু দূর।
শুভ কামনায় এগিয়ে চলুক, সাফল্যের এই রথ,
সত্যের মশাল হাতে দেখাক নতুন ভোরের পথ।
[9/18, 11:34 AM] Ibrahim khalil: বিদুৎ আসে বিদ্যুৎ যায়
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
বিদ্যুৎ আসে, বিদ্যুৎ যায়, আলো-ছায়ার খেলা,
বউয়ের সাথে প্যাঁচ লেগে যায় কাটছে দুপুর-বেলা।
গরমের চোটে হাঁসফাঁস অবস্থা, ঘাম ঝরেছে গায়,
হঠাৎ দেখি শালী এসে পাখাটা নিয়ে নাড়ায়।
মিষ্টি হেসে শালী বলে, "শুনছ দুলাভাই?
তোমার জন্য এক বাটি বরফ-সরবত আনি?"
বউ চেঁচিয়ে ওঠে রান্নাঘর থেকে—
"ওসব ছলাকলা রেখে আনো তো টিউবওয়েলের পানি!"
শালি বলে, "দুলাভাই, শোনো একটা খাসা গল্প বলি,
ভূত-প্রেতের কেচ্ছা শুনে শিহরে ওঠো যদি!"
অন্ধকারে ভয় পাইয়ে জড়িয়ে ধরার ছল,
পিছন থেকে বউ এসে দেয় এক ঘটি ঠাণ্ডা জল।
বিদ্যুৎ আসে, বিদ্যুৎ যায়, মোমবাতিটা নেভে,
শালী-দুলাভাইয়ের খুনশুটিতে দিনটা চলে ভেবে।
প্যাচপ্যাচে এই গরমের দিনেও একটু হাসির আলো,
শালী যদি গল্প শোনায়, লোডশেডিংও ভালো!
[9/18, 11:53 AM] Ibrahim khalil: বিদ্যুতের তালবাহানা
-----------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
আসে আলো, যায় আলো,
খেলা চলে দিন-রাত,
পাবলিকের কপালে
শুধু নামায় আঁধার হাত।
কখন যে যাবে আলো,
নাই কোনো সঠিক সিডিউল,
গরমের ঠেলায় ভাই
ঘামে ভিজে শেষ কুল!
কল-কারখানা আজ
বসে থাকে নিঝুম,
ব্যবসায় লাল বাতি,
চোখে নেই কারও ঘুম।
বিদ্যুৎ অফিস আজ
খেলে শুধু বাহানা,
দুর্ভোগ জমে জমে
বুকটা যে আর মানে না!
গরমেতে ছটফট,
টেনশনে কাটে দিন,
আঁধারের এই খেলা
শেষ হবে কোন দিন?
[9/19, 4:16 PM] Ibrahim khalil: কবি লেখক সাংবাদিকদের লেখার অধিকার থাকতে হবে
----------------------------------------
মুঃইব্রাহীম খলিল জসিম
কলমের মুখে শৃঙ্খল দিলে
শব্দ তো থেমে থাকে না,
সত্যের স্বর খাঁচায় পুরে কি
অন্ধকারকে রাখা যায় না?
যার কাজ আঁকা জীবনের ছবি,
যে খোজে সত্যের মূল,
তারই যদি আজ কলম থামানো হয়,
ভেঙে যায় সভ্যতার কূল।
কবি বুনে যান স্বপ্নের জাল,
লেখক জাগান বোধ,
সাংবাদিকের ধারালো চোখে
অন্যায়ের প্রতিরোধ।
তাদের হাত যদি বাঁধো শৃঙ্খলে,
বাক্স্বাধীনতা কাড়ো,
মনে রেখো তুমি সত্যের আলোয়
নিজেরই পতন ডাকো।
মুক্ত স্বাধীন থাকুক লেখনি,
মুক্ত থাকুক বাণী,
সত্যের গায়ে দাগ কেটে যাক
প্রতিটি মুক্তির গান আনি।
Comments (0)
Be the first to comment on this article.
Leave a comment