ঢাকা    ,
সংবাদ শিরোনাম : চরকাঁকড়ায় দ্যা ট্যালেন্ট ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে সার পাচার ও মাদক প্রবেশের আশঙ্কা, ডিলার নিয়োগে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি জামায়াত আমীরের নোয়াখালীতে দেশীয় অস্ত্র তৈরির কারখানায় ডিবির অভিযান, বন্দুক ও সরঞ্জামসহ আটক ১ দাগনভূঞায় দক্ষিণ করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ অনুষ্ঠিত চরহাজারী ইউনিয়ন ছাত্রদলের উদ্যোগে বিএম কলেজে জীবনীগ্রন্থ, ক্রীড়া সামগ্রী ও পানির ফিল্টার বিতরণ দাগনভূঞা দ.সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ রসুলপুর ইউনিয়নকে আধুনিক ও উন্নত জনপদ গড়ার প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী নুর নবী চৌধুরী বসুরহাট পৌরসভার মেয়র পদে আবদুল্লাহ আল মামুনকে দেখতে চায় পৌরবাসী কোম্পানীগঞ্জে ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্রাজেডি দিবসে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সেনবাগ হাসপাতালে যানজট নিরসনে আনোয়ার উল্লাহ আজাদের উদ্যোগ, মানসম্মত সেবার তাগিদ

নোয়াখালীতে সার পাচার ও মাদক প্রবেশের আশঙ্কা, ডিলার নিয়োগে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি জামায়াত আমীরের

নোয়াখালীতে সার পাচার ও মাদক প্রবেশের আশঙ্কা, ডিলার নিয়োগে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি জামায়াত আমীরের

নোয়াখালীতে সার পাচার ও মাদক প্রবেশের আশঙ্কা, ডিলার নিয়োগে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি জামায়াত আমীরের

মোহাম্মদ উল্যা

বিশেষ প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম, রাজনৈতিক বিবেচনায় ডিলারশিপ প্রদান এবং অবৈধভাবে সার পাচারের অভিযোগ তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকার। তাঁর আশঙ্কা, দেশের কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার পাচার হয়ে মিয়ানমারে যেতে পারে। এর সঙ্গে মাদকদ্রব্যের অবৈধ প্রবেশের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও তদন্তের দাবি জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় নোয়াখালী জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

ইসহাক খন্দকার অভিযোগ করেন, সার ব্যবসার অভিজ্ঞতা, নিজস্ব দোকান ও প্রয়োজনীয় গুদাম না থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যক্তিকে ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও প্রকৃত সার ব্যবসায়ীদের অনেকে ডিলারশিপ পাননি। এমনকি রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ এবং একজন কৃষি কর্মকর্তার বাবাকে ডিলারশিপ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, অতীতে নোয়াখালী থেকে ভারতে সার পাচারের অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমানে মিয়ানমারে সার পাচারের আশঙ্কা রয়েছে। কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার অবৈধভাবে দেশের বাইরে চলে গেলে স্থানীয় বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি সার পাচারের সঙ্গে মাদক প্রবেশের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের বিষয়ে উপজেলা ও জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর মতে, নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির অভাব থাকলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন সাধারণ কৃষক।

সংবাদ সম্মেলনে নোয়াখালীসহ সারা দেশে সার ডিলার নিয়োগের অনিয়ম তদন্তে নিরপেক্ষ কমিটি গঠন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রকৃত, অভিজ্ঞ ও যোগ্য সার ব্যবসায়ীদের ডিলারশিপ দেওয়ার দাবি জানান ইসহাক খন্দকার। একই সঙ্গে অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তবে সার পাচার, মাদক প্রবেশ এবং ডিলার নিয়োগে অনিয়মসংক্রান্ত অভিযোগগুলোর স্বাধীন যাচাই ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টির প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

Comments (0)

Be the first to comment on this article.


Leave a comment

Your comment will be reviewed before publication.